বাজারে এল বিশ্বের সর্বপ্রথম 5G ফোন !

0 924
This entry is part 36 of 36 in the series এন্ড্রয়েড জোন

s10-5g-2019 mmteech24

3G, 4G পর এবার বাজারে এল 5G ফোন। ইলেকট্রনিকস সামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্যামসাং দক্ষিণ কোরিয়ায় বিশ্বের প্রথম 5G প্রযুক্তি সমর্থিত মোবাইল উন্মোচন করেছে। এই ফোনের নাম হলো—গ্যালাক্সি এস১০ ৫জি। এটিই বিশ্বের প্রথম মোবাইল, যাতে বিল্ট ইন 5G প্রযুক্তি রয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, গত বুধবার বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে বাণিজ্যিকভাবে 5G প্রযুক্তি সেবা সরবরাহ শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটিতে তিনটি কোম্পানি ব্যবহারকারীদের এত দ্রুতগতির ইন্টারনেট–সেবা দিচ্ছে যে পুরো একটি সিনেমা ডাউনলোড করতে এক সেকেন্ডেরও কম সময় লাগছে!

অবশ্য দক্ষিণ কোরিয়ায় চালুর কয়েক ঘণ্টা পরই যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় টেলিকম প্রতিষ্ঠান ভেরাইজন শিকাগোসহ দুটি শহরে বাণিজ্যিকভাবে 5G সেবা দেওয়া শুরু করে। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে ১২টি শহরে বাছাইকৃত কিছু ব্যবহারকারীদের জন্য 5G সেবা উন্মুক্ত করেছিল ভেরাইজনের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানি এটিঅ্যান্ডটি।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, আজ শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার তিনটি মোবাইল কোম্পানি এসকে টেলিকম, কেটি ও এলজি ইউপ্লাস পুরো সিউলজুড়ে নতুন 5G ফোন গ্যালাক্সি এস১০ ৫জি-এর প্রচারণা চালায়।

5G প্রযুক্তি সমর্থন করা এই ফোনের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি (কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে দেখা, শোনা, ছোঁয়া ও ঘ্রাণ নেওয়ার মতো সংবেদনশীল অভিজ্ঞতা) ডিসপ্লে ও ইন্টারনেটের দ্রুতগতি। বিশেষ করে সরাসরি সম্প্রচারিত খেলা দেখা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন এই ফোনের কার্যকারিতা নিয়ে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ব্যবহারকারীরা।

৩৮ বছর বয়সী একজন ক্রেতা শিম জি-হাই বলেছেন, ‘আমি প্রায়ই মোবাইলে ভিডিও, সিনেমা ও লেকচার শুনে থাকি। আশা করছি দ্রুতগতির এই নেটওয়ার্ক আমার সময় বাঁচাতে সাহায্য করবে।’ আরেক ব্যবহারকারী বলছেন, তিনি এই ফোনটির ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) কনটেন্ট নিয়েই বেশি রোমাঞ্চিত।

ফাইভ–জি প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু নিয়ে গবেষক লি সাং-ইউন এএফপিকে বলেছেন, ‘ফাইভ–জি আসায় এখন ভিআর কনটেন্ট আরও বাস্তবভাবে, দ্রুত সময়ে ও ভালো রেজল্যুশনে উপভোগ করা যাবে।’

স্যামসাংয়ের আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী এলজি এ মাসেই তাদের ফাইভ–জি প্রযুক্তিসম্পন্ন ফোন ‘ভি৫০ থিংকিউ’ বাজারে আনতে চলেছে। লন্ডনভিত্তিক সংস্থা গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশনস বলছে, ফাইভ–জি আসায় ২০৩৪ সালের মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনীতির লাভের খাতায় যুক্ত হতে পারে প্রায় ৫৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় ফাইভ–জি আসার পর কিছুটা দুশ্চিন্তায় পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। চীননিয়ন্ত্রিত টেলিকম কোম্পানি হুয়াওয়ের ফাইভ–জি সলিউশনকে বর্জন করার জন্য বন্ধুরাষ্ট্রগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করছে দেশটি। অবশ্য দক্ষিণ কোরিয়ায় যে তিনটি কোম্পানি ফাইভ–জি সেবা দেওয়া শুরু করেছে, তাদের মধ্যে দুটি কোম্পানি তাদের ফাইভ–জি নেটওয়ার্কে হুয়াওয়ের প্রযুক্তি ব্যবহার করে না। কিন্তু এলজি ইউপ্লাস কোম্পানিটি তাদের ফাইভ–জি নেটওয়ার্কে হুয়াওয়ের প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকে।

আমার ওয়েব সাইট ( www.mmTech24.com )।

Series Navigation<< অ্যান্ড্রয়েড ফোন হারিয়ে গেলে খুজে বের করার টিপস । না দেখলে বড় মিস ।দেখে নিন কিভাবে বিভিন্ন ফোনে স্ক্রীনশট নিতে হয় । >>

উত্তর দিন