পর্ণো ও সানি লিওন কে প্রমোট করায় অনলাইন নিউজপেপার সমালোচনার মুখে ।

2 113

বলিউড অভিনেত্রী ও কানাডিয়ান পর্ণো স্টার সানি লিওন কে প্রমোট করায় ব্যস্ত হয়ে উঠেছে অনলাইন নিউজপেপার গুলো, এদিকে পর্ণো ও সানি লিওন কে প্রমোট করায় সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার মুখে অনলাইন নিউজপেপার গুলো, ভিজিটর বাড়ানোর উদ্দেশ্যে পর্ণো ও সানি লিওন কে নিয়ে বেশি বেশি সংবাদ প্রচার করায় নিউজ সাইটের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ।

Online newsএকনজরে দেখে নেয়া যাক সোশ্যাল মিডিয়ায় কে কি বলছেঃ

Abul Kashem 

সেলিব্রিটিদের নিয়ে পত্রিকার বিনোদন পাতায় লেখা একটা স্বাভাবিক ঘটনা। অনলাইন পত্রিকাগুলো বা পত্রিকাগুলোর অনলাইন ভার্সনে সেলিব্রিটিদের নিয়ে লেখাগুলো নিউজ ফিডে আসে। তাতে দেখি কেবল সানি লিওন নিয়ে নানা খবর। আসলে সানি লিওনের খবর বিনোদন খবরের মার্কেটে মনপলি হয়ে গেছে। সানি লিওন নিয়ে পত্রিকা গুলো কি হারে বাংলা ভাষায় ওয়েবকে দূষিত করছে তার একটা চিত্র খুজেঁ পেতে গুগলে কিছু সার্চ করলাম।

১) প্রথমে google.com.bd গিয়ে “সানি লিওন” দিয়ে সন্ধান করলাম। ৪৩,১০০০ টি ফলাফল
২) intitle:সানি লিওন ২৪৮০০ টি ফলাফল – মানে তারে এই সংখ্যায় আর্টিকেল লেখা হইছে।

৩) এই দূষনে কার কতো অবদান সেটাও বের করা দরকার। সার্চ রেজাল্টে যে সমস্থ সাইট গুলো আসে তাদের নাম গুলো বার বার দেখলাম তাদের কিছু নাম নিলাম যেমন ধরুন priyo.com, kalerkantho.com ইত্যাদি ।

“সানি লিওন site:priyo.com” , “সানি লিওন site: kalerkantho.com” দিয়ে সার্চ করলাম। আপনি যদি নিজেও গুগলে সার্চ করেন তাহলে কার কতটুক অবদান সহজেই বুঝতে পারবেন।

পত্রিকাগুলোরে জ্ঞান দেয়ার কিছু নাই। এদের কাছে Alexa র‍্যাঙ্কিংটাই বড় কথা। যারা ওয়েবে নিয়ে কাজ করে তাদের কাছে Alexa কোন সাইটের জনপ্রিয়তা যাছাইয়ের জন্য একটা প্যারামিটার মাত্র। সাইটের জনপ্রিয়তা ও ট্রাফিক নিয়ে অনেক ইন্টেলিজেন্স এনালাইসিস করা হয়। বাংলাদেশে এখনো সেই ভাবে এই বিষয়ে লেখালেখি হয়নি বলে অনেকের কাছে এই এলেক্সাই বড় কথা এখনো। খুব শীঘ্রই আমার ধারনা এই পরিস্থিতি বদলাবে। মাঝখানে এই ধরনের লেখা নিয়ে পত্রিকাগুলো যে ভাবমূর্তি তৈরি করবে তা পূনরুদ্ধার করতে ঘাম জড়াতে হবে।

Al-amien Gazi  

এতোদিন পিছনের লেবেলের অনলাইন পত্রিকাগুলায় দেখতাম কখন কোথায় কে ধর্ষিত হয়েছে, কোন নায়িকা খোলামেলা পোশাক পরে বের হয়েছে, কার স্ক্যান্ডাল বের হইছে এসব রিপোর্ট নিয়ে ব্যস্ততা।
অথচ এবার কি দেখলাম ?! স্বনামধন্য Hello Today অনলাইন পত্রিকায় রিপোর্টের সাথে 3X ভিডিও এডজাস্ট করে দিয়েছে। এদের কি করা উচিত বলেন আপ্নারা ?

Sajjad Hossain কেবল অনলাইন নয় কিছু কিছু প্রিন্টেড পত্রিকাও মাঝে মাঝে এমনভাবে রসিয়ে নিউজ করে, মনেহয় অপরাধীকে অপরাধ করার জন্য প্ররোচনা দিচ্ছে ।
অথচ উচিত্‍ ছিল সেই অপরাধের শাস্তি কে হাইলাইট করে নিউজ করা যাতে, অন্য কেউ একই অপরাধ করার আগে শাস্তির কথা চিন্তা করে । তবেই না নিউজের স্বার্থকতা

আহমেদ শিহাব

অনলাইনে থাকি বেশী সময়। দিনে প্রায় ১৮ ঘন্টার উপরে অনলাইনে থাকি। তবে সেটা হোক না পিসি, ল্যাপটপ কিংবা মোবাইলে অনলাইনেই থাকি। অনেক ধাচের মানুষ অনেক ধাচের সুচীল দেখি অনলাইনে। অনেক সংবাদ দেখি । অনেক ঘাটাঘাটি করে কয়েকটা বাংলাদেশের থার্ড ক্লাস সংবাদ মাধ্যমের লিস্ট করলাম ..
১. হ্যালো টুডে
২. তাজাখবর
৩. সরেজমিনবার্তা
৪. কালেরকন্ঠ
৫. জুমবাংলা

৬, ঢাকা টাইমস
আপাতত ৬ টি হাই কোয়ালীটির বাজে খবর প্রকাশকারী অনলাইন পত্রিকার লিষ্ট দিলাম। যাদের কাজ হল ভুয়া নিউজ দেয়া, এডাল্ট নিউজ দেয়া। যত এডাল্ট আজব নিউজ আছে সব পাওয়া যাবে এই ৬ টাতে। যা ফেজবুকের তথা অনলাইনের পরিবেশ নষ্ট করছে। কি আর বলব !! এদের সংবাদের ভিত্তি নিয়ে কেউ কোন কাজ করলে আমি তাতে কখনো সাপোর্ট দেই না। কারন মানুষ বেচে থাকলেও এদের মাধ্যমে মরে যাবার হেডলাইন ও সংবাদ পাওয়াটা অস্বাভাবিক না। দয়া করে এইসব অনলাইন এডাল্ট পত্রিকার খবর শেয়ার করে নিজে বিব্রত হবেন না সাথে আপনার ফেন্ডলিস্টে থাকা বন্ধু,বড়ভাই,ছোটভাইদেরও বিব্রত করবেন না।

Saiful Kalam ভাই আফসোস লাগে কালের কন্ঠের মতো একটি জনপ্রিয় দৈনিক যদি এই ধরনের স্বার্থানেশ্বী খবর ছাপায়……… আর অবাক লাগে এই ধরনের সুযোগ সন্ধানি সাংবাদিকদের প্রতি. যারা অন্যের থালার খাবার কেড়ে নেয়. এই ধরনের পত্রিকা আর সাংবাদিকদের কি বিচার হবে না ?????

Shojib কালের কন্ঠ এর পেজ এ সবচাইতে বেশি আজব নিউজ দেয় ,
হ্যালো টুডে তে সব এডাল্ট টাইপের আজিব নিউজ , এছাড়া এক্টার নাম ও শুনি নাই ,
একটা পেইজেও লাইক নাই ,
আপনার কথার সাথে ১০০ % একমত

Karjohn Kamal এজন্য ওই পত্রিকা গুলো আসলে কোনভাবেই দায়ী নয়।এজন্য দায়ী আমরা পাঠকেরা।বাঙ্গালী এমনিতেই হুজুগে।নিষিদ্ধ জিনিষের প্রতি আকর্ষণ সবাআরি আছে।যখন যে জিনিসটা নিয়ে মাতামতি হয়,বন্ধ/নিষিদ্ধ করার দাবি উঠে তখন সেই জিনিসের চাহিদা হয় আকাশচুম্বী।প্রথম আলো পত্রিকায় মহানবী(স) কে নিয়ে ব্যাঙ্গ কার্টুন প্রকাশের পর যখন সেটা নিষিদ্ধের দাবি উঠে তখন তার সার্কুলেশন বেড়ে যায় দ্বিগুণ।কোন জিনিস নিয়ে যখন মাতামাতি শুরু হয় তখন তার গুগলিং বেড়ে যায় হাজারগুন।আর পাঠকের এই আগ্রহ দেখে নিজেদের পেইজভিউ বাড়াতে এই সুযোগটাকে কাজে লাগায় কিছু পত্রিকা/নিউজ সাইট।আমি মনে করি কোন ব্যাবসায়ীর জন্য এটা অপরাধ নয় বরং তার জন্য এটা সঠিক।

ইদানিং হেলো টুডে নামক একটি ব্লগ এবং উহার ফেসবুক পেইজের উদয় হইয়াছে।

যাহার প্রতিটা পোস্টের শিরনামে কোন না কোন মডেলের গোপন ভিডিও ফাস হইয়া থাকে।

ফ্রেন্ডলিস্টের অনেকেই দেখি আগ্রহ প্রকাশ
করিয়া ইহাতে লাইক দিয়া থাকেন। কিন্তু ব্লগে ভিজিট করিয়া শিরনামের বিষয় বস্তু পাওয়া যায় না। অথচ পোস্ট দেখিয়া মনে হয়, দুনিয়ার সমস্ত মডেল এবং নায়ক নায়িকার গোপন ভিডিওর ডাউনলোড লিংক উনাদের নিকট মজুদ রহিয়াছে।

ফ্রেন্ডলিস্টের সকল ফ্রেন্ডকে অনুরোধ করছি এই ধরনের পোস্ট এরিয়ে যাওয়ার. জন্য।

 

 

2 মন্তব্য
  1. ব্লগার ভাই বলেছেন

    ভালো লাগলো………..

  2. Tech Master বলেছেন

    অনলাইন পত্রিকা ভাবতেই অবাক লাগে ! পর্ণো ও সানি লিওন কিছুই বুঝেনা এরা 😛

উত্তর দিন