১৪।সাস্থ্যবটিকা হিসাবে সকলেরই জানা প্রয়োজন-ফরমালিন কি এবং এ থেকে বাঁচার উপায়!

12 152

সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আজকের পোস্ট। অবশ্য এই পোস্টটি কোন প্রযুক্তি বিষয়ক কিংবা পিসি বিষয়ক রিভিউ নই। বলতে পারি- স্বাস্থ্যবটিকা হিসাবে পিসি হেল্প লাইনে এটাই আমার ১ম পোস্ট। এই বিষয়ে অবশ্য আমার পোস্ট করবার ইচ্ছা ছিল না কিন্তু বেশ কয়েকদিন পিসি বিষয়ক পোস্ট করাতে অনেকটা ক্লান্ত হয়ে পড়েছি তাই ভাবলাম আজ অন্য বিষয়ে কিছু লিখি।

অপরদিকে গতকালকে একটি বাংলা সামাজিক বিষয়ক ব্লগ সাইটে একটু ঢুঁ মেরেছিলাম। সেখানে ফরমালিন বিষয়ে একটি পোস্ট দেথতে পাই। লেখাটি পড়ে নিলাম ও মনে ধরল। তাই ভাবলাম জনসচেনতা হিসাবে এই পোস্টটি পিসি হেল্প লাইনে সাইটে পাবলিশ করলে অন্তত আমায় সহ ভিজিটরদের উপকারে আসবে-

ফরমালিন শব্দটির সাথে পরিচিত নই বোধহয় এমন লোকের সংখ্যা নগন্য। বেশ কিছুদিন/বছর পূর্বে তো ফরমালিনের ঠেলাতে আমাদের নাজেহাল অবস্থা হয়েছিল। মাছ,মাংস ও দুধ থেকে শুরু করে এমন কোন খাদ্য জিনিস ছিলনা যেখানে ফরমালিনের উপস্থিতি ছিল। দেশের অবস্থা এমন এক পর্যয়ে পৌছেছিল যেখানে জীবণ বাঁচানোই দায় হয়েছিল। পরিশেষে জনসাধারনের সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে সরকার আমাদের পাশে এসে দাড়ান। এই ব্যপারে সরকারী প্রশাসন থেকে কঠোর হুশিয়ারী ও কার্যকারী পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়। যার পেক্ষাপতে বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমান কমিশনার অভিযান চালিয়ে ফরমালিন মিশ্রিত বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী সহ বহু অসাধূ ব্যবসায়ীকে জব্দ করেন। এখানে অনেকের ব্যবসাকে সীলগালা ও জরিমানা করা হয়। অনেকের আবার কয়েক মাসের জেল-জরিমানাও গুণতে হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি বেশ কিছুটা ভাল। কিন্তু তাই বলে যে, ফরমালিন মিশ্রিত ভেজাল কারবার বন্ধ, এই কথা বলা যাবে না। হয়ত গোপনে অনেকটাই দেদারসে চলছে। যাইহোক সরকার প্রশাসনকে এই ব্যাপারে পূর্বের মতই নজরদারী করতে হবে ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে। সেই সাথে আমাদের মত জনসাধারনকে এই ব্যাপারে সোচ্চার হতে হবে। কারন, আমরা যদি নিষ্ক্রীয় হয়ে বসে থাকি তাহলে সরকারের পক্ষ থেকে একা সামাল দেওয়া সম্ভব নই।

ফরমালিন কি?

ফরমালিস ফর্মালিন (-CHO-)n হল ফর্মালডিহাইডের (CH2O) পলিমার। ফর্মালডিহাইড দেখতে সাদা পাউডারের মত। পানিতে সহজেই দ্রবনীয়। শতকরা ৩০-৪০ ভাগ ফর্মালিনের জলীয় দ্রবনকে ফর্মালিন হিসাবে ধরা হয়। ফর্মালিন সাধারনত টেক্সটাইল, প্লাষ্টিক, পেপার, রং, কনস্ট্রাকশন ও মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ফরমালিনে ফরমালডিহাইড ছাড়াও মিথানল থাকে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। লিভার বা যকৃতে মিথানল এনজাইমের উপস্থিতিতে প্রথমে ফরমালডিহাইড এবং পরে ফরমিক এসিডে রূপান্তরিত হয়। দুটোই শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

► ফরমালিনের ক্ষতিকর দিক:

▀ ফরমালডিহাইড চোখের রেটিনাকে আক্রান্ত করে রেটিনার কোষ ধ্বংস করে। ফলে মানুষ অন্ধ হয়ে যেতে পারে।

▀ তাৎক্ষণিকভাবে ফরমালিন, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, কারবাইডসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহারের কারণে পেটের পীড়া, হাঁচি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, বদহজম, ডায়রিয়া, আলসার, চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগ হয়ে থাকে।

▀ ধীরে ধীরে এসব রাসায়নিক পদার্থ লিভার, কিডনি, হার্ট, ব্রেন সব কিছুুকে ধ্বংস করে দেয়। লিভার ও কিডনি অকেজো হয়ে যায়। হার্টকে দুর্বল করে দেয়। স্মৃতিশক্তি কমে যায়।

▀ ফরমালিনযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করার ফলে পাকস্থলী, ফুসফুস ও শ্বাসনালিতে ক্যান্সার হতে পারে। অস্থিমজ্জা আক্রান্ত হওয়ার ফলে রক্তশূন্যতাসহ অন্যান্য রক্তের রোগ, এমনকি ব্লাড ক্যান্সারও হতে পারে। এতে মৃত্যু অনিবার্য।

▀ মানবদেহে ফরমালিন ফরমালডিহাইড ফরমিক এসিডে রূপান্তরিত হয়ে রক্তের এসিডিটি বাড়ায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাস অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করে।

▀ ফরমালিন ও অন্যান্য কেমিক্যাল সামগ্রী সব বয়সী মানুষের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। তবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ শিশু ও বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে। ফরমালিনযুক্ত দুধ, মাছ, ফলমূল এবং বিষাক্ত খাবার খেয়ে দিন দিন শিশুদের শারীরিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়ে যাচ্ছে। কিডনি, লিভার ও বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নষ্ট, বিকলাঙ্গতা, এমনকি মরণব্যাধি ক্যান্সারসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে শিশু-কিশোররা। শিশুদের বুদ্ধিমত্তা দিন দিন কমছে।

▀ গর্ভবতী মেয়েদের ক্ষেত্রেও মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে। সন্তান প্রসবের সময় জটিলতা, বাচ্চার জন্মগত দোষত্রুটি ইত্যাদি দেখা দিতে পারে, প্রতিবন্ধী শিশুর জন্ম হতে পারে।

▀ এ ধরনের খাদ্য খেয়ে অনেকে আগের তুলনায় এখন কিডনি, লিভারের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগের সমস্যায় ভুগছেন। দেখা যাচ্ছে, কয়েক দিন পরপর একই রোগী ডায়রিয়ায় ভুগছেন, পেটের পীড়া ভালো হচ্ছে না, চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

► কিভাবে মাছ থেকে ফর্মালিনের দূর করবেন ?

▀ পরীক্ষায় দেখা গেছে পানিতে প্রায় ১ ঘন্টা মাছ ভিজিয়ে রাখলে ফর্মালিনের মাত্রা শতকরা ৬১ ভাগ কমে যায়।
▀ লবনাক্ত পানিতে ফর্মালিন দেওয়া মাছ ১ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখলে শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ ফর্মালিনের মাত্রা কমে যায়।
▀ প্রথমে চাল ধোয়া পানিতে ও পরে সাধারন পানিতে ফর্মালিন যুক্ত মাছ ধুলে শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ ফর্মালিন দূর হয়।
▀ সবচাইতে ভাল পদ্ধতি হল ভিনেগার ও পানির মিশ্রনে (পানিতে ১০ % আয়তন অনুযায়ী) ১৫ মিনিট মাছ ভিজিয়ে রাখলে শতকরা প্রায় ১০০ ভাগ ফর্মালিনই দূর হয়।

► কিভাবে ফল ও সবজি থেকে ফর্মালিনের দূর করবেন ?

▀ খাওয়ার আগে ১০ মিনিট গরম লবণ পানিতে ফল ও সবজি ভিজিয়ে রাখতে হবে।

ফর্মালিন (-CHO-)n হল ফর্মালডিহাইডের (CH2O) পলিমার। ফর্মালডিহাইড দেখতে সাদা পাউডারের মত। পানিতে সহজেই দ্রবনীয়। শতকরা ৩০-৪০ ভাগ ফর্মালিনের জলীয় দ্রবনকে ফর্মালিন হিসাবে ধরা হয়। ফর্মালিন সাধারনত টেক্সটাইল, প্লাষ্টিক, পেপার, রং, কনস্ট্রাকশন ও মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ফরমালিনে ফরমালডিহাইড ছাড়াও মিথানল থাকে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। লিভার বা যকৃতে মিথানল এনজাইমের উপস্থিতিতে প্রথমে ফরমালডিহাইড এবং পরে ফরমিক এসিডে রূপান্তরিত হয়। দুটোই শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

“ফরমালিন টেস্ট করার নিয়ম”

মাছ, মাংস, দুধ, মিষ্টি, কলা, আম, আপেল ইত্যাদির মধ্যে ফরমালিন মেশানো হয়। এর যথেষ্ট প্রমাণ আছে। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাৎক্ষণিক ফরমালিন টেস্টের জন্য মাছ আমদানি পয়েন্টে সাময়িক সময়ের জন্য ল্যাবরেটরি স্থাপন করে। কিন্তু শহরে, গ্রামে-গঞ্জে, হাটে, ঘাটে, মাঠে, বাজারে যে যথেচ্ছভাবে ফরমালিন প্রয়োগ হচ্ছে সে ব্যাপারে কিছুই করা যাচ্ছে না। কারণ এটা অত্যন্ত দুরূহ ব্যাপার এবং এজন্য কয়েক হাজার ল্যাবরেটরি দরকার। তাই ফরমালিন টেস্টের জন্য সহজলভ্য পদ্ধতি দরকার। যাতে ক্রেতারা নিজেই ফরমালিন টেস্ট করতে পারেন এবং ফরমালিন দেয়া মাছ-মাংস কেনা থেকে বিরত থাকেন।

ফরমালিন সাধারণত জীববিজ্ঞানে নানান জাতীয় স্পেসিম্যান সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার হয়। এর প্রধান কাজ পচন রোধ করা। সাধারণত ৩৭-৫০% ফরমালডিহাইডের সঙ্গে ১৫% মিথাইল অ্যালকোহল মেশালে ফরমালিন তৈরি হয়। কাজেই ফরমালডিহাইডের উপস্থিতিই ফরমালিনের অস্তিত্ব প্রমাণ করে। ফরমালডিহাইডের পরীক্ষার জন্য কিছু কমপ্লেক্স কেমিক্যাল-এর প্রয়োজন। এগুলো হলো-

১। ফরমালডিহাইডের দ্রবণের সঙ্গে ২ সিসি ফিনাইল হাইড্রোজাইন হাইড্রোকোরাইড (১%) এবং ১ সিসি ৫% পটাসিয়াম ফেরিসায়ানাড দিয়ে তারপর ৫ সিসি ঘনীভূত হাইড্রোকোরিক অ্যাসিড মেশালে পুরো দ্রবণ গাঢ় গোলাপী রঙ হয়ে থাকে। একে বলা হয় সেরিভারস্ টেস্ট।

২। ফরমালডিহাইডের হালকা দ্রবণ যেমন মাছে ফরমালিন দেয়া আছে তা ধুয়ে তার পানিতে ১ সিসি সোডিয়াম নাইট্রোপ্রোসাইড মেশালে গাঢ় সবুজ নীল রঙ ধারণ করে। এতে ফরমালডিহাইড তথা ফরমালিনের অস্তিত্ব প্রমাণ করে। এ সমস্ত কেমিক্যাল এবং রি-এজেন্ট পাওয়া খুব কঠিন এবং দামও অনেক বেশী।

তাই সহজ এবং সাধারণ একটি পদ্ধতি বের করা যায়। যেমন সন্দেহযুক্ত ফরমালিন মাছ ধুয়ে পানিতে ৩% (ভলিউম) হাইড্রোজেন পারক্সাইড মেশালে ফরমালডিহাইড অক্সিডাইজড হয়ে ফরমিক অ্যাসিডে রূপান্তর হয়। ফরমিক এসিড প্রমাণের জন্য সে পানিতে অল্প মারকিউরিক কোরাইড মেশালে সাদা রঙের তলানি পড়বে। তাতেই প্রমাণ হবে ফরমিক অ্যাসিড তথা ফরমালডিহাইড তথা ফরমালিন।

“খাদ্যে ফরমালিন রোধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি সংসদে”

ঢাকা, ৬ মার্চ: খাদ্যে ভেজাল রোধে মার্কিন আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের আদলে বাংলাদেশে আলাদা প্রতিষ্ঠান গঠনে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের সুপারিশ করেছেন সংসদ সদস্য মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের বৈঠকে ৭১ বিধিতে দাঁড়িয়ে তিনি এ সুপারিশ করেন।

তিনি বলেন, ‘‘সভ্য কোনো দেশে খাদ্যে ফরমালিন দিয়ে বাজারজাতকরণের নজির চোখে পড়ে না। অতিলোভী ও মুনাফাখোর ব্যবসায়ীরা খাদ্যে ফরমালিন মিশিয়ে জনস্বাস্থ্যকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। খাদ্যে ফরমালিন মেশানে চিরতরে বন্ধ করতে সংশ্লিষ্টদের কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।’’

তিনি বলেন, ‘‘খাদ্যে ভেজাল রোধ যে ধরনের সংগঠন বা আইন প্রণয়ন দরকার তা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। নয়তো সংসদ সদস্য হয়ে জাতির স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা ছাড়া আমাদের কাজ কী? কোনোভাবেই নতুন প্রজন্মকে ওষুধ প্রজন্ম হিসেবে গড়তে দেয়া যায় না। কারণ, ওষুধ প্রজন্ম মানেই অসুস্থ প্রজন্ম।’’

উল্লেখ্য, এফবিআই আমেরিকার খাদ্য নিরাপত্তা প্রদান ও মান নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পালন করে থাকে। খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণ দেশটিতে মারাত্মক অপরাধ হিসেবে পরিগণিত হয়ে থাকে।

এর আগে খাদ্যে ভেজাল রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রতিবেদন কমিটির সভাপতি তোফায়েল আহমেদ সংসদের বৈঠকে উপস্থাপন করেন।

প্রতিবেদনে খাদ্যে ভেজাল রোধে বিএসটিআইকে বাধ্যতামূলক মান সনদের আওতাভুক্ত শিল্প ও প্রক্রিয়াজাত ভোগ্য পণ্যের বাইরে কৃষিজাত পণ্য, কাঁচা ফলমূল, সবজি, মাছ, মাংস পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সঠিক মান বজায় রাখার ব্যাপারে কার্যকর ভূমিকা পালনের সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া, কৃষি, বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, খাদ্য, স্বরাষ্ট্র, মৎস্য, প্রাণী, জনপ্রশাসন, চেম্বার ও কমার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযের খাদ্য, পুষ্টি ও রসায়ন বিভাগকে জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা উপদেষ্টা কাউন্সিলকে আরো সক্রিয় করার পরমর্শ দেয়া হয়।

খাদ্যে ভেজাল সংক্রান্ত আইন সংশোধন করে শাস্তির পরিমাণ বাড়িয়ে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান ও গণমাধ্যমে এ বিষয়ে গণসচেতনা তৈরির বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয় প্রতিবেদনে।

(তথ্যসূত্র- প্রথম আলো,বার্তা২৪/ওয়াইই/জিসা/সাইন্স ল্যাবরটেরী কর্তৃক প্রচারিত লিফলেট)

আজ এই পর্যন্তই সেই সাথে সবাই সুস্থ থাকুন। আগামীদিনের প্রত্যাশাতে। – খোদা-হাফেয

======================================

 

12 মন্তব্য
  1. Mahabur Sheikh. বলেছেন

    Very Very Thanks For Share This Important Post…

  2. Mahabur Sheikh. বলেছেন

    Very Very Thanks For Share This Nice Post…

  3. শুভ বলেছেন

    nice post…tnx

    1. AMD. ABDULLAH বলেছেন

      Thanks

  4. সিহাব সুমন বলেছেন

    thanks for share

    1. AMD. ABDULLAH বলেছেন

      Thanks for Visit

  5. forhadape বলেছেন

    ভাই আপনার পোস্ট এর জন্য ধন্যবাদ। আমার সাস্থ্য বিষয় নিয়ে ফেসবুক এ একটি পেজ আছে নাম- Doctors & Hospital । আপনার মত আমিও এই পোস্ট টি, আমার পেজ এ দিলাম সবাইকে সচেতন করার জন্য, আপনার প্রদত্ত রেফারেঞ্ছ সহ। আমার পেজ এর সকল পোস্ট রেফারেঞ্ছ ভিত্তিক এবং সর্বশরত যেখান হতে নেয়া তাদের ।

    ভাই আমার মনে হয় আপনি নিজেও আপনার পোস্ট টি ঠিকমত পড়েননি একটু কষ্ট করে পড়ে, কিছু প্যারা দুইবার আছে মুছে দিয়ে আপডেট প্রকাশ করুন।

    1. AMD. ABDULLAH বলেছেন

      পোস্টটি ভিজিট ও ভূল ধরিয়ে দেবার জন্য আপনাকে অসংখ্যক ধন্যবাদ ভাইয়া। এখানে আপনি ঠিকই বলেছেন- মূলত পোস্টটি দ্রুততার সহিত পাবিলশ ও নিজের ব্যতি-ব্যস্তার থাকার কারনে এমন মিসটেক হয়েছে। অনাকাংখিত ভূলের জন্য দূ:খিত। তাছাড়া পোস্টটি আপডেট করতে যাব তখন বিদ্যুৎ চলে যায়…….ফলে যা হবার কথা ………তাই! বর্তমানে আপডেট করা হয়েছে।
      আমার উক্ত পোস্টটি আপনার ফেসবুক সাইটে সচেনতা হিসাবে পাবলিশ করছেন সেইজন্য পূনরায় ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আর হ্যা আপনার ফেসবুক সাইটিও বেশ ভাল লেগেছে, আশা করি এখানকার পোস্টগুলো অনেকেরই কাজে আসবে বলে মনে করি।

      1. forhadape বলেছেন

        ধন্যবাদ আমার পেজ টি দেখার জন্য এবং আনার মতামত এর জন্য।

  6. arif46 বলেছেন

    সচেতন মূলক পোস্টটি পড়ে ভাল লাগল, আপনাকে ধন্যবাদ ।

    1. AMD. ABDULLAH বলেছেন

      পোস্টটি ভিজিট ও পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

উত্তর দিন