উইন্ডোজ ৮ নিয়ে হট টিউনস এবং উইন্ডোজ ৮ সম্পর্কে জেনে নিই A টু Z ! (রিকোয়েস্টেড পোস্ট)

26 121

সবাইকে আবারও প্রীতি ও স্বাগতম জানিয়ে আজকের টিউন শুরু করছি। আশা করি পরিবারের সবাইকে নিয়ে খুবই ভাল আছেন। অআজকের টিউনসটি করব পিসি বিষয়ক তথা উইন্ডোজ বিষয়ে। অবশ্য উপরের শিরোনাম দেখে হয়ত অনেকেই বুঝতে পারছেন আমি উইন্ডোজের কোন সংস্করন সম্পর্কে বলতে চাচ্ছি। হ্যা আজকের এই টিউনসে আপনাদেরকে উইন্ডোজ ৮ এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিব। এখানে প্রথম অংশে এর আলোচনা থাকছে এবং পরবর্তী অংশে খাকছে এর ব্যবহার কলাকৌশলসহ নানাবিধ তথ্য। আসলে পূর্ব থেকেই একটি পরিকল্পনা ছিল পিসি হেল্প লাইনের সম্মানীত ভিজিটরদের উইন্ডোজ ৮ নিয়ে একটি পোস্ট করব।

কিন্তু নানাবিধ ব্যস্ততার কারনে এতদিনে এই বিষয়ে (উইন্ডোজ ৮) নিয়ে পোস্ট করতে পারেনি। হয়ত এই ব্লগ সাইট অন্য কোন লেখক পোস্ট করেছেন। সেখান হতে অনেকেই হয়ত সম্যক ধারনা পেয়েছেন কিংবা বিভিন্ন সাইট হতে টপিকস জানতে পেরেছেন। অপরিদিকে বেশকিছু পূর্বে আমাদের বন্ধু সদস্যদের ফেসবুকে অনেকেই অনুরোধ করেছিলেন উইন্ডোজ ৮ নিয়ে একটি পোস্ট করার জন্য এবং গতকালকের প্রকাশিত পোস্টে একজন ভিজিটরও অনুরোধ করেছিলেন এই সম্পর্কে কিছু বলার।

 সম্মানীত ভিজিটরেরা ধৈর্য্য সহকারে কিছুটা সময় ব্যয় হলেও আজকের এই পোস্টটি পড়বেন।

সেই কবে থেকে আমরা পূরাতন উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহার করছি। উইন্ডোজ এক্সপির পরে উইন্ডোজের দুটি ভার্সন বাজারে রিলিজ করা হয়েছিল তথা- উইন্ডোজ ভিসতা ও উইন্ডোজ ৭। কিন্তু উইন্ডোজ ভিসতা বাজারে ততটা প্রভাব বা জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারেনি। তবে উইন্ডোজ ৭ ভার্সন ভিসতা থেকে বেশকিছুটা এগিয়ে ছিল। কিন্তু এক্সপির তুলনাতে ধারের কাছেও ছিলনা। কেননা, সারা পৃথিবীতে উইন্ডোজ ব্যবহারকারীর প্রায় ৬৫% বেশী এক্সপি ব্যবহারকারী। মূলত সহজ ব্যবহার ও সহজ এন্টারফেসের কারনে গ্রাহকদের দৃষ্টি পড়েছিল। মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষ উইন্ডোজ ৭ বিক্রি করে বেশ মুনাফা করেছিল এবং তাদের পরবর্তী টার্গেট ছিল উইন্ডোজ ৮ কে নিয়ে । অবশ্য উইন্ডোজ৮ বাজারে সর্বশেষ রিলিজ করার পূর্বে ব্যাপক প্রচারনা ও ডেমো ব্যবহারের সুযোগ দেয়া হয়েছিল।

সেই সূত্র হিসাবে অবশেষে বহুল প্রতীক্ষিত উইন্ডোজ ৮-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন মাইক্রোসফটের স্টিভেন সিনোফস্কি। তার মতে, এটি হচ্ছে এ যাবৎকালের সেরা উইন্ডোজ। তবে একই অনুষ্ঠানে মাইক্রোসফটের নির্বাহীরা এও প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন যে, উইন্ডোজ ৭ থেকে ততোটা ব্যতিক্রম নয় উইন্ডোজ ৮। এমনকি এই সংস্করণের জন্য আলাদা কোনো দামও প্রকাশ করা হয়নি।

উদ্বোধনের পর মধ্যরাত থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন দোকান, মাইক্রোসফটের হার্ডওয়্যার পার্টনার, মাইক্রোসফট স্টোর থেকে কেনা যাবে উইন্ডোজ ৮। তবে ব্যবহারকারীরা নতুন এই উইন্ডোজে দু’টি উপায়ে যেতে পারবেন। তারা তাদের বর্তমান উইন্ডোজ ৭ কম্পিউটার থেকে উইন্ডোজ ৮ সংস্করণে আপগ্রেড করতে পারবেন অথবা উইন্ডোজ ৮ প্রিইন্সটলড কোনো পিসি কিনতে পারবেন।

পাশাপাশি উইন্ডোজ আরটি সংস্করণ চালিত টাচস্ক্রিন ট্যাবলেট ডিভাইসও মাত্র ৪৯৯ ডলারে পাওয়া যাবে, যাকে “কম দাম” বলে মন্তব্য করেছেন মাইক্রোসফটের নির্বাহী কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠান শুরুর আগে বরাবরের মতোই মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ৭-এর সফলতা তুলে ধরে। মাইক্রোসফট জানায়, ৬৭০ মিলিয়নেরও বেশি লাইসেন্স বিক্রি করা হয়েছে উইন্ডোজ ৭-এর যা একে সবচেয়ে বেশি আকারে ছড়ানো অপারেটিং সিস্টেম করে তুলেছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও অত্যন্ত দ্রুত উইন্ডোজ ৭ ব্যবহার করা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে মাইক্রোসফট। এছাড়াও এটি উইন্ডোজের সেরা সংস্করণ হিসেবেও প্রশংসা পেয়েছে বারবার।

মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী স্টিভ বলমার বললেন, এই পুরো অভিজ্ঞতাকেই আবার ঢেলে সাজানো হয়েছে। তৈরি করা হয়েছে সেরা উইন্ডোজ ৭-এর চেয়েও সেরা সংস্করণ, উইন্ডোজ ৮।

এর আগেরবার যখন মাইক্রোসফট তাদের অপারেটিং সিস্টেমকে ঢেলে সাজিয়েছিল, সেটা ছিল উইন্ডোজ ভিসতা যা মাইক্রোসফটকে বেশ বিড়ম্বনার মুখে ফেলে দিয়েছিল। তবে মাইক্রোসফট দ্রুতই ত্রুটিগুলো দূর করে উইন্ডোজ ৭ বের করে যা বেশ প্রশংসা কুড়াতে সক্ষম হয়। উইন্ডোজ ৮ নিয়ে ব্যবহারকারীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও হার্ডওয়্যার নির্মাতাই বলেছেন, এটি উইন্ডোজের ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ সংস্করণও হতে পারে। তবে মাইক্রোসফটের দাবি, উইন্ডোজ ৭ চালিত কম্পিউটারে উইন্ডোজ ৮ ইন্সটল করলে ব্যবহারকারী সঙ্গে সঙ্গেই ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়াতে পারবেন ১৩% এবং মেমোরির ব্যবহার কমাতে পারবেন ২২%। সব মিলিয়ে মোট ৪৫% দ্রুতগতির হয়ে যাবে উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা। মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ প্ল্যানিং, হার্ডওয়্যার অ্যান্ড পিসি ইকোসিস্টেমের কর্পোরেট ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক অ্যাঙ্গিউলো তেমনটাই দাবি করেছেন।

মাইক্রোসফটের কর্মকর্তারা আরো বলেছেন, উইন্ডোজ ৭ থেকে উইন্ডোজ ৮ ততোটা ব্যতিক্রম নয়। উইন্ডোজ ৮-এ হয়তো স্টার্ট বাটন নেই, কিন্তু বাম দিকে নিচে লুকায়িত একটি বাটন রয়েছে যেটি ঠিক স্টার্ট বাটনের কাজ করবে। তবে যতোই এক রকম হোক না কেন, দৃশ্যত অনেক পরিবর্তন এসেছে উইন্ডোজ ৮-এ। মাইক্রোসফট নিজেই বলছে একে ঢেলে সাজানো হয়েছে, আবার তারাই বলছে এটা ততোটা ব্যতিক্রম আবার নয়। তাই এখন অপেক্ষা ব্যবহারকারীদের হাতে আসার। এবার ব্যবহারকারীরাই বলবেন আসলে কেমন হয়েছে মাইক্রোসফটের নতুন এই অপারেটিং সিস্টেমের সংস্করণটি।

পিসি বিশেষজ্ঞদের অনেকে মনে করেন অ্যাপল ও গুগলের কাছে হারানো বাজার ও সুনাম পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নিয়ে শীর্ষ সফটওয়্যার নির্মাতা মাইক্রোসফট করপোরেশন নিয়ে এসেছে এই অপারেটিং সিস্টেম। সেই সঙ্গে অ্যাপলের জনপ্রিয় ট্যাবলেট কম্পিউটার আইপ্যাডের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে একই দিনে উইন্ডোজ ৮-এ চলা ট্যাবলেট কম্পিউটার ‘সারফেস ট্যাব’ বাজারে ছেড়েছে
চমকে দেওয়ার মতো বৈশিষ্ট্যের নতুন এই উইন্ডোজের জন্য প্রযুক্তিপ্রেমীরা অনেক দিন ধরেই অপেক্ষায় ছিলেন। বিশেষ করে ক্লাউড কম্পিউটিং প্রযুক্তিভিত্তিক এই অপারেটিং সিস্টেমে অ্যাপ্লিকেশনস বা প্রোগ্রাম তৈরির জন্য নানা সুবিধা থাকায় ইতিমধ্যে প্রোগ্রামার বা ডেভেলপারদেরও বেশ বাহবা কুড়িয়েছে মাইক্রোসফট। তাই উদ্বোধনের পর প্রথম চার দিনেই প্রায় ৪০ লাখ ব্যবহারকারী তাঁদের কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ৮-এ হালনাগাদ করেছেন। মাইক্রোসফটের মতে, বিক্রি শুরু হওয়ার পর উইন্ডোজ ৮-এর চাহিদা ছাড়িয়ে গেছে ২০০৯ সালে বাজারে আসা উইন্ডোজ ৭-কে। উইন্ডোজ ৮-এরই আবার চারটি সংস্করণ ছেড়েছে মাইক্রোসফট। এর মধ্যে ‘নরমাল উইন্ডোজ ৮’ থাকছে সাধারণ কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ডেভেলপার ও প্রযুক্তিমনস্ক মানুষের জন্য থাকছে ‘উইন্ডোজ ৮ প্রো’। অন্যদিকে, ‘উইন্ডোজ ৮ আরটি’ ট্যাবলেট কম্পিউটারে চালানোর উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে। তবে এআরএম চিপের জন্য তৈরি
এই উইন্ডোজের সংস্করণ আলাদা করে কেনা যাবে না।নির্দিষ্ট ট্যাবলেটেই জুড়ে দেওয়া থাকবে উইন্ডোজ ৮ আরটি। এই তিনটি ছাড়া আরও বড় কাজের জন্য রয়েছে ‘উইন্ডোজ ৮ এন্টারপ্রাইজ’ সংস্করণ। এতে উইন্ডোজ ৮ প্রো-এর সব সুবিধার পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবীদের জন্য বাড়তি কিছু সুবিধা যোগ করা হয়েছে।
মাইক্রোসফট নিজ পরিকল্পনায় বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে সারফেস ট্যাবকে বাজারে এনেছে। সারফেস মাইক্রোসফটকে ট্যাবলেটের বাজারে অনেকটা এগিয়ে নেবে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।

এটি আইপ্যাড ও আন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম-চালিত ট্যাবলেটের চেয়েও ভালো বলে অনেকে রায় দিয়েছেন। কারণ, উইন্ডোজ ৮ একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ অপারেটিং সিস্টেম। এ ট্যাবের বৈশিষ্ট্য বর্তমানের বেশির ভাগ উচ্চমানের ট্যাবলেটের মতোই। ৯৩ মিলিমিটার পুরু ও ১৫ পাউন্ড ওজনের ট্যাবটিতে কিছু নতুনত্বও আনা হয়েছে। আলট্রা ওয়াইড ভিউয়িং অ্যাঙ্গেল, অটো অ্যাডজাস্টিং স্ক্রিন- সুবিধাসহ এতে রয়েছে ১০ দশমিক ৬ ইঞ্চি টাচস্ক্রিন পর্দা। কাজের সুবিধার জন্য রয়েছে তিন মিলিমিটার পাতলা কি-বোর্ড, যা ম্যাগনেটিক স্ট্যান্ডের মাধ্যমেই ট্যাবলেটের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়। সারফেসে গান শোনা বা ছবি দেখা কিংবা দাপ্তরিক কাজের ছবি দেখার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে হাই ডেফিনেশন ডিসপ্লে প্রযুক্তি। পেছনের স্ট্যান্ডের মাধ্যমে চাইলে ছবির ফ্রেমের মতো দাঁড় করানো যাবে এটিকে। আর ব্যাটারির স্থায়িত্বকালও হবে বর্তমান ট্যাবলেটগুলোর থেকে অনেক বেশি। ৩২ গিগাবাইট তথ্য ধারণক্ষমতা ও টাচ কভার ব্যতীত প্রারম্ভিক সংস্করণের মূল্য ৪৯৯ ডলার হিসেবে ধার্য করা হয়েছে। টাচ কভারসহ একই মডেলের মূল্য ৫৯৯ ডলার এবং টাচ কভারসহ ৬৪ গিগাবাইটের মূল্য ৬৯৯ ডলার।
২৫ অক্টোবর মধ্যরাত থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন দোকান, মাইক্রোসফটের হার্ডওয়ার পার্টনার মাইক্রোসফট স্টোর থেকে কেনা যাচ্ছে উইন্ডোজ ৮। ব্যবহারকারীরা নতুন এই উইন্ডোজে অনলাইনের মাধ্যমে হালনাগাদ করতে পারবেন। এতে প্রায় ৪০ ডলার গুনতে হবে। পুরো সংস্করণটি ডিভিডি প্যাকেও পাওয়া যাবে মাইক্রোসফটের খুচরা বিক্রয় কেন্দ্রে। আবার উইন্ডোজ ৮ ইনস্টল করা পারসোনাল কম্পিউটার বা ট্যাবলেটও কেনা যাবে।

অবশ্য এই কথাও নিশ্চিত যে, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের ন্যায় উইন্ডোজ ৮ এর ও’ আমাদের দেশে পাইরেটেড বা ক্রাক সিডি বাজারে ছেয়ে যাবে। হয়ত এর মধ্য অনেকে ব্যবহারও করছেন। মূলত  উইন্ডোজ ৮ এর বিভিন্ন সংস্করনের মূল্য হিসাবে পড়বে বাংলাদেশী টাকাতে প্রায় ৮,৫০০- ২০,৫০০/- টাকার মধ্য। যেমন উইন্ডোজ এক্সপির অরজিনাল সিডির মূল্য ছিল সর্বশেষ প্রায় ৩,৫০০/- মত। সেই হিসাবে হয়ত অনেকেই ক্রাক হিসাবে বাজারের ৬০/- দিয়ে একটি উইন্ডোজ ৮ ভার্সন ব্যবহার করবে।

বেশ কিছু পরেই হয়ত উইন্ডোজ ৮ সম্পর্কে ব্যবহারকরীদের নিকট হতে  জোরালো মন্তব্য পাওয়া যাবে সেটি ভাল নাকি মন্দ। তবে আশা করা যায় ইতিবাচক দিক পাওয়া যাবে। অপরদিকে নেতিবাচক যদি দিক হয় তাহলেও মাইক্রোসফটের অসুবিধা থাকছেনা। কেননা, ২০১২ এর পর হতে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ এক্সিপর সম্পূর্ণ সেবা বন্ধ করে দিবে। পরবর্তী যে হার্ডওয়্যারগুলো রিলিজ হবে তা এক্সপি সার্পোটেড হবে না। সবই উইন্ডোজ ৭ ও উইন্ডোজ ৮ ব্যবহার করতে হবে। যেমন বর্তমানে সকল ল্যাপটপে ঠেলেও এক্সপি দিয়ে অপারেট করা যায় না ঠিক অনুরুপভাবে পরবর্তী সকল পিসিতে এক্সপি দ্বারা অপারেট করা যাবেনা। তাই মাইক্রোসফট উক্ত কৌশল বেছে নিয়ে কিছুটা খোশ মেজাজে থাকছে।

তাই পরামর্শ হিসাবে আমাদের সবার অভিমত হল এখন থেকেই উইন্ডোজ ৭ ও উইন্ডোজ ৮ এর উপর পারদর্শী হতে হবে।

উইন্ডোজ ৮ রিলিজ সম্পর্কে বেশ কিছু কথা বলা হল। এবার জেনে নিই এটি অপারেট করতে কোন কনফিগারেশনের দরকার!

উইন্ডোজ ৮ চালাতে যা যা দরকার

  • CPU: 1 GHz or higher on x64
  • RAM: 1 GB or higher
  • HDD: 15 GB
  • VIDEO: DirectX 9 graphics and 128 MB of memory (for the theme Aero)

কিভাবে উইন্ডোজ ৮ অপারেট করবেন?

প্রথমদিকে উইন্ডোজ ৮ অপারেট করতে গিয়ে ভিমরীতে পড়তে পারেন মূলত নতুন অসাধারন ইন্টারফেসের কারনে।
অবশ্য কয়েকদিন নিজে অপারেট করলে বেশ কিছু বিষয় আয়ত্তে এসে যাবে। এই ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিষয় সম্পর্কে নিজে নোটবুকে টুকতে পারেন। 
আজকের এই পোস্টে যদি উইন্ডোজ ৮ অপারেট করা বিষয় নিয়ে লিখতে যাই তবুও পোস্টটি শেষ করা যাবেনা। 
তবে এই বিষয়টি নিয়ে ধাপে ধাপে পোস্ট করলে শেষ করা যাবে। 
আশা করছি পরবর্তীতে উইন্ডোজ ৮ এর অপারেট বিষয় নিয়ে বেশ কিছু পর্ব নিয়ে আলোচনা করব। তবুও সম্মানীত ভিজিটরদিগকে নিরাশ করব। 
যারা উইন্ডোজ ৮ নিয়ে এক্ষুনি ব্যবহারের নিয়ম কানুন জানতে চান তাদেরকে একটি সাইট লিংক দিব । 
সেখান হতে উইন্ডোজ ৮ এর একটি ইবুক ডাউনলোড করে নিন। অআশা করি ইবুক পাঠ করে অনেক বিষয়ে জানতে পারবেন।
ইবুক টির নাম হল Windows 8 For Dummies। বইটি প্রকাশ করেছে ডেল। বইটি প্রায় ১২ এমবি। 
এর মত  বইটি তে যা আলোচনা করা হয়েছে তা হল

 ১)নতুন স্টার্ট স্ক্রীন।

 ২)উইন্ডোজ ৮ এ নতুন কি কি আছে।
 ৩)ডেস্কটপ।
 ৪)ইন্টারনাল এবং এক্সটারনাল সংরক্ষণ।
 ৫)বিভিন্ন অ্যাপ ইউস করা।
 ৬)বিভিন্ন সামাজিক অ্যাপ ব্যবহার।
 ৭)দশ টি  উইন্ডোজ ৮ এর খারাপ দিক এবং কিভাবে তা ঠিক করবেন।
 আরও অনেক কিছু।
 বইটি ডাউনলোড করতে ভিসিত করুন https://marketing.dell.com/windows-8-ebook
এই সাইট এ গিয়ে ফরম টি পুরন করলেই ইবুক টি ডাউনলোড করতে পারবেন।

উইন্ডোজ ৮ এর নতুন এবং মজার ৮টি ফিচার সম্পর্কে জানি-

সম্প্রতি উইন্ডোজ ৮ ডাউনলোডের জন্য উন্মুক্ত করেছে মাইক্রোসফট। পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া উইন্ডোজ ৮ সংস্করণের বিভিন্ন বিষয়ে ব্যবহারকারীদের মতামত নিয়েই চূড়ান্ত সংস্করণটি বাজারে আনবে মাইক্রোসফট। আসুন দেখি কী আছে উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেমটিতে?

ফাস্ট বুটআপ
উইন্ডোজ বুটআপ করতে দীর্ঘ সময় লাগার কারণে মাইক্রোসফটকে শুনতে হয়েছে নানা সমালোচনা কারন বর্তমান এই প্রযুক্তির যুগে সব কিছুই হচ্ছে দ্রুতগতির তাই অপারেটিং সিস্টেম যদি দ্রুতগতির না হয় তবে কি চলে? উইন্ডোজ ৮ সংস্করণের মাধ্যমে সমালোচনার পালা শেষ হতে চলল। কেননা এবার মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই বুটআপ হবে উইন্ডোজ ৮। উইন্ডোজ ৮ বুটআপ হতে মাত্র ৮ সেকেন্ডে সময় লাগবে।

লকস্ক্রিন নোটিফিকেশন
লকস্ক্রিন নোটিফিকেশন নামে নতুন একটি সুবিধা যুক্ত হল এই সংস্করণে । উইন্ডোজ ৮ এর স্ক্রিন লকড থাকা অবস্থায়ই যাবতীয় মেসেজ-সংক্রান্ত নোটিফিকেশন আপনি আপনার স্ক্রিনে দেখতে পারবেন।

নতুন টাস্ক ম্যানেজার
উইন্ডোজে সর্বাধিক ব্যবহার হওয়া ইউটিলিটিগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে টাস্ক ম্যানেজার। উইন্ডোজ ৮-এ যুক্ত হয়েছে নতুন রূপের টাস্ক ম্যানেজার ।

টাচস্ক্রিন পাসওয়ার্ড
উইন্ডোজ ৮ তৈরি করা হচ্ছে একই সঙ্গে কম্পিউটার এবং ট্যাবলেট ডিভাইসগুলো ব্যবহারোপযোগী করে। আর তাই এর টাচস্ক্রিন সুবিধার জন্য আনা হয়েছে বেশ কিছু নতুনত্ব। টাচস্ক্রিনে আপনি আপনার পছন্দের ছবির মাধ্যমে পাসওয়ার্ড দিতে পারবেন।

সিস্টেম রিফ্রেশ
উইন্ডোজ ৮-এ আসছে সিস্টেম রিফ্রেশ নামের নতুন এক সুবিধা যা আপনার কম্পিউটারকে ঠিক আগের জায়গায় রেখেই উইন্ডোজকে (সফটওয়্যার) রিফ্রেশ করে তুলবে, যাতে কাজের গতি আবার ফিরে পাওয়া যায়।

বুড়ো আঙুলে টাইপ
বিভিন্ন ট্যাবলেট ডিভাইসে টাইপ করার সময় কোয়ের্টি কিবোর্ডে আপনার দুই হাত ট্যাবলেটের দুই প্রান্তে ধরা থাকবে এবং আপনি যাতে সহজে আপনার বুড়ো আঙুল ব্যবহার করে টাইপ করতে পারেন তাই উইন্ডোজ এইটে এই সুবিধা যুক্ত হয়েছে।

শেয়ার চার্ম
মাইক্রোসফট বরাবরই ইন্টারঅ্যাকটিভিটি বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। আর তাই ‘শেয়ার চার্ম’ নামের নতুন এ সাইডবারটি যোগ করা হচ্ছে উইন্ডোজ এইটে, যার মাধ্যমে আপনি মুহূর্তের মধ্যেই যা দেখছেন বা পড়ছেন তা শেয়ার করতে পারবেন যে কারো সঙ্গে।

র‌্যাম?
উইন্ডোজ এইটে স্বভাবতই উইন্ডোজ সেভেনের চেয়েও কম র‌্যাম প্রয়োজন হবে। উইন্ডোজ এইট চালাতে মাত্র ২৮১ মেগাবাইট র‌্যাম প্রয়োজন হবে।

উইন্ডোজ ৮ ল্যাপটপ ও পিসিতে চলবে Google Androet Application

এএমডি চিপ ব্যবহার করে তৈরি উইন্ডোজ ৮ ল্যাপটপ এবং পিসিতে চলবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন। এএমডির অ্যাপজোন প্লেয়ারের মাধ্যমে ডাউনলোড করে নেয়া যাবে পাঁচ লাখেরও বেশি অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়্যার। অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনগুলো উইন্ডোজ ৮ ডিভাইসে ব্যবহারের উপযোগী করতে একসঙ্গে কাজ করছে এএমডি এবং সফটওয়্যার ফার্ম ব্লুস্ট্যাকস।
উইন্ডোজ ৮ মূলত ট্যাবলেট পিসির পোর্টেবল ডিভাইসগুলোর জন্য তৈরি হলেও নতুন অপারেটিং সিস্টেমটির জন্য মাইক্রোসফটের তৈরি অ্যাপ্লিকেশনের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। উইন্ডোজ ৮-এর জন্য মাত্র ২০০০ অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ স্টোরে। অ্যাপ্লিকেশন সংকট মোকাবেলা করতেই নিজেদের উইন্ডোজ ৮ ডিভাইসগুলো অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের উপযোগী করছে এএমডি।
অ্যাপজোন প্লেয়ার ব্যবহার করে পিসি, ল্যাপটপ এবং স্মার্টফোনের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনগুলো সিনক্রোনাইজ করেও নিতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

এএমডি চিপ ব্যবহার করে তৈরি উইন্ডোজ ৮ ল্যাপটপ এবং পিসিতে চলবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন। এএমডির অ্যাপজোন প্লেয়ারের মাধ্যমে উইন্ডোজ ৮ ডিভাইসে ডাউনলোড করে নেয়া যাবে পাঁচ লাখেরও বেশি অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়্যার। খবর বিবিসির।

অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনগুলো উইন্ডোজ ৮ ডিভাইসে ব্যবহারের উপযোগী করতে একসঙ্গে কাজ করছে এএমডি এবং সফটওয়্যার ফার্ম ব্লুস্ট্যাকস।

উইন্ডোজ ৮ মূলত ট্যাবলেট পিসির পোর্টেবল ডিভাইসগুলোর জন্য তৈরি হলেও নতুন অপারেটিং সিস্টেমটির জন্য মাইক্রোসফটের তৈরি অ্যাপ্লিকেশনের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। উইন্ডোজ ৮-এর জন্য মাত্র ২০০০ অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ স্টোরে।

অ্যাপ্লিকেশন সংকট মোকাবেলা করতেই নিজেদের উইন্ডোজ ৮ ডিভাইসগুলো অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের উপযোগী করছে এএমডি।

উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেমের ডিভাইসগুলো অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ব্যবহারের উপযোগী করতে নিজেদের প্রসেসর এবং গ্রাফিক্স কার্ডে পরিবর্তন এনেছে এমডি। এএমডির উইন্ডোজ ৮ ডিভাইসগুলো আগে থেকেই ইনস্টল করা থাকবে অ্যাপজোন প্লেয়ার। এর ফলে ফ্রুট নিনজা এবং ফ্লিপবোর্ডের মতো নিজের স্মার্টফোনের পরিচিত অ্যাপ্লিকেশনগুলো নতুন উইন্ডোজ ৮ ডিভাইসে চালাতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

অ্যাপজোন প্লেয়ার ব্যবহার করে পিসি, ল্যাপটপ এবং স্মার্টফোনের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনগুলো সিনক্রোনাইজ করেও নিতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

সর্বশেষ মন্তব্য-

বর্তমানে প্রেক্ষাপট যেরকমই হোক, ভবিষ্যতে টাচ বেজড ইন্টারফেসই সব জায়গায় প্রধান হয়ে উঠবে। সব মিলিয়ে মাইক্রোসফট চেস্টা করেছে সর্বচ্চ ভাবে উইন্ডোজ কে রিইমাজিন্ড করতে। আমার মনে হয় তারা পুরোপুরি না হলেও অনেকটাই সফল। তারা যদি উইন্ডোজ ৮ এ ব্যর্থ ও হয় তবে মনে রাখবেন আসছে উইন্ডোজ ৯ শীঘ্রই! কারণ কথায় আছেনা এক একটি ভিস্তার পরে আসে এক ৭! ততদিনে উইন্ডোজ ৮ ও সবার কাছে পরিচিত হয়ে উঠবে। Latest is Greatest এই কথা অনুযায়ী আমি আপনাদের উইন্ডোজের ভবিষ্যৎ কে পরখ করার আমান্ত্রন জানিয়ে শেষ করছি।তবে যেহেতু পোস্টের সূচনা লগ্নে বলেছি উইন্ডোজ এক্সপি ২০১২ এর পর সার্পোট করবেনা সেই হিসাবে উইন্ডোজ ৭ ও৮ ব্যবহার এবং শেখাটাই কার্যকর বলে মনে করি। এই পোস্টের মাধ্যমে সম্মানীত ভিজিটরগণ কিছুটা হলেও উইন্ডোজ ৮ সম্পর্কে সম্যক ধারনা এবং ব্যবহারের অনুপ্রেরনা পাবেন। এই পোস্টে আরো কিছু সংযোজনের ইচ্ছা ছিল, কিন্তু সময়ের স্বল্পতা ও ব্যস্ততার কারনে সম্ভব হলনা। তবে পরবর্তী সময়ে পরবর্তী পোস্টে উইন্ডোজ ৮ বিষয়ে আরো কিছু লেখবার ইচ্ছা রইল।

পোস্টটি এডিটকরন কিংবা বানানজনিত ভূল থাকলে তাহা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহবান করছি। পোস্টটি পড়ে কারও যদি সামান্যতম উপকারে আসে তা হলে আমাদের পরিশ্রম কিছুটা হলেও স্বার্থক বলে মনে করব। অবশ্য এই পোস্ট/টিউনসটি অলংকরন ও মুদ্রন করতে নিজেদের মেধার পাশাপাশি বিভিন্ন সাইট যেমন- মাইক্রোসফট সাইট, প্রথম আলো ব্লগ, উইকিপিডিয়া ও নেটের সাহায্য নেয়া হয়েছে। তাহলে আজ এই পর্যন্তই। সবাই ভাল থাকুন!! পরবর্তী পোস্টের আমন্ত্রণে “শুভ রাত্রি “

=================================

 

26 মন্তব্য
  1. Nafiz Ur Rahman বলেছেন

    thanks

  2. নাঈম প্রধান বলেছেন

    ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।

  3. sabuj4u বলেছেন

    আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ একটি মূল্যবান পোষ্ট শেয়ার করার জন্য ।
    আশা করি আগামীতে আরও ভাল কিছু আমাদের উপহার দিবেন । ধন্যবাদ আপনাকে ।

  4. B Islam বলেছেন

    বাহ চমৎকার ! অসাধারণ একটা পোস্ট ! আর কিছু বলার নাই !

  5. susanto karmokar বলেছেন

    Very nice. Thanks for share this post…..

  6. রাজীব বলেছেন

    Thank u

  7. Turjo, Bangladesh. বলেছেন

    আহ্, আপনি দেখছি বিষয়টিকে অন্যভাবে দেখছেন। আমি কিন্তু সেরকম কিছু মীন করে লিখিনি।
    এই তো আপনার এই লেখাটিতেই কিছু বিশেষ অংশ ফন্ট ভেঙ্গে যাওয়ায় আমি ঠিকমতো পড়তে পারিনি। এখানে আমি মন্তব্য করতে পারতাম যে আপনার লেখাটির ঐ অংশগুলো ডিফল্ট ফরম্যাটে সংশোধন করে দিলে ভালো হয়।
    কিন্তু সমস্যাটি আমায় suffer করছে বলে মনে হয়েছে। হয়তো অন্য ইউজারদের ক্ষেত্রে কোন সমস্যা হচ্ছেনা। যদি হয় তবে অবশ্যই মন্তব্যের মাধ্যমে সেটি জানানোর প্রয়োজন আছে বলে মনেকরি। অন্যথায় এমন সমস্যার কোন সমাধান পাওয়া সম্ভব নয়। এখন জানানোর বিষয়টি ব্যাক্তিভেদে ভিন্ন হবে- এমনটাই স্বাভাবিক।
    আপনি যেভাবে চান, সবসময় সেভাবে মন্তব্য না’ও আসতে পারে। তাই positively মন্তব্যগুলো বিবেচনা করলে আপনিও যেমন মনোখুন্ন হবেন’না, তেমনি সমস্যাগুলোরও একটা সন্তোষজনক সমাধান বেরিয়ে আসবে। তবে শব্দ চয়নের উপর depend করে যদি এটাকে হেয় বা অপমান করা অথবা নীতিমালা বহির্ভূত হিসেবে বিবেচনা করা হয় তবে তা একান্তই দুঃখজনক।
    চিনি’না-জানি’না, সামনা-সামনি কখনো দেখিনি, তেমনি কারো উপকারে আসছি- এমনটা ভেবেই ব্যাস্ততার মাঝে এখানে সময় দেওয়া। নেটের মূল্যবান ডাটা অপচয়ে কাউকে অপমান-অপদস্থ করতে হেয় করা মন্তব্য পোষ্ট করে নিজের নির্বুদ্ধিতার পরিচয় নিশ্চই দেবো’না?
    অবশ্য বিভিন্ন বিষয়ে অনেকের মন্তব্যে মাঝে-মধ্যে এর ব্যাতিক্রম’ও দেখতে পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে অ্যাডমিন প্যানেল স্বভাবতই নীতিমালা অনুসরণে লেখক ও মন্তব্যকারী উভয়ের বিরুদ্ধে প্রয়োজনমাফিক ব্যাবস্থা গ্রহন করে থাকে।

    তবে যে মাইক্রোসফটের পন্য নিয়ে এত সময় এবং শ্রম ব্যায়করে আপনি রিভিউ দিলেন, নিশ্চই তাদের একটা অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের লিংক অন্তত আপনার পোষ্টটিতে আমরা আশা করতে পারি?
    এতে করে আপনার পোষ্ট থেকেই সরাসরি উক্ত বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত হালনাগাত তথ্য পাবার পথ সুগম হয়। এখানে থার্ড পার্টি হিসেবে সার্চ ইঞ্জিনের উপর নির্ভর করাটা কি খুব জরুরী?
    পিসিহেল্পলাইনবিডির একজন লেখক কিংবা অন্তত নিয়মিতো পাঠক হিসেবে আমার চাওয়া থাকতেই পারে যেন এখানের লেখার পরিবেশ বা প্রক্রিয়াটি পাঠক বা ভিজিটর বান্ধব হয়। আমার এই চাওয়াটা নিশ্চই অন্যায় নয়?
    হয়তো আমার চাওয়ার প্রক্রিয়ার মাঝে কোন অসঙ্গতি- অনেকের দৃষ্টিতে নেতিবাচক মনেহতে পারে।
    নাহ্, আপনাকে হেয় বা অপদস্থ করার জন্য নয়, বরং রবীন্দ্রনাথের “সোনার তরী” কবিতার সাথে খানিকটা মিল খুঁজে পাওয়ায় মজা করার আঙ্গিকে উক্তিটি টেনে আনি। বিষয়টি এত সিরিয়াসলী নেবার প্রয়োজন ছিলো’না।
    ওখানে কৃষককে ফেলে মাঝি- কৃষকের ফসল নৌকায় তুলেছিলো আর এখানে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৮ নিয়ে রিভিউ দিলেও তাদের ঠিকানাটি অনেকটা অজ্ঞাতসারেই বাদ পড়ে গেছে। তাই লিখেছিলাম যে কর্মীর চেয়ে কর্ম মুখ্য তথা মাইক্রোসফটের কোন লিংকের থেকে তাদের তৈরি পন্য Windows 8 এর বিবরন গুরূত্বপূর্ন। তবে একটু ভেবে দেখলেই বুঝতে পারতেন, এটাই কিন্তু বাস্তবিক নিয়ম। আমরা সকলেই অজ্ঞাতসারে কর্তার চেয়ে কৃত কর্মটাকেই বেশী প্রাধান্য দেই। এতে দোষের কিছু নেই। এমনটাই হয়ে আসছে…
    যাহোক, এটা একান্তই আমার ব্যাক্তিগত মতামত ছিলো। তাই, বিষয়টি আপনার মনে কোন ধরনের নেতিবাচক ধারনার সৃষ্টি করলে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
    মন্তব্যে সময়ের অভাবে অনেক কথা গুছিয়ে লেখা যায়না। আশাকরি আপনি সবকিছু ইতিবাচক হিসেবেই নেবেন এবং পিসিহেল্পলাইনবিডি এ’বিষয়ে আমার সাথে একমত হবেন।
    আপনার কাছথেকে নতুন কিছুর প্রত্যাশায় ও সবার সাফল্যকামনায়- Turjo, Bangladesh.

    বিঃদ্রঃ আর একটি বিষয় চোখে পড়ল.. আপনি হয়তো ভুল বুঝতে পারেন, সেটি হলো-
    “আপডেটের অপেক্ষায়…”
    এটা আমি আপনার কাছ থেকে উইন্ডোজ ৮ সম্পর্কে আপডেট তথ্য জানতে লিখেছি। আপনি-আবার, আপনার পোষ্ট আপডেট করে লিংক যুক্ত করার কথা ভেবে বসবেন’না। সেটা একান্তই আপনার নিজস্ব বিষয়। আমি আপনাকে নূন্যতম অনুরোধটুকু জানাতে পারি। রাখা না’রাখা আপনার উপর depend করে।
    আর হ্যা’ আপনার বেশকিছু কথার সাথে আমি একমত। আলাদা করে তুললাম না তবে, লিংক না’দেয়া কোন ভুল –এমনটা কিন্তু কোথাও উল্লেখ করিনি। দিলে ভালো হতো- এটাই জানাতে চেয়েছি। তবে আফসোস, বিষয়টি হয়তো আমার মন্তব্যে সঠিকভাবে ফুটে ওঠেনি। যদি উঠত তবে এতকিছু লেখার প্রয়োজন পড়ত’না।
    এখন নিশ্চই আশাকরা যেতে পারে, কোন পয়েন্ট অফ ভিউ থেকে মন্তব্যটি করেছিলাম- সেটি আপনার নিকট সুস্পষ্ট হয়েছে। 😐

  8. Turjo, Bangladesh. বলেছেন

    এতবড় তথ্যবহুল লেখা লিখলেন যে মাইক্রোসফটের পন্য নিয়ে, সেই মাইক্রোসফটের একটা লিংকও দিলেন না!
    এজন্যই মনে হয় কবি লিখেছিলেন কর্মীর চেয়ে কর্ম বড়। 🙁
    anyway ২০,৫০০৳ তেমন বড় অঙ্ক নয় অন্তত মাইক্রোসফটের জন্য। কারণ ওদের ভিসতা যখন ছেড়েছিল (সম্ভবত 2004/5 সালে) তখনও অরিজিনালটার এমন দাম রেখেছিলো। সেই সময় ডলারের দাম ছিল 60 or 61 maybe. আর এখন মুদ্রাস্ফীতির এই সময়ে তা গিয়ে ঠেকেছে 80/81.
    তবে চিন্তার কারন নেই। ক্রাকিংয়ের এই যুগে উইন্ডোজ ৭ পাইরেটেড চলছে অহরহ তখন ৮ খুব বেশী দূরে নেই।
    পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ। আপডেটের অপেক্ষায়…

    1. পিসি হেল্পলাইন বিডি বলেছেন

      @Turjo, Bangladesh.: rule no. 9 er dike kheyal rekhe comment korben vai…onekei ai niye complain korche…aar amra adminder dayitto ta janano…
      Aar baki ongsher uttor lekhok apnake dibe asha kori

      1. Turjo, Bangladesh. বলেছেন

        @পিসি হেল্পলাইন বিডি: @পিসি হেল্পলাইন বিডি: @পিসি হেল্পলাইন বিডি: নীতিমালার ৯ নং শর্তঃ
        পোস্টের মন্তব্যে অপমানজনক, অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ, উস্কানিমূলক, অশালীন বা আপত্তিকর শব্দ/বাক্য প্রকাশ করা যাবে না।

        যথাযথ সম্মান প্রদর্শন পূর্বক জানাচ্ছি যে এখানে- আমি কোন অশ্লীল, অশালীন শব্দ ব্যাবহার করেছি বলে এই মূহুর্তে মনে পড়ছে’না। ব্যাবহৃত শব্দগুলো হরহামেশাই বিভিন্ত স্থানে প্রয়োগ করা হয়। (অফ টপিক হিসেবে উল্লেখ্য; সিহাব সুমন ভাইয়ের একটি পোষ্টে হয়তো প্রসঙ্গক্রমে একটি unusual word লিখেছিলাম)
        দ্বিতীয়ত, উস্কানিমূলক অর্থে আমি কাউকে অন্যায় কাজে উষ্কানি দেইনি বা তেমন কোন বাক্য লিখিনি।
        অপমানজনক, কুরুচিপূর্ণ, আপত্তিকর শব্দ/বাক্যের বিষয়ে বলবো যে এগুলো আপেক্ষিক। সকলের একই ধাঁচের রুচিবোধ থাকবে- এমনটা মনেকরা অস্বাভাবিক।
        এটা নিয়ে এর পূর্বেও একবার লিখেছি মনেহয়, আজ আর লিখলাম না। তবে কিছু কথা না’লিখলেই নয়-
        কিছু কিছু শব্দ বা কাজ বা অঙ্গভঙ্গি, যা আপনার কাছে স্বাভাবিক, অন্যকারো কাছে তা অশালীন। আবার আজ আপনার কাছে যা গ্রহনযোগ্য, পরবর্তী কোন সময়ে বা পরিস্তিতিতে হয়তো সেটিই অগ্রহনযোগ্য হয়ে দাড়াতে পারে।
        শালীন বা অশালীন অথবা আপত্তিকর- এই শব্দগুলো ব্যাক্তি ও স্থান ভেদে ভিন্ন ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। পশ্চিমা সমাজে এমন অনেক বিষয় আছে যা আমাদের সমাজে অশালীন। যেহেতু পিসিহেল্পলাইনবিডি একটি ওয়াল্ড ওয়াইড প্লাটফর্ম তাই, এই বিষয়গুলোতে পিসিহেল্পলাইনবিডির সূক্ষ্ম বিবেচনা এবং দৃষ্টিভঙ্গী আমাদের কাম্য। কারো চাপের মুখে পিসিহেল্পলাইনবিডি যেন কোন ধরনের ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহন না’করে- অনুরোধ থাকলো।
        আমার মতে প্রত্যেকেই সহানূভুতিশীল এবং একে অপরের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব এবং দৃষ্টিকোন থেকে সচেতন হলে নীতিমালার প্রয়োগের প্রয়োজন খুব কমই পরিলক্ষিত হবে। আশাকরি এ’বিষয়ে পিসিহেল্পলাইনবিডি আমার সাথে একমত হবেন।
        তবে স্বীয় স্বার্থে নীতিমালার ব্যাখ্যা এবং তদানুযায়ী ভুল প্রয়োগ কখনোই কাম্য নয়।
        পিসিহেল্পলাইনবিডির উপদেশটি আমার স্বরণে থাকলো। এছাড়া অন্যান্য বিষয়ে আমার অবস্থান- লেখকের উদ্দেশ্যে আমার করা সূদীর্ঘ্য মন্তব্যে তুলে ধরা হলো। আশাকরি এর মাধ্যমে পারস্পরিক ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটবে। – Turjo, Bangladesh.

        1. পিসি হেল্পলাইন বিডি বলেছেন

          @Turjo, Bangladesh.: তাহলে ভাই, নীতিমালা ৯, ১১ এবং ১২-এর দিকে একটু লক্ষ্য রাখবেন 🙂 (সূক্ষ্ম বিবেচনা এবং দৃষ্টিভঙ্গীর দিক থেকে চিন্তা করে তা বলা হয়েছে)। কারণ, একজনের দৃষ্টিভঙ্গির চেয়ে ২৪জনের দৃষ্টিভঙ্গি/বিবেচনা অবশ্যই যথোপযুক্ত।

          1. Turjo, Bangladesh. বলেছেন

            @পিসি হেল্পলাইন বিডি: জ্বী, এবিষয়ে আপনার সাথে আমি একমত। তবে, একটু ভেবে দেখুন তো, ২৪জনের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ২৪ লাখ… অথবা ২৪ কোটি ব্যাক্তির মতামত/বিবেচনা নিশ্চই আরো বেশী গ্রহনযোগ্য হবে, তাই নয় কী? 🙂
            আসলে এই কারনেই লিখেছি… বিষয়গুলো আপেক্ষিক। এটাকে আপনি হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তানীতি অনুসরনে কল্পনা করতে পারেন। যতই আপনি একটিকে কনষ্টান্ট করতে যাবেন, অপরটি আপনার কাছে ততই অনিদৃষ্ট হবে।
            অবশ্য এখানে এর ব্যাতিক্রমও আছে। তবে এতেকরে প্রমান হয়না যে- বেশী মতের মিল হলেই সেটি কোন বিষয়কে বৈধতা দেবার পক্ষে পুরোপুরি সঠিক।
            একমাত্র ইসলাম ধর্ম ছাড়া অন্য সকল বিধি-ব্যাবস্থা সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তীত হয়েছে বা হচ্ছে। খোদ আমাদের দেশের সংবিধান স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত- ১৫ বার সংশোধন করা হয়েছে। এটা কি উদাহরণ হিসেবে প্রমান করে না’ যে ২৪ বা ২৪০০জনের মত- সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার পক্ষে যথেষ্ট না’ও হতে পারে? –
            ধন্যবাদ আপনাকে।

    2. Laboni- CFBT বলেছেন

      মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ দাদা!
      হ্যা লিংক দিলেও দেয়া যেত। আসলে এই পোস্টটি লেখা হয়েছে অনেকটা প্রতিবেদন বা রিভিউ ফোকাস হিসাবে। তাছাড়া এমনিতে মাইক্রোসফট এর সাইট সম্পর্কে অনকেই পরিচিত কিংবা গুগলে উইন্ডোজ ৮ লিখে সার্চ দিলে অনেক কিছুই পাওয়া যেত। বিষয়টি অনেকটা নমনীয়তার কারনে লিংক দেবার প্রয়োজন মনে করিনি। অপরদিকে এই পোস্টের শেষের দিকে তো বলেই দিয়েছি অনাকংখিত ভূলের জন্য কিংবা এডিটকরনে সমস্যা হলে তাহা ক্ষমা সুন্দর চোখে দেখবেন …. তাইনা!
      সত্যিকার অর্থে কোন একটি বিষয়ের দিকে নজর দৃষ্টি দিলে অবশ্যই তার ভাল-মন্দ দুটি ফলাফল পাওয়া যাবে, যেটা আমি-আপনি সকলেই অবগত।
      সেই হিসাবে এখানে পোস্টের বেলাতেও এমনটি প্রযোজ্য হতেই পারে এবং ব্যক্তি হিসাবে আমাদের চিন্তা ও মতভেদেরও তেমন পার্থক্য আছে। সুতরাং সমালোচনা-প্রশংসা থাকাটাই স্বাভাবিক। তবে ব্লগের সদস্য কিংবা ভিজিটর হিসাবে আমাদের যদি একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও অপরের সৃজনশীলতাকে গুরুত্বতার চোখে দেখি তাহলে উক্ত সমস্যাটি প্রকটতর হবেনা।
      উদাহরন স্বরুপ- এখন আমি যদি কোন লেখকের পোস্টের মন্তব্য বলি- বাহারী ডিজাইন বা এডিট করলে ভাল হত, ছবির ফোকাস ডিজিটাল হলে ভাল হত, কিংবা পোস্টটি পিডিএফ করে দিলে হত, পোস্টটা বেশী বড় হয়ে গেছে ইত্যাদি…..ইত্যাদি …. তাহলে এরুপ বহু খুতখুতে ভাব/মন্তব্য ফুটে উঠবে।
      তবে ভিজিটরদের স্বার্থে মন্তব্য বিভিন্ন ভাবে করতে পারি সুন্দর ব্যবহার বা মার্জিত মুড দেখিয়ে কিংবা কাউকে উৎসাহ বা অনুপ্রেরনা জুগিয়ে। একটি কথার দ্বারা যেমন- কোন ব্যক্তিকে ফুলের সুঘ্রাণের মত আকৃষ্টতা দ্বারা যেমন কাছে আনা যায় তেমনি কটুক্তি দ্বারা বাণ/তীরের মতই আঘাত করা যায়। আমরা যদি সুশিক্ষিত-ভদ্রজনেরা হয়ে এই ধরনের সেন্টিমেন্ট করে বসি তাহলে অপরকে বা Next Generation কে কি উপহার দিব! তাই না!!
      যাইহোক After All- যেহেতু পূর্বেই বলেছি আমরা অনেকেই লেখক কিংবা ভিজিটর! তাই ব্লগ সাইটের নীতিমালা গুলো উভয়কেই অনুসরন করা প্রয়োজন।
      পরিশেষে আরেকটি কথা মনে পড়ে গেল বিজ্ঞজনেরা বলেছেন- “যেখানে সিন্দু জনের সমাহার, সেখানেই রহিয়াছে নিন্দুকের বুলির বাহার”

        1. Laboni- CFBT বলেছেন

          @Turjo, Bangladesh.:
          বাহ! দারুন দারুন সব যুক্তিসঙ্গত কথা বলেছেন। নিজেদের কাছে ভাল লাগলো। তথাপি ফিডব্যাক হিসাবে মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অংসখ্যক ধন্যবাদ।

          ব্রাদার, আপনিও বোধ হয় আমাকে/আমাদেরকে ভূল বুঝেছেন। Please don’t mind. সত্যিকার অর্থে যতদুর মনে পড়ে অদ্য পর্যন্ত কোন ভিজিটর কিংবা লেখককে পূর্ববর্তী বিভিন্ন পোস্টে যেমন নীতিবিরোধী কিংবা উস্কানী মূলক মন্তব্য প্রদান করেনি, তেমনি বর্তমানেও এমনটি হবে না বলে আশা রাখি।

          সেই ক্ষেত্রে আপনাকে নিয়েও তো প্রশ্নই আসেনা। কেননা, বিভিন্ন ভিজিটর/লেখকগনই বলতে পারবেন আমরা নিজেদের বা অন্য কোন লেখকদের পোস্টে কটুক্তি কিংবা কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্য মন্তব্য করেছি কিনা? উদাহরনস্বরুপ- যদি কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্য কিছু করতাম তাহলে মন্তব্যর ঘরে তা লিপিবদ্ধ করতাম কিংবা অ্যাডমিনদেরকে অবহিত করতাম। এবং অ্যাডমিন কিংবা বিভিন্ন ভিজিটর হতে মন্তব্য পাইতাম তাইনা!

          আরেকটি কথা আমি পূর্বেও বলেছি এবং আপনার সাথে এক সুরে মিলিত হয়ে পূনরায় ব্যক্ত করছি ব্যক্তি হিসাবে আমাদের চিন্তা-চেতনা, যুক্তিতর্ক, মেধা ও মননশীলতা একে অপর হতে সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাই এখানে অনেকেরই ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক থাকাটা স্বাভাবিক। এতে আমাদের ক্ষ্যাপাবাসুর আচরনের কি প্রয়োজন আছে?

          মূলত আমাদের সবার এই প্রিয় বিজ্ঞাণ প্রযুক্তি প্লাটফর্ম (পিসিহেল্প লাইন ব্লগ) বহু গুণী লেখক ও পাঠকদেরকে কেন্দ্র করেই এর অন্তপ্রাণ। তাই এখানে বিভিন্ন রকম তথা- Negative & Positive Comment পাওয়াটাই স্বাভাবিক। সবাই যদি Positive Comment নিয়ে মন্তব্য করতে থাকে তাহলে সেখানে ২/১টি Negative মন্তব্য পাওয়াটা দোষের কিছু নই বলে মনে করি। কেননা, Negative মন্তব্যর মধ্য হয়ত কিছু লুকায়িত বিষয় কিংবা কাব্যিক ভাবও থাকতে পারে, হয়ত সেটি পড়ে নিজেকে একটু গুছিয়ে বা মুডে আনতে পারি। তবে সর্বমোট কথা হচ্ছে- ভিজিটর কিংবা লেখক হিসাবে আমাদের প্রত্যেকেরই লক্ষ্য থাকতে হবে মন্তব্য ইতিবাচক-নেতিবাচক হোক সেখানে যেন মার্জিত শব্দ/চয়নের পরিপূণূতা প্রকাশ পাই।

          পিসি হেল্প লাইনে আমরা লেখকের পাশাপাশি সবাই ভিজিটর। দেশের নানান প্রান্তে থাকি। এবং সবাই বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত আছি যেমন- কেউ শিক্ষার্থী, চাকুরীজীবি, ব্যবসায়ী …..ইত্যাদি….ইত্যাদি। চিনি’না-জানি’না, সামনা-সামনি কখনো দেখিনি, (হয়ত অনেকের পূর্বপরিচিত কেউ থাকতে পারে)তেমনি কারো উপকারে আসছি বা আসছে- এমনটা ভেবেই ব্যাস্ততার মাঝে সবাই এখানে বেশ কিছু মূল্যবাণ সময় দিচ্ছেন। লেখক ও ভিজিটরদের নিকট হতে অনেক অজানা বিষয়গুলো শিখতে পারছি এবং নিজেদের জানা বিষয়গুলো শেয়ার করছি এবং সেই সাথে নিজেরাও আপগ্রেটেড হচ্ছি। আহ! কত দারুন একটি ব্যাপার!! এখন নিজেদের অজ্ঞাতসরে যদি কেউ মন্তব্য নিয়ে কাঁদা চালাচালি করতে থাকি তাহলে তো সমাধান হবে না। তাই পরিশেষে আমিও আপনার সাথে একমত প্রত্যেকেরই একটি আপোষের মধ্য থাকতে হবে।

          যাইহোক পোস্ট করতে গিয়ে অনাকাংখিত ভূল হয়ে যাই। সেই হিসাবে আমি এর ব্যতিক্রম নই। এবং এই পোস্টে যে মন্তব্যগুলো করেছি তা কাউকে হেয় বা অপমান করবার উদ্দেশ্য নই। সেই হিসাবে আপনিও নন। এটা অনেকটা নিজের ব্যক্তিগত কমেন্ট ছিল। তাই, পূনরায় বলছি অনুগ্রহ করে মনে কিছু নিবেন না। যদি বিষয়টি আপনার মনে কোন ধরনের নেতিবাচক ধারনার সৃষ্টি করে থাকে তাহলে আমিও আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

          ব্যক্তিগত হিসাবে আরেকটি কথা বলছি- পিসি হেল্প লাইনে আমার হতে খড়ি বেশী দিনের নই। এখানে যে পোস্টগুলো করে থাকি তা আমার ক্যাম্পাসের বন্ধুরা মিলে যৌথভাবে প্রকাশ করে থাকি। ব্লগে পোস্ট করা কতটা পরিশ্রম ও মেধার ব্যাপার তা আমি-আপনি সকলেই অবগত। এখানে সবাই শিক্ষার্থী, অনেক ব্যস্ত সময় পার করতে হয়, অনেকেরই ব্যস্ত থাকতে হয়। তাই একজনের ব্যস্ততাতে বা অনুপস্থিতিতে একটু সময় পেলেই ভিন্নজন পোস্ট করে থাকি। হয়ত আপনি আমাদের বেশ কিছু পোস্ট পড়ে তা জেনেছেন এবং বিভিন্ন পোস্টের মধ্য তা উল্লেখ করা আছে। এই কারনে মাঝেমধ্য আমাদের প্রোফাইলের পরিবর্তন আনা হয়। আমরা বন্ধুরা মিলে এইভাবে পোস্ট করছি- বেশ একটি উপভোগ্য ব্যাপার ও মজাই আলাদা। Extra Romance! তাছাড়া আমাদের বন্ধুরা পিসিহেল্প লাইনের পাশাপাশি আরো বেশ কয়েকটি ব্লগ সাইটেও পোস্ট করে থাকে।
          এবং এখানের মন্তব্যতেও নিজের অজান্তে এলোমেলো হতে পারে। ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আশাকরি আপনিও সবকিছু ইতিবাচক হিসেবেই নেবেন (আমরাও ইতিবাচক হিসাবে দেখছি)এবং পিসিহেল্পলাইনবিডি এ’বিষয়ে আমাদের সাথে একমত হবেন।
          আপনার বেশ কিছু পোস্টগুলো দেখেছি ও পড়েছি, খুবই ভাল লেগেছে। আশা করি আরো সুন্দর সুন্দর পোস্ট উপহার দিবেন ভিজিটরদের স্বার্থে। আপনার রিসেন্ট একটি পোস্টে পড়েছি, সেখানে উল্লেখ করেছেন আপনার পরীক্ষা চলছে। আপনার বাকি পরীক্ষা যেন ভাল হয় এবং পরীক্ষার ফলাফল যেন কাংখিত হয় সেটাই কামনা করি।
          আমাদের উক্ত পোস্ট সম্পর্কে বেশ কিছু ভাল মতামত পেশ করেছেন। জেনে ভাল লাগছে। বিষয়টি সম্পর্কে যদি নতুন কোন তথ্য পাই কিংবা লেখার সময় হয় তাহলে নতুন একটি পোস্ট করবার ইচ্ছা রইল।
          পরিশেষে আপনার কাছথেকে আরো নতুন কিছুর প্রত্যাশায় ও সবার সাফল্যকামনায়-
          ক্যাম্পাস বন্ধু টীমের পক্ষ হতে-
          লাবণী-৬১০০।

          1. Turjo, Bangladesh. বলেছেন

            @Laboni- CFBT: ধন্যবাদ আপনাকে, বিষয়গুলো এতটা গুরূত্বসহকারে নেবার জন্য!
            আপনার মন্তব্যে- প্রাথমিক যে কথাগুলো লিখেছেন, সেটির ব্যাপারে- পিসিহেল্পলাইনবিডি ও আমার মধ্যকার কমেন্টসগুলো ধারাবাহিকভাবে দেখার অনুরোধ করছি। নীতিমালার ৯, ১১ বা ১২ নম্বর পয়েন্টগুলো দেখলেই বিষয়টি আপনার নিকট স্পষ্ট হবে যে কেন অনিচ্ছাসত্বেও আমাকে এধরনের কথা লিখতে হয়েছে।
            বাকী আপনার অন্যসব বিষয়ের সাথে মোটামুটি একমত আমি।
            আর আমরা অনেকেই অনেকসময় এমনসব চাপের ভিতর থাকি যে- না’চাইতেও আমাদের কিছু কাজকর্ম, ‘ক্ষ্যাপাবাসুর’ আচরনের ন্যায় রূপ নেয়। বিষয়টি ওভাবেই দেখার প্রয়োজন, তাইনা? 🙂
            পরিশেষে, আপনারা স্বীয় লেখনির মাধ্যমে পিসিহেল্পলাইনবিডিকে উত্তরোত্তর সমৃদ্ধ করবেন এবং যার যার নিজ কর্মক্ষেত্রে যথাযথভাবে সফল হবেন- এমনটাই আশারাখী। – Turjo.

  9. Rafiul বলেছেন

    Thanx! a lot.

  10. MD Shagor বলেছেন

    সুন্দর পোষ্ট টি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

    1. Laboni- CFBT বলেছেন

      টিউনসটি ভিজিট করার জন্য অআপনাকেও ধন্যবাদ।

  11. প্রীতম চক্রবর্তী বলেছেন

    এক কথায় অসাধারণ লিখেছেন! 😀
    এইরকম একটি লেখার জন্য অধির অপেক্ষায় ছিলাম। আপনার লেখাগুলো সবসময় খুব মানসম্মত ও তথ্যবহুল হয়।
    😀 😀 😀

    1. Laboni- CFBT বলেছেন

      টিউনসটি ভিজিট ও অনুপ্রেরনামূলক মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

  12. Purnendu বলেছেন

    খুব ভাল লাগল। আরও জানতে অপেক্ষায় রইলাম।

    1. Laboni- CFBT বলেছেন

      ধন্যবাদ আপনাকে!

  13. প্রযু্ক্তিরজানালা বলেছেন

    পোষ্টটি দেখেই ভালো লাগলো কারণ অপেক্ষায় আছি। এটি এখনো পড়িনি। উইন্ডোজ ৮ এর প্রায় সপ্তাহ পার হয়ে যাচ্ছে তাকিয়ে আছি “পিসি হেল্পলাইনের সাইটির দিকে, কখন সফটওয়্যারটি সম্পর্কে আপডেট খবরা-খবর পাবো, সফটওয়্যারটি পাবো, কিভাবে এটি ব্যবহার করবো। আমাদের সন্মানিত লেখনবৃন্দ কিছু লিখছেন না। এটি কি হয়? নতুন ভার্সন নিয়ে কার না কৌতুহল থাকে। ঈদের পর পরই মনে করেছিলাম সেরা লেখকবৃন্দ উইন্ডোজ ৮ সম্পর্কে তাক লাগানো সময়োপযোগী পোষ্ট নিয়ে আসবেন। তবে অনেকদিন পরে হলোও শেষ পর্যন্ত পেতে যাচ্ছি………… অনেক ধন্যবাদ সময়োপযোগী পোষ্টটি করার জন্য।

    1. Laboni- CFBT বলেছেন

      হ্যা অপনার সাথে কিছুটা হলেও আমরা একমত। অপেক্ষাতে ছিলাম বেশ কিছুদিন ধরেই, মনে করেছিলাম এই বিষয়ে হয়ত কোন লেখক রিভিউ পোস্ট করবেন। অতপর সম্মানীত ভিজিটরদের অনুরোধক্রমে ও নিজেদের সাহসিকতার কারনে উক্ত পোস্টের কাজে হাত ও পাবলিশ করতে হল। আমরাও আশা রাখি উইন্ডোজ ৮ সম্পর্কে আমাদের টীমের কাছ হতে কিংবা অন্যান্য সম্মানীত লেখকদের কাছ হতে রিভিউ গুলো পাবেন, একটু দেরী হলেও! পরিশেষে অশা করি পিসি হেল্প লাইনের সাথে নিয়মিত থাকবেন। আপনার কমেন্টটি ভাল লেগেছে। এই পোস্টটি ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্যক ধন্যবাদ।

      1. প্রযু্ক্তিরজানালা বলেছেন

        মন্তব্যটি পড়ার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ………….

উত্তর দিন