এসইও: পর্ব ৩ – অনপেজ এসইও’র পেজ টাইটেল এবং মেটা ডেসক্রিপশন

‘এসইও’ ধারাবাহিকের আজ তৃতীয় পর্বে থাকছে অনপেজ এসইও। অনপেজ এসইও’র অনেক গুলো বিষয় আছে। এর মধ্যে পেজের টাইটেল এবং মেটা ডেসক্রিপশন নিয়ে আজকের পর্ব।

অনপেজ এসইও

এইচটিএমএল এর মাধ্যমে অনপেজ এসইও করা হয়। তাই অনপেজ এসইও’র জন্য সর্ব প্রথম আপনাকে হাইপারটেক্সট মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ অর্থাৎ এইচটিএমএল (HTML) সম্পর্কে জানতে হবে। এইচটিএমএল সম্পর্কে না জেনে থাকলে এখানে ক্লিক করে শিখে নিতে পারেন। এরপর কিওয়ার্ড নিয়ে গবেষণা করতে হবে। আমরা যখন সার্চ ইঞ্জিনে গিয়ে অনুসন্ধান করি তখন ফলাফল হিসেবে পেজের ইউআরএল, টাইটেল এবং ডেসক্রিপশন দেখতে পাই। টাইটেল এবং ডেসক্রিপশন দেখে আমরা অনুসন্ধানের ফলাফল থেকে সঠিক ফলাফলটিতে ক্লিক করি। অনপেজ এসইও’র জন্য পেজের ইউআরএল, টাইটেল এবং ডেসক্রিপশন খুবই গুরুত্তপূর্ণ। এই পর্বে টাইটেল এবং ডেসক্রিপশন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। অন্য পর্বে ইউআরএল নিয়ে আলোচনা করবো।

অনপেজ এসইও

পেজ টাইটেল

পেজ টাইটেলে সাধারণত পেজের নাম লেখা হয়। পেজের টাইটেল লেখার জন্য টাইটেল ট্যাগ ব্যবহার করতে হয়। এই ট্যাগের ভিতরে আপনি যা লিখবেন তা আপনার ব্রাউজারের ট্যাবে দেখতে পাওয়া যাবে। যেমন:

পেজ টাইটেল

পেজ টাইটেল লেখার নিয়ম

পেজ টাইটেলে পেজ সম্পর্কে লিখতে হয়। তাই পেজ সম্পর্কে সাজিয়ে ছোট করে লিখতে হবে। টাইটেলের প্রথম দিকে সঠিক কিওয়ার্ড দিয়ে শুরু করতে হবে। প্রত্যেক পেজের জন্য আলাদা এবং ইউনিক টাইটেল লিখতে হবে। টাইটেল খুব ছোট করেও লেখা যাবে না আবার বেশি বড়ও করা যাবে না। সার্চ ইঞ্জিন শুধুমাত্র পেজ টাইটেলের প্রথম ৬০ অক্ষর দেখায়। তাই ৫০ থেকে ৬০ অক্ষরের মধ্যে লিখতে হবে। অস্পষ্ট টাইটেল এড়িয়ে চলতে হবে। শব্দ গুচ্ছ কমা দিয়ে লেখা যাবে না, বাক্য লিখতে হবে। অনেক সময় এক পেজ থেকে অন্য পেজ পৃথক করতে টাইটেল আলাদা করে লিখতে হয়। টাইটেল আলাদা করে লেখার জন্য অনেকে বিভিন্ন প্রতীক ব্যবহার করে থাকে। আসলেই সব প্রতীক ব্যবহার করা উচিত না। শুধু মাত্র নিচে উল্লেখ করা প্রতীক গুলো ব্যবহার করা উচিত।

মেটা ডেসক্রিপশন

মেটা ডেসক্রিপশনে সাধারণত পেজের সারসংক্ষেপ লেখা হয়। মেটা ডেসক্রিপশন লেখার জন্য মেটা ট্যাগ ব্যবহার করতে হয়। এই ট্যাগ টাইটেল ট্যাগের থেকে একটু ভিন্ন। মেটা ট্যাগের ভিতরে বিভিন্ন এট্রিবিউট থাকে। তবে মেটা ডেসক্রিপশন লেখার জন্য নেম এবং কনটেন্ট এট্রিবিউট ব্যবহার করা হয়। মেটা ডেসক্রিপশন লেখার জন্য প্রথমে মেটা ট্যাগ দিয়ে শুরু করতে হবে। এরপর মেটা ট্যাগের নেম এট্রিবিউটের ভিতরে ডেসক্রিপশন লিখতে হবে এবং কনটেন্ট এট্রিবিউটের ভিতরে পেজের সারসংক্ষেপ লিখতে হবে। আর কনটেন্ট এট্রিবিউটের ভিতরে আপনি যা লিখবেন তা সার্চ ইঞ্জিন দেখাবে। যেমন:

মেটা ডেসক্রিপশন

মেটা ডেসক্রিপশন লেখার নিয়ম

মেটা ডেসক্রিপশনে পেজ সম্পর্কে সারসংক্ষেপ লিখতে হবে, তাই প্রথমে পেজ সম্পর্কে সারসংক্ষেপ সাজিয়ে নিতে হবে। সারসংক্ষেপ এর ভিতরে সঠিক কিওয়ার্ড দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করতে হবে। এর বেশি ব্যবহার করা যাবে না। প্রত্যেক পেজের বিষয় বস্তু কখনো এক হবে না তাই আলাদা এবং ইউনিক সারসংক্ষেপ লিখতে হবে। সারসংক্ষেপ খুব ছোট করেও লেখা যাবে না আবার বেশি বড়ও করা যাবে না। সার্চ ইঞ্জিন শুধুমাত্র মেটা ডেসক্রিপশনের প্রথম ১৫০-১৬০ অক্ষর দেখায়। তাই ৫০ থেকে ১৬০ অক্ষরের মধ্যে লিখতে হবে। অস্পষ্ট সারসংক্ষেপ এড়িয়ে চলতে হবে। শব্দ গুচ্ছ কমা দিয়ে লেখা যাবে না, বাক্য লিখতে হবে। সার্চ ইঞ্জিনকে এক ধরণের সারসংক্ষেপ আর ব্যবহারকারীকে অন্য ধরণের কনটেন্ট দেখানো যাবে না। তাই সব চেয়ে ভালো উপায় হল পেজের ভিতরে থাকা কনটেন্ট থেকে সারসংক্ষেপ বাছাই করা।

আরও পড়ুন:
এসইও : পর্ব ১

এসইও : পর্ব ২

 

Leave a Reply