৯টি উপায়ে ট্যাবলেট চিনুন আর ভেজাল মুক্ত থাকুন

0 88

আসসালামু আলাইকুম, সবাইকে পিসি হেল্পলাইন বিডি  এর পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা । বিদেশে অনেক স্কুলে প্রথম দিন থেকেই বাচ্ছাদের হাতে ট্যাব ধরিয়ে দেয়া হয়। টিনএজ থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক, সবাই এখন ট্যাবলেট কেনার দিকে ঝুঁকছে। আপনি যদি ট্যাবলেট কিনতে চান, তাহলে ট্যাবলেট নিয়ে হোমওয়ার্ক করে নিন।

১. হাতে নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর উপযোগী ট্যাবলেটের গ্রহনযোগ্যতা বেশি।।তাই আগে দেখে নিতে হবে ব্যাটারির শক্তি কতটা। বিভিন্ন নামীদামি সংস্থার মডেলগুলি ব্যাটারি মাত্র দু-চার ঘণ্টা থেকে শুরু করে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করার মতো বানানো হয়। তবে আপনার ব্যবহারের ওপর নির্ভর করবে ব্যাটারি কতক্ষণ চালু থাকবে।

২. কোন অপারেটিং সিস্টেমসহ ট্যাবলেট কিনবেন তা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার। অ্যাপলের আইওএস এবং অ্যান্ড্রয়েড- এ দুটি অপারেটিং সিস্টেম এখন বাজারে খুবই জনপ্রিয়। এ দুটোতে রয়েছে অসংখ্য অ্যাপস। এ ছাড়া উইন্ডোজ ৮.১ অপারেটিং বাজারে রয়েছে। আপনি যে ধরনেরই অ্যাপস ব্যবহার করবেন, তার ওপর ভিত্তি করে ট্যাবলেটের অপারেটিং সিস্টেম ঠিক করতে হয়।

৩. সাধারণত ৮ গিগাবাইট থেকে চাহিদার শুরু। এখন ১২০ জিবি পর্যন্ত স্টোরেজ ক্যাপাসিটির ট্যাবলেট বাজারে চলে এসেছে। তাতে তথ্য, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি রাখা যেতেই পারে। তবে প্রচুর গান, ভিডিও, ছবি বা অ্যাপস ডাউনলোড করতে চাইলে একটু বেশি স্পেস দেখে ট্যাবলেট নেওয়া দরকার।

৪. শুধু ওয়াই-ফাই বা ওয়াই-ফাইসহ মোবাইলে সংযোগ হবে কিনা বা থ্রি-জি বা ফোর-জি কানেকশন ইত্যাদি আগে ঠিক করে নিতে হবে। ওয়াই-ফাই থাকলে যেকোনও স্থানে, যেকোনও অবস্থায় ইন্টারনেটে ব্রাউজিং করতে পারবেন। আবার মোবাইল ডাটা প্ল্যান নিতে চাইলে অবশ্যই মোবাইল অপারেটরদের কাছে ডাটা কানেকটিভিটি নিতে হবে।

৫. ট্যাবলেটের পর্দা কতটা ঝকঝকে ও পরিষ্কার চাইছেন তা আপনাকে ঠিক করতে হবে। ন্যুনতম এইচডি-তে পরিষ্কার ছবি ও টেক্সট দেখতে চাইলে ৭২০পি (১২৮০x৭২০) রেজ্যুলেশনের পর্দা নিতে হবে। আর এ ক্ষেত্রে স্ক্রিনের আকারটা ৫ ইঞ্চি থেকে ১০ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়ে থাকে (আড়াআড়িভাবে মাপা হয়)।
ছোট পর্দার ট্যাবলেট কম চার্জে চলে।

৬. প্রসেসর হল মোবাইল বা ট্যাবলেটের হৃদযন্ত্র। সাম্প্রতিক বাজারে মাল্টি-কোর প্রসেসর চলে এসেছে। প্রসেসরের এই কোর যত বেশি হবে, ট্যাবলেট তত বেশি ও দ্রুত একই সঙ্গে অনেক কাজ করতে পারবে।

৭. যেহেতু ট্যাব সবসময় হাতে বা ব্যাগে থাকবে, তাই সুবিধাজনক ওজনেই ট্যাবলেট বানানো হয়। সাধারণত, সবচেয়ে কম ওজন ৪০০ গ্রাম থেকে শুরু করে সর্বাধিক ৭০০ গ্রাম পর্যন্ত ট্যাবলেটের ওজন হয়। তবে বিশেষ কিছু মাল্টি ট্যাবলেটের ওজন এক কেজি ছাড়াতে পারে।

৮. প্রায় সব ট্যাবলেটেই ছবি তোলা ও ভিডিও করার জন্য একটি ক্যামেরা দেওয়া থাকে। এ ছাড়া অধিকাংশ ট্যাবলেটে ভিডিও চ্যাট করার জন্য সামনেও একটি ক্যামেরা থাকে। ছবি তোলার নেশা থাকলে বেশি মেগা পিক্সেলের ক্যামেরাসহ ট্যাবলেট কিনতে পারেন।

৯. আধুনিক অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস অপারেটিং সিস্টেমে ১ থেকে ২ গিগাবাইট পর্যন্ত র‌্যাম দেয়া থাকে। আবার উইন্ডোজ ট্যাবলেটের অধিকাংশতে ২ থেকে ৪ গিগাবাইট র‌্যাম সংযুক্ত থাকে। র‌্যাম যতো বেশি হবে, ট্যাবলেট বা মোবাইল বা কম্পিউটারে অ্যাপস ততো দ্রুত চলবে। ৫১২ এমবি র‌্যাম না থাকলে ট্যাবলেট না কেনাই ভালো।

উত্তর দিন