কিউবি ও বাংলালায়নের লাইসেন্স বাতিল হচ্ছে দৈনিক যুগান্তর এর প্রতিবেদনের প্রতিবাদ করলো বাংলালায়ন ।

5 99

২৯ আগস্ট, ২০১৩ দৈনিক যুগান্তরে “বাতিল হচ্ছে ওয়াইম্যাক্স অপারেটর বাংলালায়ন ও কিউবির লাইসেন্স ” শীর্ষক প্রতিবেদন করা হয়, কিন্তু এই সংবাদটি ভিত্তিহীন দাবি করে বাংলালায়নের হালুম পেজে দেয়া প্রতিবাদলিপি হুবুহু তুলে ধরা হলো ।

২৯ আগস্ট, ২০১৩ দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত বাতিল হচ্ছে ওয়াইম্যাক্স অপারেটর বাংলালায়ন ও কিউবির লাইসেন্স শীর্ষক প্রতিবেদনটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ষড়যন্ত্রমূলক, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতবৈধ লাইসেন্সবিহীন একটি বিশেষ কোম্পানিকে নিয়ম বহির্ভূতভাবেলাইসেন্স প্রদানের পায়তারাস্বরূপ একটি স্বার্থান্মেষী মহল সরকার ওবিটিআরসির কিছু অসাধু চক্রের সহায়তায় বাংলাদেশের বৈধ লাইসেন্সধারী দুটিওয়াইম্যাক্স অপারেটরের বিরুদ্ধে এরূপ অপপ্রচারে নেমেছেএছাড়াও মহামান্যআদালত কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সরকারের উর্দ্ধ মহলেরমন্তব্য জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াবে বলে আমাদের বিশ্বাস

আমরাপ্রত্যেকেই অবগত রয়েছি যে, ২০০৮ সালের ১৮ই নভেম্বর একটি স্বচ্ছ ও উন্মুক্তনিলামের মাধ্যমে বাংলাদেশে ওয়াইম্যাক্স-এর লাইসেন্স প্রদান করা হয়এইনিলামে দেশ-বিদেশের অসংখ্য প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করলেও সর্বোচ্চ দরেরভিত্তিতে তিনটি এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান বিটিসিএল সহ মাত্র চারটিপ্রতিষ্ঠানকে ওয়াইম্যাক্স লাইসেন্সের জন্য মনোনীত করা হয়পরবর্তীকালেব্র্যাকনেট তাদের নিরাপত্তা জামানত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় বাংলালায়ন এবং অজের (কিউবি) প্রত্যেকে ২১৫ কোটি টাকা ফি প্রদান করে ওয়াইম্যাক্স লাইসেন্স গ্রহণকরে এবং সফলভাবে ওয়াইম্যাক্স সেবা প্রদান করে আসছেউল্লেখ্য ওলোনামকযে প্রতিষ্ঠানের স্বপক্ষে এ প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে, সে প্রতিষ্ঠানটিছদ্মনামে নিলামে অংশগ্রহণ করে ৫ম নিলামদাতা হলেও ব্র্যাকনেট ওয়াইম্যাক্সলাইসেন্স গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করার পর তাদের বিটিআরসি কর্তৃক ওয়াইম্যাক্সলাইসেন্স গ্রহণে প্রস্তাব করা সত্ত্বেও তারা ২১৫ কোটি টাকা প্রদান করেলাইসেন্স গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়তারা বৈধ পথে না গিয়ে এরপর অবৈধ পন্থায়ব্যবসা পরিচালনা করছে

ইতোমধ্যে ওয়াইম্যাক্স লাইসেন্সের শর্ত মোতাবেক, লাইসেন্সপ্রাপ্ত৪টি প্রতিষ্ঠানকে সারাদেশে ৪টি আঞ্চলিক বিভাগে ভাগ করে প্রতিটিপ্রতিষ্ঠানকে দেশের এক চতুর্থাংশ নেটওয়ার্ক বিস্তার করবে বলে নির্ধারণ করেদেয়া হয়পরবর্তী সময়ে বিটিসিএল এবং ব্র্যাকনেট সেবা কার্যক্রমে না আসায়বাংলালায়ন এবং কিউবি প্রত্যেককে দেশের অর্ধাংশে নেটওয়ার্ক বিস্তার করারজন্য বলা হয়সেই বিচারে, বাংলালায়ন দেশের সাতটি বিভাগীয় শহর ও ৩৪টি জেলায়নেটওয়ার্ক বিস্তারের মাধ্যমে ইতোমধ্যে লাইসেন্সের শর্ত সম্পূর্ণভাবে পূরণকরেছেশুধু তাই নয়, এ বছরের মধ্যেই বাংলালায়ন দেশের বাকি জেলাগুলোতেনেটওয়ার্ক বিস্তারের কার্যক্রম পরিচালনা করছেউল্লেখ্য যে, ওয়াইম্যাক্সসেবা কার্যক্রমের সফল বিস্তৃতি সম্পন্ন করার ফলে গত ১০ই অক্টোবর, ২০১০তারিখে বাংলালায়ন কর্তৃক আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশেরতৎকালীন রাষ্ট্রপ্রতি প্রয়াত মোঃ জিল্লুর রহমান মাননীয় তথ্যমন্ত্রী এবংমাননীয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলালায়নের নেটওয়ার্ক ওসেবা কার্যক্রমের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় সন্তুষ্টি ও ভূয়সী প্রশংসাকরেন এবং ডিজিটাল বাংলাদেশগড়ার ক্ষেত্রে বাংলালায়ন বিশেষ অবদান রাখছেবলে মন্তব্য করেনযা দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়

প্রতিবেদনটির একটি অংশে দুটি অপারেটর মিলে গ্রাহক সংখ্যা ৫ লাখ বলে উল্লেখকরা হয়েছে, কিন্তু বাস্তব চিত্র হচ্ছে গ্রাহক সংখ্যার বিচারে বাংলালায়ন ওকিউবি প্রায় ৭ (সাত) লক্ষ গ্রাহককে সেবা প্রদান করছেএই গ্রাহক সংখ্যাবৃদ্ধির কারণেই বাংলালায়ন গত অর্থ বছর পর্যন্ত বিটিআরসি কর্তৃক নির্ধারিতঅর্থ স্পেক্ট্রাম ফি বাবদ ২৯ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা, লাইসেন্স-এর শর্ত মোতাবেক৪% রেভিনিউ শেয়ারিং বাবদ ৮ কোটি ৯৪ লক্ষ টাকা এবং বাৎসরিক লাইসেন্স ফি বাবদ৯ কোটি টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দিয়েছেওয়াইম্যাক্স সেবাদানকারী অপরপ্রতিষ্ঠান কিউবিও প্রায় সমপরিমাণ অর্থ সরকারের কোষাগারে জমা দিয়েছে

এতদসত্ত্বেও দুরভিসন্ধিমূলকভাবে কিউবি ও বাংলালায়নের বিরুদ্ধে অপপ্রচার এ ধরনের সেবা কার্যক্রমে অন্যান্য আগ্রহী প্রতিষ্ঠানকে নিরুৎসাহিত করবে

এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, দ্রুত নেটওয়ার্ক বিস্তার ও গ্রাহকসংখ্যার বিচারে সারা বিশ্বে ওয়াইম্যাক্স অপারেটরগুলোর মধ্যে প্রথমযুক্তরাষ্ট্রের ক্লিয়ার অয়্যার, দ্বিতীয় জাপানের ইউ কিউ এবং তৃতীয় হচ্ছেবাংলালায়নবাংলালায়ন বিশ্বের ওয়াইম্যাক্স টেকনোলজিতে দৃষ্টান্ত স্থাপনকারীএকটি দেশীয় স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও একটি স্বার্থান্বেষী মহলপ্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যা দেশেরবিরুদ্ধেই অপপ্রচারের শামিল

যুগান্তর পত্রিকায় এরই মধ্যে এইখবরের প্রতিবাদ করে আমরা বিবৃতি পাঠিয়েছিআমরা গ্রাহকদের এই ধরনের মিথ্যা ওষড়যন্ত্রমূলক বানোয়াট খবর পড়ে বিভ্রান্ত না হতে আহবান জানাচ্ছি

সবাইকে ধন্যবাদ

5 মন্তব্য
  1. >>>" হামিদ খান "<<< বলেছেন

    পোস্টটি উপহার দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ

  2. নাঈম প্রধান বলেছেন

    শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

  3. Nafiz Ur Rahman বলেছেন

    JODI AI ROKHOM HOTOTAHOLE TO ONIK KHOTI HOTO

  4. Nafiz Ur Rahman বলেছেন

    THANKSSS FOR SHEARING……….

  5. লিটন হাফিজুর বলেছেন

    thanks for share

উত্তর দিন