নিজেই বানিয়ে ফেলুন “অল ইন ওয়ান” উইন্ডোজ ৭ ডিস্ক!!!!

12 142

অবিশ্বাস্য, কিন্তু সত্যি

এবার আপনার উইন্ডোজ ৭ ডিস্ক এর যে কোনও ভার্সন থেকে তৈরি করে ফেলুন অন্য যে কোনও ভার্সন।

 

দীর্ঘ অনুপস্থিতির জন্য প্রথমেই ক্ষমা চাইছি। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ একটি অভিনব ট্রিক শেয়ার করতে চলেছি, আশা করি কাজে লাগবে। এবার তবে সোজা কাজের কথায় আসি।

উইন্ডোজ ৭ এর ৫ টি ভার্সন আছেঃ ১) স্টার্টার, ২) হোম বেসিক, ৩) হোম প্রিমিয়াম, ৪) প্রোফেসনাল, ও ৫) আলটিমেট। আপনাকে এই ৫ টি ভার্সন সংগ্রহে রাখতে হলে ৫ টি ডিস্ক লাগার কথা, কিন্তু আর লাগবে না। 🙂    প্রকৃতপক্ষে এই ৫ টি ভার্সন এর ডিস্ক কিন্তু আলাদা নয়! পার্থক্য মাত্র ১ কেবি, অর্থাৎ মাত্র ১ কেবির একটি ফাইল- “ei.cfg”। এই ফাইল টি ডিস্ক টি কে বলে দেয় যে সে কোন ভার্সন ইন্সটল করবে। আমাদের যা করতে হবে তা হল, এই ফাইল কে মডিফাই করা বা মুছে ফেলা। এর জন্য নিম্নলখিত ধাপ গুলো অনুসরণ করুনঃ

১। আপনার উইন্ডোজ এর সেটআপ ডিস্ক-এর (জেনুইন হওয়া বাধ্যতা মূলক নয়) একটি iso ডিস্ক ইমেজ তৈরি করে নিন। এর জন্য iso তৈরির যে কোনো সফটওয়্যার ব্যাবহার করা যেতে পারে।

২। এর পর ওই iso ইমেজ কে 7-zip, WinZip, বা আপনার পছন্দের যে কোনও compression utility দিয়ে এক্সট্রাকট করুন।

৩।এক্সট্রাকট করার পর যে ফোল্ডার গুলো পাবেন তার মধ্যে sources নামক একটি ফোল্ডার থাকবে। এটার মধ্যে টুক করে ঢুকে পড়ুন।

৪।এখানেই আছে আমাদের কাঙ্ক্ষিত সেই “ei.cfg” নামক ফাইল। ব্যাটা কে খুঁজে বের করুন।

৫। এর পর ডিলিট করুন  ( এতে করে আপনি শেষে এমন একটি ডিস্ক পাবেন যাতে উইন্ডোজ ৭ এর সব ভার্সন একত্রে উপস্থিত থাকবে) বা মডিফাই করুন ( এতে করে আপনি উইন্ডোজ ৭ এর যে কোনও একটি ভার্সন পাওয়া যাবে)।

৫.১। যদি মডিফাই করতে চান, তো ওটা কে notepad দিয়ে ওপেন করুন। এতে আপনি একটি তালিকা পাবেন, যাতে উল্লেখ করা থাকবে ডিস্ক টি কোন ভার্সন লোড করবে। এটা সম্পাদনা করে আপনার পছন্দের ভার্সন লিখে save করুন। [লক্ষ রাখতে হবে দু অক্ষরের শব্দ হলে যাতে মাঝে কোনও ফাঁক না থাকে, অর্থাৎঃ হোম বেসিক লিখতে হবে এভাবেঃ HomeBasic]

৬। এবার প্রাপ্ত ফাইল গুলো কে আবার iso তে প্যাক করে ডিস্ক ইমেজ হিসাবে বার্ন করুন।

ব্যাস, কাজ শেষ। কিন্তু যদি আপনি একটু আরাম প্রিয় প্রকৃতির হন, অর্থাৎ এত ঝক্কি আপনার সামলানো সম্ভব না হয় তবে একটা পুচকু সফটওয়্যার  ব্যাবহার করতে পারেন যার নাম eicfg_removal, (মাত্র ৫ কেবি আয়তন)। ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। বাস্তবে এটি ওই ফাইল কে  ফাইল কে ডিসেবল করে দেয়, অর্থাৎ ডিস্ক কে এমন অবস্থায় আনে যাতে সে এমন আচরণ করে যেনো, ওই ফাইল টি অনুপুস্থিত। এই ভাবে ডিসেবল করা ডিস্ক ইমেজ এর ওপর সফট টি আবার ব্যাবহার করলে সেটি ওই ফাইল কে আবার এনএবল করে দেবে।  এটা ব্যাবহার করতে হলে ডাউনলোড করে এক্সট্রাকট করুন। exe ফাইল টি খুলে iso ধরিয়ে দিন। বাকি কাজ সফটওয়্যার এর। কিন্তু এই পদ্ধতির একটা অসুবিধা আছেঃ যে ডিস্ক থেকে iso বানাবেন, তার ফরম্যাট অবশ্যই UDF হতে হবে।

 

সমগ্র পদ্ধতির অসুবিধাঃ ক) যদি আপনার প্রাথমিক ডিস্ক ৩২ বিট এর হয়, তবে এ থেকে উৎপন্ন বাকি ভার্সন গুলি কেবল ৩২ বিট সম্পন্নই হবে। একই কথা ৬৪ বিটেও প্রযোজ্য। খ) উৎপন্ন ডিস্ক যে বুটেবল হবেই, এমন বলা যায় না।

সুবিধাঃ ক) আপনার কাছে ৫ টা ডিস্কের বদলে ১ টা থাকলেই যথেষ্টও (যদিও Microsoft –এর পক্ষে এটা মোটেও ভাল নয়)। খ)১১.৫ জিবির কাজ ২.৩২ তেই শেষ।

 

 

যাই হোক, সবাই সুস্থ থাকুন, ভাল থাকুন এই কামনা করি। আশা করি খুব শীঘ্রই আবার দেখা হবে। আজ এ টুকুই, টা-টা। 🙂

12 মন্তব্য
  1. লিটন হাফিজুর বলেছেন

    নাইস পোসট।

  2. নাঈম প্রধান বলেছেন

    ভাল একটি পোস্ট । শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

  3. মো: নাসির উদ্দিন বলেছেন

    নাইস। খুব ভাল পোস্ট। ধন্যবাদ আপনাকে।

  4. B Islam বলেছেন

    চমৎকার পোস্ট ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য …।

  5. sabuj4u বলেছেন

    আপনাকে আবার ফিরে পেয়ে খুব ভাল লাগছে । আশা করি নিয়মিত আপনার আরও অনেক লিখা পড়তে পারব । তাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ।

  6. দিপু রায়হান বলেছেন

    ata amar kache ache jai hok shear korar jonno dhonobad.

  7. Rakibur Rashied Riyad বলেছেন

    উৎপন্ন ডিস্ক bootable হবে।আমি এটা sure কারণ ১ বৎসর আগে এই পন্থা অবলম্বন করে HomeBesic বানিয়েছিলাম ।আমি যাদের ওই HomeBesic কপি করে ডিস্ক বানিয়ে দিয়েছিলাম তাদের সবগুলোই bootable হয়েছে।তাই নো প্রবলেম ।

  8. জাকির হোসেন বলেছেন

    অতি সুন্দর।

    1. চিরন্তন মিত্র বলেছেন

      dhonnobad

    2. Rakibur Rashied Riyad বলেছেন

      ভাই আপনার TUNE কই ?

  9. raihangfn বলেছেন

    Fine post brother. Thanks a lot

    1. চিরন্তন মিত্র বলেছেন

      Wealcome bro 🙂

উত্তর দিন