এসইও: পর্ব ২ – ওয়েবমাস্টার গাইডলাইন

‘এসইও’ ধারাবাহিকের আজ দ্বিতীয় পর্বে থাকছে ওয়েবমাস্টার গাইডলাইন। সার্চ ইঞ্জিন এর বিভিন্ন নীতিমালা এবং ব্যবহারকারীর কথা মাথায় রেখে কীভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে, সেসব বিষয় নিয়েই আজকের পর্ব।

ওয়েবমাস্টার কি?

যে ব্যক্তি এক বা একাধিক ওয়েবসাইট রক্ষণাবেক্ষণ এর কাজ করে থাকে তাকে ওয়েবমাস্টার বলে। ওয়েবমাস্টারের দায়িত্বগুলির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে: ওয়েব সার্ভার, হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা নিশ্চিত করা, ওয়েবসাইট ডিজাইন করা, ওয়েবসাইট এর পেজ তৈরী এবং সংশোধন করা, বিভিন্ন সফটওয়্যার এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটের ট্র্যাফিক পরীক্ষা করা ইত্যাদি। এসইও এর কাজ গুলো ওয়েবমাস্টার করে থাকে। সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে ওয়েবমাস্টারের জন্য নিদিষ্ট্ৰ একটি পেজ থাকে, যেখানে রেজিস্ট্রেশন করে ওয়েবমাস্টার তার ওয়েবসাইট যুক্ত করতে পারে, সার্চ ইঞ্জিন থেকে অপ্রয়োজনীয় পেজ অপসরণ ইত্যাদি কাজ করতে পারে।

ওয়েবমাস্টার

ওয়েবমাস্টার গাইডলাইন

প্রথমত সার্চ ইঞ্জিনের কথা মাথায় রেখে নয় ব্যবহারকারীর কথা মাথায় রেখে ওয়েবসাইটের পেজ তৈরি করতে হবে এবং ব্যবহারবান্ধব হতে হবে। ব্যবহারকারীর উপকারে আসবে এমন ইউনিক এবং তথ্যসমৃদ্ধ গুরুত্বপূর্ণ কনটেন্ট তৈরি করতে হবে। ইমেজ এ অল্ট ট্যাগ এর ব্যবহার করতে হবে। পেজের টাইটেল কনটেন্টের সঙ্গে মিল রাখতে হবে। সুনির্দিষ্ট কিওয়ার্ড ব্যবহার করে ইউআরএল তৈরি করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাক্টিভিটি এবং সোশ্যাল শেয়ার অরগানিক র‌্যাঙ্ক পেতে সাহায্য করে। তাই সোশ্যাল মিডিয়াতে একটিভ থাকতে হবে এবং বেশি করে সোশ্যাল শেয়ার করতে হবে। ওয়েবসাইটের গতি দ্রুত করতে হবে। যাতে করে দ্রুত পেজ লোড হয়। গতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা ইউজার এক্সপেরিয়েন্স এবং র‌্যাঙ্ক বৃদ্ধি করে। ব্যবহারকারীর সঙ্গে কখনো প্রতারণা করা যাবে না। বিভিন্ন ধরনের স্প্যাম ‍পদ্ধতি অনুসরণ করে র‌্যাঙ্কিং বৃদ্ধি করার চেষ্টা করা যাবে না। অটোমেটিক জেনারেটেড কনটেন্ট তৈরি করা যাবে না। অন্য কারো কনটেন্ট কপি করে তা ব্যবহার করা যাবে না। সার্চ ইঞ্জিনকে একধরনের কনটেন্ট আর ব্যবহারকারীকে আরেক ধরনের কনটেন্ট দেখানো যাবে না। লিংক স্কিম এর অপব্যাবহার করা যাবে না। পপ-আপ বিজ্ঞাপন অর্থাৎ পেজে ক্লিক করলে রি-ডাইরেক্ট করে অন্য কোনো ওয়েবসাইটে নিয়ে যায় এমন বিজ্ঞাপন ব্যবহার করা যাবে না। অনেক সার্চ ইঞ্জিন পপ-আপ বিজ্ঞাপন পছন্দ করে না। ওয়েবসাইটের জন্য সাইটম্যাপ এবং রোবোটস ফাইল ব্যবহার করতে হবে। প্রচুর পরিমাণে কিওয়ার্ড নিয়ে গবেষণা করতে হবে।

আরও পড়ুন:
এসইও : পর্ব ১

Leave a Reply