আসুন একটু জেনে নিই E-Mail ID/SignUP এর সময় CAPTCHA এর ফর্ম পূরণ করতে হয় কেন?

10 186

সালাম এবং শুভেচ্ছা সহ পিসিহেল্প লাইনে  এটি আমাদের ৫২ তম পোস্ট হিসাবে শুরু করছি।

আশা করি পিসি হেল্প লাইনের সাথেই আছেন এবং পোস্টটি  আপনার ভালো লাগবে।

আমি কোন বড় ব্লগার না, খুব সাধারন ভাবে পোস্টটিতে CAPTCHA কি এবং কিভাবে কাজ করে; তা বুঝানোর চেষ্টা করব মাত্র।

[[ CAPTCHA কি এবং কিভাবে কাজ করে !!! ]]

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, “আমি যখন অনলাইনে কোথাও কোন অ্যাকাউন্ট ওপেন করতে যাই, তখন অ্যাকাউন্ট ফরমের নিচে আমাকে কিছু হ্যাকা-ব্যাকা শব্দ দেখে সেটা পুরন করে দিতে হয়, একটা ভুল হলে পুরটাই ভুল হয় এবং আবার নতুন একটা আসে !” যা খুব ই বিরক্তি কর।

প্রশ্ন করলেন !!

ও গুগল জিনিয়াস বাবা, What is CAPTCHA and How it Works?

উত্তরঃ তার মাথায় যা আছে সব গুলার এক গাদা লিঙ্ক :-&

আমাকে প্রশ্ন করুন; কেনো CAPTCHA আসে এবং এবং কিভাবে কাজ করে !!

উত্তরঃ আমি কিন্তু সোজাসাপ্টা উত্তর দিবো

► CAPTCHA বা Captcha (pronounced as cap-ch-uh) এটার পূর্ণরূপ দাড়ায় “Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart”
এই টেস্ট নিশ্চিত করে যে এটা অবশ্যই একটা মানুষ দেখছেন এবং মানুষ ই রেসপন্স করছে। কোন কম্পিউটার জেনারেটেড মেশিন এটার উত্তর দিচ্ছেনা। সাধারণ কথায় এটা একটা ওয়ার্ড ভেরিফিকেশন টেস্ট যেটা সাধারণত আমরা অনলাইন এ যে কারো সেবা পাইতে যদি সাইন আপ করি তাহলে CAPTCHA টেস্ট দিতে হয়।

যে উদ্দেশ্যে এটি মূলত কাজ করে?

CAPTCHA প্রধানত ব্যবহৃত হয় স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার (বট) থেকে প্রকৃত মানুষের কর্ম সঞ্চালনের প্রতিরোধ করার জন্য।
মানে, যখন আপনি একটি নতুন ইমেইল একাউন্টের জন্য সাইন আপ করেন, তখন একটি নাটক জুড়ে সাইন আপ ফর্ম এর শেষে; যে ফর্ম পূরণ করা হয়, সেটা শুধুমাত্র একটি বৈধ মানুষের দ্বারাই যেন পূরণ করা হয়, স্বয়ংক্রিয় কোন সফ্টওয়্যার যাতে সেটা পূরণ করে অপব্যবহার না করে সেজন্য কম্পিউটার বট এটি করে থাকে।
বুঝাইতে পারলাম কিনা জানিনা

কেনো ব্যবহার হয় ??

অনেকের জন্য ক্যাপচাটি অর্থহীন এবং বিরক্তিকর মনে হতে পারে, কিন্তু আসলে এটা বিভিন্ন ধরনের malicious অতর্কিত হামলা থেকে রক্ষা পেতে সহায়তা করে। CAPTCHA স্থাপন করা হয় সিস্টেম কে প্রটেক্ট করার জন্য, এ থেকে জিমেইল, ইয়াহু এবং হটমেইল এর মত মেইল সেবা দানকারীর থেকে স্প্যাম ইমেইল কম পাওয়া যাবে বলে এটা করা হয় থাকে।
যদিওবা হটমেইল সর্বদা বলে লেস স্প্যাম, কিন্তু স্প্যাম আসাতো কখনও রুখতে পারেনা কেউ ই
পারবেও না !

কারন কথায় বলেনা, কাটা দিয়ে কাটা তুলতে হয়, ঠিক তেমনই সব সিকিউরিটির বিপরীতে অ্যান্টি সিকিউকিউরিটি গড়ে উঠবেই।

তা না হলে তো নিউটন মামা পুরাই ধরা খেয়ে যেতো, ‘’ প্রত্যেক ক্রিয়াই বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে‘’ কথাটা বলে

►→ উকিঝুকি দিয়ে দেখে যাবেন না কেউ; ভালো লাগলে মন্তব্য করে জানান; খারাপ লাগলে তাও জানাবেন

(একটি ইংরাজী সাইট হতে অনুবাদকৃত)

—————————————————————————

 

10 মন্তব্য
  1. Tajul islam বলেছেন

    Thanks for your nice post

  2. shiplu বলেছেন

    Nice post.. Keep going.

  3. মো: নাসির উদ্দিন বলেছেন

    নাইস। খুব ভাল পোস্ট। ধন্যবাদ আপনাকে।

  4. sk.shahin বলেছেন

    onek din poray Captcha sompor k jantay parlam.Khub valo legasay.Thank you.

  5. MORIOM- CFBT বলেছেন

    সবারই যদি আকর্ষন করে! তাহলে বাদ থাকবে কে …..এবার না’হয় আপনি একটু ব্যতিক্রম!! কষ্ট করে পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকেও অশেষ ধন্যবাদ।

  6. Liton বলেছেন

    Hello… apu , apnar lekhok porichi lekhagulo pore amar valo legese, ami oti tuchso ek odhom, but 1ti lekha amar kase kharap laglo je আমাদের সবাইকে প্রথমত শুকরিয়া আদায় করা উচিত মহান খোদা-তায়ালার উপর। amar janamote ALLA’r jotogulo nam ase tar moddhe খোদা name kono nam ney.

    1. MORIOM- CFBT বলেছেন

      *****পোস্টটি ভিজিট ও মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্যক ধন্যবাদ। মনে হচ্ছে আপনি একজন ধর্মভীরু ব্যক্তি ও হাদীসের দিক হতে বিভিন্ন খবর রাখেন।আসলে আপনার এই মন্তব্যর বিষয়টি অধিক বিস্তারিত ও তাত্তিক বিষয়াবলী। তাছাড়া এমনিতে আমি জেনারেল লাইনে লেখাপড়া করেছি ও করছি। দেখা যাচ্ছে এতটা বিষয় অনেকে নাও জানতে পারে।

      মুসলীম সম্প্রদায় আল্লাহর কিছু কিছু নামের শব্দ ব্যবহার করে বিভিন্ন সময় ও ঘটনাকে কেন্দ্র করে। যেমন ‘ইনশাল্লাহ’ ব্যবহৃত হয় ভবিষ্যতের মুহূর্তকে কেন্দ্র করে, যার অর্থ ‘আল্লাহর ইচ্ছায়’। ‘বিসমিল্লাহ’ বা বিসমে আল্লাহ’ আর্থাত শুরুতে আল্লাহ, কোন কিছু শুরুর পূর্বে ইহা ব্যবহৃত হয়। ‘সোবাহান আল্লাহ’ অর্থাৎ আল্লাহই পবীত্র, ‘আলহামদুলিল্লাহ’ অর্থাৎ আল্লাহর স্বম্মানে বা আল্লাহর প্রতী, ‘লা-ই-লাহা-ইল্লা-আল্লাহ’ অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ বা খোদা বা মাবুদ নেই, ‘আল্লাহূ আকবার’ অর্থাৎ আল্লাহই মহান……ইত্যাদি।

      তাছাড়া আমি নিজেও কোরআন শরীফের বাংলা শানেনুযুল পড়েছি- সেখানে বিভিন্ন জায়গাতে মাবুদ, রব, ইলাহ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। যেমন:- মহান আল্লাহ-তায়ালা একটি আয়াতে বলেছেন- আমি কি তোমাদের রব নই? আমি ব্যতিত তোমাদের অন্য কোন ইলাহ বা উপাস্য নাই। আসলে এই গুলো আমরা বাংলা আভিধানিক অর্থ নিজেরা বানিয়ে ফেলেছি ও কথায় কথায় বলে ফেলি!

      তবে মূল কথা হল- মনের তাকিদ/একীণে বিশ্বাস থাকতে হবে যে, আল্লাহ ব্যতিত কেউ নাই। এবং পরিশেষে কোরআন ও হাদীসের সাথে একমত প্রতিটি ক্ষেত্রেই আল্লাহ এবং তাহার গুণাবলী সমূহ ৯৯ টি গূণবাচক নাম ব্যবহার করাটাই অধিকতর যুক্তিগত।

  7. Rajibul islam বলেছেন

    Thank you for a nice post………………

    1. MORIOM- CFBT বলেছেন

      অভিনন্দন আপনাকে।

  8. Mamun-ul-alam বলেছেন

    আমাকে আকর্ষণ করেনি। অনেক ধন্যবাদ কষ্ট করার জন্য।

উত্তর দিন