বাংলালিংক আনুষ্ঠানিকভাবে আজ থ্রিজি চালুর ঘোষণা দেবে।

5 157

থ্রিজির লাইসেন্স পাওয়া সবগুলো অপারেটরের মধ্যে সবার শেষে আনুষ্ঠানিক আজ বুধবার ঘোষণা দিতে যাচ্ছে দেশের শীর্ষ দ্বিতীয় মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংকবাংলালিংক এই মুহুর্তে বাংলালিংক Head Office, Tiger’s Den এলাকায় 3G Test Run চালাচ্ছে।প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের আমন্ত্রণপত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে। তবে একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সবার শেষে তাদের আগমন ঘটলেও সবার থেকে বেশি এবং ব্যতিক্রমী কিছু থ্রিজির অফার দিতে পারে বাংলালিংক। তবে কি আসছে তা জানতে আজ বিকেলের সাংবাদিক সম্মেলন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অন্যান্য তিন অপারেটরের মতো আগামী অক্টোবার মাসেই থ্রিজি সেবা চালু করতে পারে বাংলালিংক। সূত্রমতে, সীমিত পরিসরে প্রতিযোগতিামূলক প্যাকেজে এই সেবা চালু করবে প্রতিষ্ঠানটি।

দেড়ি করে হলেও থ্রিজি সেবা চালু করতে বাংলালিংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মীরা নিরলস পরিশ্রম চলছে এবং একটু চমক দেখানোর জন্য অপারেটরটি চেষ্টা করছে বলে প্রতিষ্ঠানের একটি সূত্র জানিয়েছে।

সূত্র মতে, দিন বদলের প্রত্যয়ে প্রতিযোগিতের থেকে এগিয়ে থাকতে চলতি বছরেই পরিপূর্ণভাবে থ্রিজি সেবা চালুর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বাংলালিংক।

জানা গেছে, দীর্ঘ নাটকীয়তা শেষে গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের কাছ থেকে (বিটিআরসি) তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) লাইসেন্স পায় বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশন লিমিটেড।

এর আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর গ্রামীণফোন, রবি আজিয়াটা ও এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড এই লাইসেন্স পেয়েছে। গ্রামীণফোন, রবি ও এয়ারটেলকে ইতিমধ্যে থ্রিজি সেবার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্র আমদানির অনুমতি দিয়েছে বিটিআরসি।

বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী জিয়াদ সাতারা বলেন, “আমরা এইচএসপিএ ইন্টারনেট সার্ভিস খুব তাড়াতাড়ি গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করছি।

এছাড়াও আমরা থ্রিজি নিয়ে একটি শিক্ষামুলক কার্যক্রম চালু করব। এটি বিভিন্ন টিভি চ্যানেল, সামাজিক যোগাযোগের সাইট এবং পত্রিকার মাধ্যমে প্রকাশিত হবে।”

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন দেশে ২১০০ মেগা হার্টজ ফ্রিকোয়েন্সির ৪জি লাইট ইন্টারনেট সেবা প্রদানের অনুমতি দিয়েছে।

চলতি মাসের শুরুতে থ্রিজি নিলামে বাংলালিংক থ্রিজি অনুমোদন পায়, কিন্তু এখনি তারা ৪জি লাইট ইন্টারনেট সেবা নিয়ে কিছু ভাবছে না।

এ নিয়ে সাতারা বলেন, “আমরা নিলামে তরঙ্গ বরাদ্দ পেয়েছি। ৭০০ মেগা হার্টজ তরঙ্গ দিয়ে আমরা থ্রিজি সেবা প্রদান করব। এখনই ৪জি লাইট ইন্টারনেট সেবা চালু করা উচিত হবে না। কারণ প্রযুক্তি ব্যবস্থা ও সরঞ্জামের ঘাটতি রয়েছে।”

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল অপারেটর কোম্পানি বাংলালিংক কোম্পানিটি টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ভিমপেলকম কোম্পানির অংশ হিসেবে দেশে মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবা দিয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।

সম্প্রতি বাংলালিংক চীনা কোম্পানি হুয়াই কোম্পানির কাছ থেকে থ্রিজি পণ্য সামগ্রী নিয়েছে। প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারে তারা এসব সামগ্রী কিনেছে।

5 মন্তব্য
  1. আকাশ বলেছেন

    আকর্ষণীয় পোস্ট উপহার দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

  2. Nafiz Ur Rahman বলেছেন

    পোস্টটি. শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ

  3. হামিদ খান বলেছেন

    thanks for share

  4. অভি মজুমদার বলেছেন

    thanks

  5. মুক্ত পাখি বলেছেন

    অনেক ধন্যবাদ সুন্দর একটি পোস্ট উপহার দেয়ার জন্য ।

উত্তর দিন