উইন্ডোজ ১০ লাইসেন্স সম্পর্কে বিস্তারিত

0 1,994

উইন্ডোজ ১০ হচ্ছে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমএর সর্বশেষ সংস্করণ। আমরা সবাই উইন্ডোজ লাইসেন্স সম্পর্কে কম-বেশি শুনেছি। লাইসেন্স আপনার কম্পিউটারের উইন্ডোজকে সক্রিয় করে যাতে আপনি কোন সীমাবদ্ধতা ছাড়াই এটি ব্যবহার করতে পারেন। উইন্ডোজের লাইসেন্স বিভিন্ন জায়গা থেকে কেনা যায়। যেমনঃ মাইক্রোসফটের দোকান, কম্পিউটার বিক্রির দোকান ইত্যাদি।

উইন্ডোজ ১০ লাইসেন্স এর ধরন

লাইসেন্স তিন ধরণের হয়ে থাকে। যেমনঃ রিটেইল, ওইএম এবং ভলিউম লাইসেন্সিং।

রিটেইল (Retail)

মাইক্রোসফটের দোকান বা খুচরা বিক্রেতার থেকে উইন্ডোজ ১০ লাইসেন্স কিনলে এই ধরনের কী পাওয়া যায়। রিটেইল কী সাধারণত ২৫টি ইংরেজি বর্ণমালা এবং সংখ্যা মিশ্রিত হয়ে থাকে। এই লাইসেন্স কী গুলো অন্য কম্পিউটারে ব্যাবহার করা যায়।

ওইএম (OEM)

ওইএম (OEM) এর পূর্ণরূপ অরজিনাল ইকিউপমেন্ট ম্যানুফ্যাকচার। কম্পিউটার নির্মাতারা মাইক্রোসফটের সাথে একটি চুক্তি করেছে। যাতে করে তারা কম্পিউটারের সাথে একটি সক্রিয় উইন্ডোজ কম দামে বিক্রি করতে পারে। এই ধরনের কম্পিউটার গুলোতে উইন্ডোজ পুনরায় ইনস্টল করতে লাইসেন্স কী প্রয়োজন হয় না। ইউইএফআই (UEFI) ফার্মওয়্যার চিপের ভিতরে ওইএম লাইসেন্স কী থাকে। এর মানে হল যে আপনার কম্পিউটারে ব্যবহৃত ওইএম কী অন্য কোন কম্পিউটারে ব্যাবহার করা যাবে না।

ভলিউম লাইসেন্সিং (এমএকে / কেএমএস)

এন্টারপ্রাইজ ভলিউম লাইসেন্সিং প্রোগ্রামের অধীনে প্রচুর পরিমাণে উইন্ডোজ লাইসেন্স কেনা যায়। এমএকে (মাল্টিপল এক্টিভেসন কী) এবং কেএমএস (কী ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস) এই দুই ধরনের লাইসেন্স এই প্রোগ্রামের অধীনে হয়ে থাকে। আপনি শুধুমাত্র একবার এমএকে কী ব্যবহার করতে পারবেন, যেখানে কেএমএস কীগুলি আবার ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এই ক্ষেত্রে কম্পিউটার মালিকানা পরিবর্তন করলে পরবর্তীতে অন্য কম্পিউটারে আর ব্যাবহার করা যায় না। এই ধরনের লাইসেন্স কী গুলো নিদ্রিস্ট সময় পর্যন্ত ব্যাবহার করা যায়। এরপর আবার রিনিউ করতে হয়।

উত্তর দিন