EaseUS Todo Backup সহজ এবং উইন্ডোজ ১০/৮.১/৮/৭/ভিস্তার জন্য পাওয়ারফুল ব্যাকআপ সফটওয়্যার উইন্ডোজ [রিভিউ]

0 887

এটি একটি Sponsored পোস্ট। এই Sponsored পোস্টটির নিবেদন করছে ‘EaseUS‘ Sponsored পোস্ট by PC Helpline BD Ads | পিসি হেল্পলাইন বিডিতে বিজ্ঞাপণ দিতে ক্লিক করুন এখানে

আপনার কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ সকল  ফাইল গুলোকে ব্যাকআপ রাখা প্রয়োজন। হার্ড ড্রাইভ ব্যাকআপ করে রাখলে অনাকাঙ্ক্ষিত হার্ড ড্রাইভ ক্র্যাশ বা ভুল করে কোন ফাইল ডিলিট হয়ে যাওয়া ফাইল পুনরায় পাওয়া সম্ভব। ধরুন আপনার হার্ড ড্রাইভের কোথাও কোন সমস্যা নেই, তবুও কোন কারণে হার্ড ড্রাইভ ক্র্যাশ করতে পারে। তাই ডাটা লস থেকে বাঁচতে হলে অবশ্যই হার্ড ড্রাইভ ব্যাকআপ রাখতে হবে।

আর এই ব্যাকআপের কাজ গুলো যদি EaseUS Todo Backup এর মতো পাওয়ারফুল সফটওয়্যার করে দেয়, তাহলে আপনার কাজ গুলো অনেকটা সহজ হয়ে যাবে।

EaseUS Todo Backup

ডাটা ব্যাকআপ প্রোগ্রাম হিসেবে EaseUS Todo Backup একটি অসাধারণ সফটওয়্যার। অটোমেটেড ডাটা ব্যাকআপ আর সিম্পল ইউজার ইন্টারফেস এই সফটওয়্যারটিকে ব্যবহার করার চাহিদা বাড়িয়ে দেয়। এই সফটওয়্যারটি যেকোনো সাধারণ ডাটা ব্যাকআপ সফটওয়্যারের মতো শুধু ফাইল, ফোল্ডার, মেইল ইত্যাদি ব্যাকআপ করে না সাথে সম্পূর্ণ হার্ড ড্রাইভ, পার্টিশন, এমনকি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস পর্যন্ত ব্যাকআপ করতে পারে। এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা সহজ, কেনোনা এতে রয়েছে সিম্পল ইউজার ইন্টারফেস যার ফলে আপনার ব্যাকআপ এর কাজ হয়ে উঠে পানির মতো সহজ। সফটওয়্যার’টি আরো স্ট্যান্ডার্ড ফিচার সমর্থন করে। যেমন- কমপ্রেশন, এবং ইমেইল নোটিফিকেশন—তবে এই ফিচার গুলো ফ্রী ভার্সনে খুঁজে পাবেন না। EaseUS Todo Backup সফটওয়্যারটি আপনার নতুন হার্ড ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম মাইগ্রেট করা বা হার্ড ড্রাইভ ক্লোন করার ক্ষেত্রেও সাহায্য করে। ধরুন, আপনার পুরাতন হার্ড ড্রাইভ’টি নষ্ট প্রায়, কিংবা আপনি চাচ্ছেন আগের হার্ড ড্রাইভ পরিবর্তন করে নতুন এবং বড় সাইজের হার্ড ড্রাইভ কিনবেন, সেই ক্ষেত্রে EaseUS Todo Backup সফটওয়্যারটি আপনার কাজ গুলোকে অনেকটা সহজ করে দেবে। আপনাকে কোনই ডাটা লস করতে হবে না। আর এর জন্য সফটওয়্যারটির ডিস্ক ক্লোনিং নামক অসাধারণ ফিচারকে ধন্যবাদ দেওয়া প্রয়োজন। ডিস্ক ক্লোনিং মানে হচ্ছে আপনার পুরাতন হার্ড ড্রাইভ থেকে বিট-বাই-বিট ডাটা উঠিয়ে একটি নির্ভুল কপি তৈরি করা এবং নতুন হার্ড ড্রাইভে ডাটা গুলোকে এক্সট্রাক্ট করে দেওয়া। একবার কি চিন্তা করেছেন এই অসাধারণ ফ্রী সফটওয়্যারটি আপনার কতোটা ঝামেলা কমিয়ে দিতে পারে! মাত্র আধা থেকে ১ ঘন্টার মধ্যে আপনার সম্পূর্ণ প্রসেস শেষ হয়ে যাবে। তবে মনে রাখবেন আপনার ডাটা যদি বেশি পরিমান হয় সেক্ষেত্রে বেশি সময় লাগতে পারে, তবে ম্যানুয়ালি অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করা বা একের পর এক ফাইল ট্র্যান্সফার করার চেয়ে এটি সব চেয়ে পদ্ধতি।

এই মুহূর্তে এই অসাধারণ ডাটা ব্যাকআপ সফটওয়্যারটির ফ্রি ভার্সন পাওয়া যাচ্ছে। পেইড ভার্সন মাত্র $২৯ ডলারে কিনতে পাবেন। যেটার দাম বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৳২,৪৪০  টাকার মতো। ব্যবসার জন্য সফটওয়্যার’টিকে কিনতে চান তো $৩৯ ডলার খরচ করতে হবে যেটা প্রায় ৳৩,২৮২ টাকার সমতুল্য প্রাইস। সবচাইতে ভালো কথা হচ্ছে এটি উইন্ডোজের প্রায় যেকোনো ভার্সন যেমন- উইন্ডোজ ১০/৮.১/৮/৭/ভিস্তা —সবকিছু’কেই সমর্থন করে।

ফ্রি এবং প্রো ভার্সন এর পার্থক্য

এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে তৈরি করা ব্যাকআপ ফাইলটি PBD নামক একটি সিঙ্গেল ফাইলের মধ্যে সংরক্ষিত হয় যেটাকে আপনি লোকাল হার্ড ড্রাইভ, নেটওয়ার্ক ড্রাইভ, কিংবা এক্সটার্নাল হার্ড ড্রাইভে সেভ করতে পারবেন। হ্যাঁ, অবশ্যই সফটওয়্যারটি ক্লাউড ব্যাকআপ সমর্থন করে।আপনার পছন্দের যেকোনো ক্লাউড সার্ভিসে লগইন করুন, যেমন- গুগল ড্রাইভ, ড্রপবক্স, ওয়ানড্রাইভ, ইত্যাদি আর সফটওয়্যারটি ব্যাকআপ ফাইল ক্লাউডে পাঠিয়ে দেবে।

নিচে এই সফটওয়্যারটির সম্পূর্ণ ফিচার গুলোকে তুলে ধরা হলঃ

  • EaseUS Todo Backup —সফটওয়্যারটি উইন্ডোজের প্রায় যেকোনো ভার্সন সমর্থন করে, যেমন- উইন্ডোজ ১০/৮.১/৮/৭/ভিস্তা এবং হ্যাঁ, এটি উইন্ডোজ এক্সপি’তেও কোন প্রকারের সমস্যা ছাড়াই চলতে পারে।
  • আপনি ব্যাকআপ ফাইলটিকে আলদা কাস্টম সাইজে টুকরা করতে পারবেন, এতে স্টোরেজ ম্যানেজ করতে অনেক সুবিধা হবে আপনার।
  • যখন ব্যাকআপ প্রসেস চলবে সেই মুহূর্তে সফটওয়্যারটি কতোটা আপনার কম্পিউটার প্রসেসর পাওয়ার ব্যবহার করবে সেটা সেট করে দিতে পারবেন। ফলে ব্যাকআপ প্রসেস চলার সময়ও আপনার কম্পিউটারের পারফর্মেন্স হারিয়ে যাবে না!
  • আপনি ব্যাকআপ রীড/রাইট স্পীড’কেও কাস্টম রেটে লিমিট করে দিতে পারবেন। এতে অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন গুলো স্লো হয়ে পড়বে না।
  • স্মার্ট ব্যাকআপ ফিচারটি স্মার্টলি কাজ করে আপনার সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয় ব্যাকআপ গ্রহন করার সময় কোন ফাইল পরিবর্তন হয়ে গেলে সেটাকে মনিটর করার ক্ষমতা রাখে।
  • সফটওয়্যারটি কম্প্রেসিং ব্যাকআপ কেও সমর্থন করে।
  • আপনার উইন্ডোজ স্টার্ট হওয়ার আগেই আপনি EaseUS Todo Backup সফটওয়্যার’টিকে রান করাতে পারবেন। এই ফিচারটি ব্যবহার করার জন্য কোন ডিভিডি বার্ণ, বা ইউএসবি ড্রাইভের প্রয়োজন নেই আর এই ফিচারটির মাধ্যমে আপনি ডিস্ক/পার্টিশন/সিস্টেম ব্যাকআপ নিতে পারবেন।
  • ব্যাকআপ তৈরি করার সময় আপনি হার্ড ড্রাইভ বা পার্টিশনের প্রত্যেকটি সিঙ্গেল সেক্টর ব্যাকআপ রাখতে পারবেন। এতে সোর্সের হুবহু ব্যাকআপ ড্রাইভ বানানো সম্ভব।
  • যদি ব্যাকআপ প্রসেস অনেক লং হয়ে যায় আর আপনি যদি না চান কম্পিউটারের সামনে বসে থাকতে তো নো টেনশন! ব্যাকআপ জব সফটওয়্যার’টির হাতে ছেড়ে দিন, ব্যাকআপ শেষে সফটওয়্যারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার কম্পিউটার অফ করে দেবে।
  • আপনি সম্পূর্ণ হার্ড ড্রাইভ/পার্টিশন ব্যাকআপ করার পরেও রিস্টোর করার সময় নির্দিষ্ট যেকোনো ফাইল পছন্দ করে রিস্টোর করতে পারবেন।
  • ব্যাকআপ মিস হয়ে গেলে সফটওয়্যারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে শুরু করতে পারে।
  • ডিস্ক বা পার্টিশন ক্লোন আপনি সরাসরি আলাদা ড্রাইভে লাইভ প্রসেসে করতে পারবেন। এতে প্রথমে ব্যাকআপ ইমেজ তৈরি না করলেও চলবে।
  • সিস্টেম ব্যাকআপ নেওয়ার পরে সেটাকে ইউএসবি ড্রাইভে বা পেনড্রাইভে রিস্টোর করার মাধ্যমে পোর্টেবল উইন্ডোজ ভার্সন তৈরি করতে পারবেন।
  • আপনি যেকোনো ব্যাকআপ প্লানের সাথে বর্ণনা যুক্ত করে রাখতে পারবেন। এতে পরে ব্যাকআপ ফাইল গুলো ম্যানেজ করতে সুবিধা হবে।
  • সার্চ এবং ফিল্টার ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি নির্দিষ্ট ব্যাকআপ ফাইল খুঁজে পেতে পারবেন এবং রিস্টোর করতে পারবেন।
  • যেকোনো ব্যাকআপকে আপনি ভার্চুয়াল ড্রাইভে রিস্টোর করতে পারবেন, এতে ব্যাকআপকে কপি, পেস্ট, এডিট করতে পারবেন কোন টেনশন ছাড়াই!
  • ব্যাকআপ তৈরি করার আগেই এতে একটি ক্যালকুলেটর রয়েছে যেটা আপনার ব্যাকআপ সাইজ কতো হবে সেটা মাপতে সাহায্য করে। সাইজ অনুসারে আপনি ধারণা পেয়ে যাবেন যেখানে ব্যাকআপ ফাইল সেভ করবেন সেখানে ঠিকঠাক স্পেস ফ্রী রয়েছে কিনা।
  • আপনি শিডিউল ব্যাকআপ রান করাতে পারবেন।
  • আপনার ব্যাকআপ সেভ করার ফোল্ডারে যদি পর্যাপ্ত পরিমানে স্পেস ফাঁকা না থাকে সে ক্ষেত্রে আপনাকে ম্যাসেজ প্রদান করবে এবং আপনার ব্যাকআপ ফাইল হোল্ড করে রাখবে, স্পেস ফাঁকা করার পরে ব্যাকআপ সেভ করতে আরম্ভ করবে।
  • সফটওয়্যারটির লগ থেকে যেকোনো জব সম্পর্কে তথ্য পেয়ে যাবেন, এটি ব্যাকআপ ফেইল রেকর্ডও জমা করে রাখে।
  • শুধু ডাটা ব্যাকআপ নয় বরং ডাটা চিরতরে ইরেজ করে দেওয়ার জন্যও এই টুলটি ব্যবহার করতে পারেন।
  • স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রোগ্রাম আপডেট চালু হয়ে যাবে মানে আপনাকে প্রোগ্রাম আপডেট করার জন্য বারবার ওয়েবসাইট ভিজিট করে আপডেটেড ভার্সন সফটওয়্যার ডাউনলোড করে ম্যানুয়ালি ইন্সটল করার প্রয়োজন পড়বে না।

ব্যাস, এই ছিল সফটওয়্যারটির সম্পর্কে সম্পূর্ণ রিভিউ এবং আমরা চেষ্টা করেছি সফটওয়্যারটির প্রত্যেকটি খুঁটিনাটি বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করার জন্য। এই পোস্ট থেকে নিশ্চয়ই সফটওয়্যারটির সম্পর্কে আপনার পরিষ্কার ধারণা হয়ে গিয়েছে। আর ধারণা নেওয়ার জন্য সফটওয়্যারটি ইন্সটল করে দেখতে পারেন। চিন্তার কোন কারণ নেই কেনোনা সফটওয়্যারটির ফ্রী ভার্সন আছে। আর যদি প্রো-ভার্সন ব্যবহার করতে চান সেক্ষেত্রে সফটওয়্যারটি কিনে ফেলতে পারেন।

এই লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন

এটি একটি Sponsored পোস্ট। এই Sponsored পোস্টটির নিবেদন করছে ‘EaseUS‘ Sponsored পোস্ট by PC Helpline BD Ads | পিসি হেল্পলাইন বিডিতে বিজ্ঞাপণ দিতে ক্লিক করুন এখানে

উত্তর দিন