প্লে স্টোর থেকে Ridmik ও ইউনিবিজয় কীবোর্ড অপসারণ! বিজয় কিবোর্ডের জনক মোস্তফা জব্বার কে নিন্দার ঝড়!

0 253

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে বাংলা লেখার জনপ্রিয় অ্যাপ (Ridmik)রিদ্মিক এবং ইউনিবিজয় গুগল প্লে স্টোর থেকে অপসারণ করেছে গুগল কর্তৃপক্ষ। বিজয় কীবোর্ডের কপিরাইট লঙ্ঘন করায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে গুগল।

এর আগে গত মাসের ১৯ তারিখে গুগল প্লে স্টোরে উন্মুক্ত করা হয় বিজয় বাংলা সফটওয়্যারের অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ। এরপর এই অ্যাপটি নিয়ে নিজের ওয়ালে একটি স্ট্যাটাস দেন মোস্তাফা জব্বার। সেই স্ট্যাটাসে এই জাতীয় অ্যাপগুলোর বিরুদ্ধে বিজয় বাংলা কীবোর্ড লেআউট অবৈধভাবে ব্যবহারের অভিযোগ তোলেন তিনি।

গুগল প্লে স্টোর থেকে রিদ্মিক কীবোর্ড অপসারণ করতে অভিযোগ করেছিলেন কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে মোস্তাফা জব্বার জানান, “এক্ষেত্রে আমার অভিযোগ জানানোর তো কোন প্রয়োজন পড়ছে না। গুগল নিজেই কপিরাইট আইন নিয়ে খুব সচেতন। আর তাই হয়তোবা তারাই এই অ্যাপ দুইটি অপসারণ করেছে। এমনও হতে পারে যে, কোন ইউজার এই ব্যাপারে গুগলের কাছে অভিযোগ করেছে।”

অ্যাপ অপসারণের বিষয়ে ইউনিবিজয় অ্যাপের ডেভেলপার আরিফ রহমান জানান, “গুগলের এই সিদ্ধান্তে আমি বিস্মিত হয়েছি।” তিনি আরও জানান, অ্যাপটি তৈরিতে ইউনিজয় লেআউট ব্যবহার করা হয়েছিল।

তবে গুগলের পক্ষ থেকে রিদ্মিক এবং ইউনিবিজয় কীবোর্ডের ডেভেলপারের কাছে পৃথকভাবে ইমেইল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, মোস্তাফা জব্বার অ্যাপ দুটির বিরুদ্ধে কপিরাইট লঙ্ঘনের অভিযোগ জানিয়েছেন গুগলের কাছে। আর এই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই গুগল যুক্তরাষ্ট্রের DMCA আইন অনুসারে অ্যাপ দুটি অপসারণ করেছে।

ridmik keyboard

এই দিকে বাংলা ভাষাকে কুক্ষিগত করার অভিযোগ এনে বিজয় কিবোর্ডের জনক মোস্তফা জব্বারের প্রতি নিন্দার ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেসবুক থেকে কিছু পোস্ট ও কমেন্টস হুবুহু তুলে ধরা হলোঃ

Akm Wahiduzzaman  লিখেছেনঃ গুগল প্লে থেকে জনপ্রিয় এন্ড্রয়েড এপ রিদমিক কি-বোর্ড বাতিল করানোর কারণে ‘মুক্তময়না’ মোস্তফা জব্বারের বিরুদ্ধে সবাই মুক্তমনে ‘বিজ্ঞানমনষ্ক’ ভাষা ব্যবহার করছে!

জব্বার সাহেব যখন গত মাসের ২২ তারিখে এন্ড্রয়েডের জন্য তার বিজয় কি-বোর্ড আনলেন তখনই এমন একটা কিছু ঘটবে বলে আশংকা করেছিলাম। তাই রিদমিক এর একটা ভার্সন মিডিয়াফায়ারে আপলোড করে রেখেছি। চাইলে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
https://www.mediafire.com/?a0amujdae9kmtvm

জব্বার সাহেবের বিজয় টেরাই করে দেখতে পারেন, এমন পচা এপস গুগল স্টোরে কিভাবে জায়গা পেলো সেটাও গবেষণার বিষয় হতে পারে। অবশ্য বিজ্ঞানমনষ্ক মুক্তমনা বলে কথা!
https://play.google.com/store/apps/details?id=bijoy.keyboard

এপসটি পছন্দ না হলে ১তারা রেটিং দিয়ে কমেন্ট করতে ভুলবেন না যেন। আমাদের হাতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা নেই। আমরা কেবল এভাবেই এই দুর্বৃত্তের হাতে একের পর এক বাংলা সফটওয়ার হত্যার প্রতিবাদ জানাতে পারি।

 

Aminul Islam লিখেছেনঃ

কাগুর রিপোর্ট এর কারনে Ridmik Lab এর রিদ্মিক কীবোর্ড গুগল প্লে স্টোর থেকে রিমুভ করে দেয়া হয়েছে।

কাগুর মত ফাউল একটা লোক জীবনেই দেখিনাই। সে তো বাংলার “স্টিভ জবস” হতে চাইছিলো কিন্তু পারে নাই বিধাই অনান্য সফটওয়্যার এর উপরে তার এইরকম হামলা।

তবে চিন্তার কোন কারন নাই, রিদ্মিক কিবোর্ড আবারো প্লে স্টোরে ফেরত আসবে। তাই এই কইদিনে আপনার সবাই কাগুর বিজয় ডাউনলোড করুন এর সুন্দর করে একখান তারকা ও ফাকিং কমেন্ট দিয়ে বলুন অভ্র রিদ্মিক -ই হচ্ছে বেস্ট সফটওয়্যার বাংলা লেখার জন্য অথবা যা ইচ্ছে বলতে পারেন।

জনগনের পাওয়ার কেমন, তা আবারোও কাগুর হাগু বের করে দেখিয়ে দিতে হবে আমাদের।

কাগুর সফটওয়্যারঃ https://play.google.com/store/apps/details?id=bijoy.keyboard

 

Mosharrof Rubel লিখেছেনঃ

কাগু বলছে মেধাস্বত্ব সংরক্ষন করছে! তবে কার মেধা সেটা কিন্তু বলেইনাই!

'কাগু বলছে মেধাস্বত্ব সংরক্ষন করছে! তবে কার মেধা সেটা কিন্তু বলেইনাই! ;)'

 

 

আজকে সকালে মোস্তফা জব্বার কাগু সাহেব (মোজো) এর রিপোর্টের বিপরীতে গুগল প্লে স্টোর থেকে রিদমিক কীবোর্ড মুছে ফেলা হয়েছে। কত নিচু পর্যায়ে গেলে এই কাজ করতে পারে মানুষ বুঝতেছি না।যাতে মানুষ সহজে ভাবে বাংলা টাইপ না করে তার প্রস্তর যুগিও দূরবোদ্ধ বাংলা কিবোর্ড ব্যাবহার করতে বাধ্য হয়।

তাই আসুন সবাই তাই প্লে স্টোরে “বিজয় কিবোর্ড” এর অ্যাাপস পেজে ধিক্কার জানিয়ে আসি। আসেন আমরা এটির জবাব দেই। কারন ও একজন লোভী মানুষ, টাকার জন্য এই অ্যাপস বিক্রি করবে।

তার অ্যাপ বিজয় কীবোর্ডকে ১ স্টার রেটিং দেই, কমেন্ট করি যে এটি বাজে কীবোর্ড, এর চেয়ে রিদমিক ভালো ভালো।

রিদ্মিক কীবোর্ড হারিয়ে যাবে না। Google Play তেই আবার আসবে, আশা রাখুন। আর যদি কোন কারনে না আসে, তবে আপনি যাতে সহজভাবে এটি পেতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হবে।

যারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন: বিজয় লেআউটের কপিরাইট লংঘনের অভিযোগ পেয়ে গুগল এটি প্লে স্টোর থেকে সরিয়ে দিয়েছে। যদিও রিদ্মিক কীবোর্ডে বিজয় লেআউট ব্যবহার করা হয় নি, ব্যবহার করা হয়েছে অভ্র ফোনেটিক, QWERTY, জাতীয় ও ইউনিজয়।

কাগু এটা পুনরায় ব্যবহার যোগ্য কভার ছবি।
এন্ড এটা কাগু মুক্ত এলাকা।

'কাগু এটা পুনরায় ব্যবহার যোগ্য  কভার ছবি।<br /><br />
এন্ড এটা কাগু মুক্ত এলাকা। :)'

 

বাংলা ভাই মোস্তফা জাব্বার একটা মাল। বাংলা ভাষা টা তেনার নামে কপিরাইট কইরা দিলেই হয়।
হাইকোর্টের একটা রুল জারি করে দেশে বিজয় কিবোর্ড ব্যাবহার করা বাধ্যতামূলক করা হোক। তাইলে মনে হয় মোজো কাগুর আত্মা শান্তি পাইত।

ভেজাইল্যা কিবোর্ড ‪#‎বিজয়‬ দিয়ে বাংলা লিখতে না পেরে যখন বাংলিশে লিখতে বাধ্য হতাম, তখন ‪#‎অভ্র‬ আমাকে সেই বিরক্তিকর দশা থেকে মুক্তি দিয়ে বাংলা লেখা শিখিয়েছে।

শুধু আমি না, লক্ষ লক্ষ মানুষ বাংলা লিখতে শিখেছে অভ্রের কারণে। মুক্ত সফটওয়্যার ও ব্যবহারের সহজলভ্যতার কারণে অভ্রের জনপ্রিয়তা যখন জ্যামিতিক হারে বাড়ছিল, মোস্তফা জব্বারের তখন সে কি হম্বিতম্বি!

মোবাইলের জন্য তখন ভালো কোন বাংলা কিবোর্ড ছিল না। ‪#‎হাসনাত‬ ভাই প্লে ষ্টোরে ‪#‎রিদ্মিক‬ নামের একটি কিবোর্ড ছাড়লেন। রিদ্মিকে ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা লেখার জন্য ফোনেটিক ও সাধারণ পদ্ধতি ছিল। মনে আছে, ‪#‎মেহেদী‬ ভাই তখন হাসনাত ভাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছিলেন, অভ্রেরও এমন মোবাইল কিবোর্ড তৈরির ইচ্ছা ছিল, কিন্তু হাসনাত ভাই যেহেতু বানিয়েই ফেলেছেন, রিদ্মিকের যে কোন সাহায্যের প্রয়োজন হলে তিনি করবেন।

আইটি বিশেষ অজ্ঞ মোস্তফা জব্বার হঠাৎ কম্পিটারের থেকে মোবাইলে নজর দিলেন। প্লে ষ্টোরে তার ভেজাইল্যা কিবোর্ড বিজয় অবমুক্ত করলেন। এরপর খেয়াল হলো, মোবাইলে রিদ্মিক হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয়। রিদ্মিক থাকলে কেউ আর বিজয় ব্যবহার করবে না। উনি গুগলের কাছে কান্নাকাটি শুরু করলেন যে রিদ্মিক হচ্ছে বিজয়ের নকল, সেটা যেন প্লে ষ্টোর থেকে ব্যান করে দেয়া হয় এবং আজ গুগল প্লে ষ্টোর থেকে রিদ্মিক কে তুলে দিয়েছে। রিদ্মিক কে একজন শুভেচ্ছা জানালেন, আর অন্যজন…

আমি যেহেতু ডান হাত ব্যবহার করে খাই, ডান হাত ব্যবহার করে খাওয়ার পদ্ধতি টা আমার কপিরাইট করে নেয়া উচিত। তা না হলে দেখা যাবে, মোস্তফা জব্বার একদিন ডান হাত ব্যবহার করে খাওয়ার পদ্ধতি কে তার নামে কপিরাইট করে নিয়েছে। আর তারপর থেকে কেউ যতবার ডান হাত ব্যবহার করে খাবে, মোস্তফা জব্বার ততবার রয়ালিটি পেতে চুক চুক করে জিহ্বা চাটবে!

 

Mohammad Saroar মোস্তফা জব্বার অভিযোগ করেছে বলে গুগল ই-মেইল পাঠিয়েছে। যেহেতু ‘বিজয় কী-বোর্ড’ ওনার প্যেটেন্ট করা, সেহেতু উনি অভিযোগ করতেই পারেন। কিন্তু অভিযোগের কথা অস্বীকার করার মতো ভন্ডামি কেনো?
মোস্তফা জব্বার নামের লোকটা আর মানুষ হইলো না। ‘ভন্ড’ আর ‘ব্যবসায়ী’-ই থেকে গেলো আজীবন!

Rajib Chowdhury কি করব? লেখালেখি করি। নিজেকে প্রকাশ করতে হয়। বাধ্য হয়ে বিজয় ব্যাবহার করি। আর কি হয় জানেন? পুরো বই প্রুফ করে ফেলার পর আউটলাইন না করলে বা কোনভাবে এটা অন্য পিসিতে নিলেই হল- শেষ সব শেষ। সব র হয়ে যায় ও। সব যুক্তবর্ণ ভেঙ্গে যায়। সব উলটাপালটা। লেখালেখি কিনবা প্রকাশনা র সাথে যারা আছে তারাই বিজয় এর এই কু দিক গুলোর ফলাফল ভোগ করে। আর আপনি নিজেকে এত মেধাবী মনে করেন তো নিজের এই সব ভুল গুলো ঠিক করেন না কেন? বিজয় যদি টাইপিং বান্ধব হত তাহলে সবাই এম্নিতেই ব্যাবহার করত। কেউ অভ্র ও ব্যবহার করত না। কেউ রিদিমিক ও বের করত না।

Fida Mehran একটা মজার ব্যাপার হচ্ছে, Mustafa Jabbar সাহেব যেই লে-আউট নিয়ে সবসময় আপত্তি তোলেন, তা সে রিদ্মিক-এই হোক আর অভ্রতেই হোক, তা হচ্ছে ‘ইউনিজয়’ লে-আউট। ইউনিজয় লে-আউট কিন্তু বিজয় লে-আউটের পুরো ডিট্টো কপি না। কিছু ভিন্নতা আছে বলে জানি। আমার জানায় ভুল থাকতে পারে।

এছাড়া ইউনিজয় লে-আউটে টাইপ করবার পদ্ধতিও কিন্তু ভিন্ন। বিজয় তে টাইপ করবার লজিক বেশ আনসাইন্টিফিক, আগে ই-কার দিয়ে পরে ‘ব’ লিখে ‘বিজয়’ শব্দটি লেখার বদলে ‘ব’ লিখে পরে ই-কার দেয়াটাই যুক্তিযুক্ত বলে মনে হয়। এখানেও কোন ভাষাগত গূঢ় তত্ত্ব থাকতে পারে যা আমি জানি না। সেজন্য মাফ করবেন। যা যৌক্তিক মনে হলো তাই বললাম।

এবার আসি আরেকটি প্রসঙ্গে। জব্বার সাহেব নিশ্চয়ই জানেন অভ্র আর রিদ্মিক, দুটিই দেশে বিদেশে সকলের কাছে তুমুল জনপ্রিয়। কিন্তু এই এপ্লিকেশনগুলো কি কারণে এতো সমাদৃত হলো? সেটা কি ইউনিজয় লে-আউটের জন্য? না কিন্তু। সেটা হয়েছে ফোনেটিক টাইপিং-এর জন্য। জানি, জব্বার সাহেব এখন বকাঝকা করবেন, “ভাষাতত্ত্ব -র ব্যাপারে কিছু বোঝো? মূর্খ কোথাকার। আমাদের ভাষাটার বারোটা বাজিয়ে দিলো। ইংরেজি ভুল ভাল বানান দিয়ে বাংলা লেখা শেখাচ্ছে। যা তা!!” জব্বার সাহেবকে বিনীত ভাবে বলতে চাই, যুগে যুগে মানুষ তাই গ্রহণ করেছে, যা তার জন্য সহজ, ব্যবহারযোগ্য, সার্বজনীন, রেপ্লিকেবল। মানছি ইংরেজি কীবোর্ডের যেমন লে-আউট আছে, বাংলারও তেমন থাকতেই পারে, আর তা আমরা জান পানি করে শিখতেই পারি। কিন্তু কেন শিখি নি, বলুন তো? কারণ আরো সহজ একটি পদ্ধতি আমাদের মন জয় করে ফেলেছে। যেভাবেই বাংলা লিখি না কেন, খেয়াল করে দেখুন, আমরা বানান কিন্তু ভুল লিখছি না।

আমি বেশ কয়েকটি বিদেশী ভাষাভাষীদের তাদের ভাষায় কম্পিউটারে লিখতে দেখেছি। এর মধ্যে আছে জাপানী ও চাইনিজ। তারা সবাই ফোনেটিক পদ্ধতিতে নিজস্ব ভাষায় টাইপ করে। বুঝতে পারি, তারাও ব্যাপারটি সহজ ও কনভেনিয়েন্ট বিধায়ই গ্রহণ করেছে।

তাই শেষ কথা হলো, যদি ইউনিজয় ও বিজয় কীবোর্ডের লে-আউটে কিছু মিল থাকে, আর তা নিয়ে আপত্তি ওঠে, তবে স্যামসাং আর এপলের মামলাতেও এপল জয়ী হওয়া উচিত। কারণ এপল যা দাবী করছিলো, তার সারমর্ম প্রায় এমন, ‘চারকোণা ডিজাইন উইথ রাউন্ডেড এঙ্গেল’ তাদের আবিষ্কার। তাই যারাই এমন ডিজাইনে ফোন বানাবে, তারাই চোর।

Hope I made some sense. Sorry if my lack of knowledge made me say something incorrect.

 

Mahmudul Islam জব্বার সাহেব আর কত ব্যাবসা করবেন? মানুষ এমনিতেই আপনার ওই বিজয় নামক অখাদ্য ভুলতে বসেছে। সেটাকে জোড় করে মানুষের মনে ঢুকানোর চেষ্টা করে লাভ কি?

মিলন এইচ স্বপন ভাই, উনি সেটা করতেই পারেন… কিন্ত উনি হচ্ছেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি’র প্রেসিডেন্ট এবং এই সরকারের ICT’র হোমরা চোমরা। উনার মুভ আরো স্মার্ট হওয়া উচিত ছিলো… এই লিঙ্কে গিয়ে দেখেন।

আসলে কিছু কিছু ভুল মানুষ ভুল জায়গায় বসে আসে। জাতি উনাদের মুল্যায়ন করবে যথার্থ ভাবেই, সেটা উনিও জানেন, এতটা বেকুব উনি না।

 

আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রে বাংলায় লেখা নাম, ঠিকানার জন্য বিজয় সফটওয়্যারের মালিক মোস্তফা জব্বার চেয়েছিলেন ৫ কোটি টাকা। অভ্র সফটওয়্যারের জনক মেহেদী হাসান খান অভ্র সফটওয়্যার দিয়েছিলেন, বিনামূল্যে।

মেহেদী হাসান খানকে এর জন্য কম হেনস্থা করা হয় নাই। মামলা, RAB এর ভয়, পেটেন্ট চুরির মিথ্যা অভিযোগ। জব্বার জয়ী হয়নি । জয়ী হয়েছিল অভ্র টিম, আর নির্বিঘ্নে বাংলায় লিখতে ইচ্ছুক জনতা। আন্দোলনের নাম ছিল “ভাষা উন্মুক্ত হবেই”।

ভাষা উন্মুক্ত হয়েছে, ফেসবুকে বাংলা ছড়িয়ে গেছে। murad takla samna ay, vondo tumake bal laga, amar pasay tak লেখালেখি আর সেই আগের মত নেই, অনলাইনে লিখে লিখে পাঠক এখন বইমেলার লেখক। প্রকাশ করছে নিজের মতাদর্শ। প্রকাশ করছে অনলাইনে কলাম, লিখে দিচ্ছে, “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি”। ছড়িয়ে দেয়ার শুরুটা ছিল অভ্রের।

জব্বারের মত ব্যবসায়ীরা টাকার লোভ ছাড়েনা, মেহেদীদের মতন সবার জন্য সফটওয়্যার বিনামূল্যে উন্মুক্ত করে বাংলা ভাষাকে ছড়িয়ে দেয়ার মতন উদারতা এদের নেই। ‘গতিদানব’ সুজনের মতন ‘বিশিষ্ট তথ্যপ্রযুক্তিবিদ’ মোস্তফা জব্বার আবারো মিথ্যা পেটেন্ট লংঘনের দায় নিয়ে হাজির হয়েছে, তাই এইবেলা নেমেছে ridmik keyboard এর বিরুদ্ধে। গুগল প্লে থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে বাংলা লেখার এই জনপ্রিয় কিবোর্ড। “হুবহু” মিল না থাকলে পেটেন্ট লংঘন হয় না, আইফোন আর সিম্ফোনি দুটোই চারকোনা হলেও আইফোন সিম্ফোনির পেটেন্ট লংঘন করেনা, অভ্র আর বিজয়ের ৮ টি বোতাম ভিন্ন সত্ত্বেও সেটি জব্বারকে বোঝানো যায়নি।

জব্বার, আপনার প্রাচীন ও জটিল “বিজয়” সফটওয়্যারের ব্যবসা আপনি করেন, কিন্তু যারা লেখালেখি করার জন্য বিনামূল্যে দিচ্ছে, তাদের পেছনে লেগে হয়রানি করার মানসিকতা ত্যাগ করেন, বিজয়ের প্রোগ্রামার মুনিরুল আবেদিন পাপ্পানা (বর্তমানে মাইক্রোসফটে) ভাইকে তার পারিশ্রমিক পর্যন্ত আপনি দেননি।

দরকারে এপিকে ফাইল ডাউনলোড করে অনলাইনে বাংলায় লিখবো, কিন্তু চিনে জোকের মতন লেগে থাকা ব্যবসায়ী জব্বারের হাতে অনলাইনে বাংলা ভাষাকে অবরুদ্ধ হতে দেব না।

ভাষা উন্মুক্ত হবেই।

 

স্মার্টফোনে যারা বাংলায় লেখি তারা প্রায় সবাইই রিদ্মিক কী বোর্ডে লেখি ( এই স্টাটাসটাও)

এই রিদমিক কী বোর্ড গুগল প্লে স্টোর থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে :O।

এবার আরেকটা ঘটনা বলি – বাংলা ফেসবুক তৈরি বা নবিশ পর্যায়ে কম্পিউটারে বাংলা লেখার পথিকৃত অভ্রু কী বোর্ড।

একবারে সোজা ইন্টারফেস বলা যায়।

এই অভ্রুর জন্মদাতার বিরুদ্ধে কপি রাইট আইনে মামলা হয়েছিল।
rab, পুলিশ দৌড়িয়েছিল তাকে।

ঘটনা কপি রাইট আইন :O।

দুই জায়গায় ঝামেলা করেন বিজয় এর জনক মোস্তফা জব্বার।

পেশাদার পর্যায়ে বাংলা প্রচলনে সেটা যথেস্ট অবদান রেখেছে।
বই, পত্রিকার পাতার বাংলা অনেক সুন্দর হয়েছে কিন্তু এর মানে এই না তিনি সব কিনে নিয়েছেন।

অভ্রু বা রিদমিক না আসলে সাধারণ পর্যায়ে বাংলা টাইপ রীতিমত অসম্ভব ছিল।

মোস্তফা জব্বারদের মত ব্যবসায়িক মনোঃবৃত্তির মানুষের জন্য আমাদের মেধাবী প্রোগ্রামাররা দেশের জন্য বিনামুল্যে কাজ করেও পুলিশের দৌড়ানি খান।

মোস্তফা জব্বারের অবদান যদি বাংলা টাইপিং এ থাকে তবে অভ্রু, রিদমিক এর নির্মাতাদেরও আছে যথেস্ট পরিমানে।

যাই হোক, হাজার টাকার অপারেটিং সিস্টেম ৫০ টাকার সিডিতে বিক্রি হলে কপিরাইট আইন নষ্ট হয় না।

ব্রডব্যান্ড দিয়ে সার্ভার থেকে মোস্তফা জব্বাররা সিনেমা নামালেও কপিরাইট আইন নষ্ট হয় না।

হয় শুধু কিছু তরুণ স্বেচ্ছাসেবকদের বেলায়

 

Ròni Riąlmś এত্ত জ্ঞানী জ্ঞানী কথা! আমি আর কি বলমু! তবে Ridmik গুগল প্লেস্টোর থেকে রিমুভ হলেও নেট সার্ভার থেকে ত আর রিমুভ হবেনা। ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কপি আছে। আমি অনুরোধ করব, প্লে-স্টোরে যেন আবার রিদমিক কে ফিরিয়ে আনা হয়।

Ishtiaq Durjoy বিজয় সহজ আছিল কোন কালে? অভ্র নিয়া মোস্তফা জব্বার যেই কাহিনী করছে,তা আর বলতে।এত কঠিন!!ভাগ্যিস অভ্র আছিল।এই লেখাটাও তো লেখলাম অই #অভ্র দিয়াই।এখন উনি রিদ্মিক এর পিছনে লাগছে। আফসোস!! সামান্য মিল নিয়াই এই কাহিনী!!আর উনি যদি অ্যাপল এর মালিক হইত তাইলে তো দুনিয়াতে খালি ওনার মামলা থাকত।আল্লাহ বুইঝা শুইনা মানুষরে দেয়।

Mohammad Ashrafuddin Ferdousi আমি যদি একদম কিছু না- ও জেনে থাকি, তবু বিজয় কী-বোর্ডের ব্যাবসায়ীর প্রতি মানুষের এ রকম বাজে ধারনা তৈরি হওয়ার পিছনে নিশ্চই কোনো কারন আছে | যা রটে, তার কিছু বটে |

আর সত্যি কথা বলতে, অভ্রর লে-আউট বিজয়ের নকল, এই মর্মে করা মামলার খবরও পড়েছিলাম আর কমিউনিটিগুলিতে যুক্তি শুনে মনে হয়েছে, যে অভ্রর লে-আউট বিজয়ের নকল ছিল না | শুধুই ব্যাবসা করার জন্যে ব্যাবসায়ী তার প্রোডাক্টের মত অন্য কোনো প্রোডাক্ট বাজারে আসতে দিতে চান নাই, তা- ও আবার একদম ফ্রি তে! সেজন্যে যা যা করার দরকার উনি করেছেন এবং হেরেছেন | কারন মানুষ বিজয়ের চেয়ে অভ্রকেই বেশি পছন্দ করে এখন | প্রবলেমটা যতটা না বিজয় কী- বোর্ডের ছিল, তার চেয়ে বেশি ছিল তার মালিকের; আর ক্ষোভ প্রকাশের ধরনে |

কেউ কেউ মানুষের সম্মান করাকে গুরূত্বপূর্ণ ভাবেন | কেউ কেউ শুধুই ব্যাবসা করতে চান | আর কেউ কেউ চান সবার ভালো হোক, তা যে ভাবেই হোক না কেন, যদিও বেশিরভাগ ব্যাবসায়ীদের মধ্যে এই অনুভুতি কমই থাকে বলে আমার মনে হয় | এমন চিন্তা করা যে খুব সহজ না, তা- ও স্বীকার করি, কিন্তু এমন মন-মানসিকতা না থাকলে পাবলিকের সামনে পড়লে কি অবস্থা হয়, তাও ভালই বোঝা যাচ্ছে, এই কমেন্টগুলি ফলো করলেই |

ব্যাক্তিগতভাবে আমি অভ্রকে পছন্দ করি |

মোস্তফা জাব্বার আশা করি সঠিক উত্তর দিতে পারবেন যে, কেনো এত মানুষের ক্ষোভ তার প্রতি, বিজয়ের প্রতি |

  • Sheikh Shourav আপনি নিজেই দেখে নিন বিজয় এ লিখলে কেমন আসে লিখা। (যদি আপনি বিজয় ব্যবহার করেন ) আমি সাফারি ব্যবহার করি। যদি বলেন এটা আমার ব্রাউজার এর দোষ তাহলে অনেক মানুষ আছে যারা সাফারি ব্যবহার করে তাদের জন্য কি আপনাদের সাপোর্ট নেই ? অন্যগুলো তো ঠিক দেখাচ্ছে আপনার কমেন্ট ছাড়া । । আপনারা প্রথম দিকে বাংলায় কিবোর্ড চালু করেছেন এটা সবার প্রশংসা করা উচিত। তবে সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রি এর মত একটা ডাইনামিক ইন্ডাস্ট্রিতে পরিবর্তন এর সাথে তাল মিলাতে না পারলে মানুষ অন্য কিছু ব্যবহার করবে এটাই স্বাভাবিক। এটা মেনে নিতে হবে অথবা নিজেদের উন্নতি করতে হবে 

    Sheikh Shourav's photo.

Mustafa Jabbar বাবাজীরা-মাতাজীরা, আপনারা আপনাদের পছন্দমতো যা খুশি ব‌্যবহার করুন। বিজয় যদি মারা যায় তার কোন দায় আপনাদের নয়। আমি আপনাদের কোন কিছুতেই বাধা দিইনা। বিজয় খুব খারাপ, সেটি অভ্র বা রিদমিকে যুক্ত করার কি দরকার? ফনেটিক ব‌্যবহার করুন, সুখে থাকুন। আমিতো আপনাদের কারও সীমানায় যাই নাই। বিজয় ১৯৮৭ থেকে ৯৩ ফ্রি ছিল। এখনও উইন্ডোজের ইন্টারনেটে, লিনাক্সে ও এন্ড্রয়েডে ফ্রি। একটু বলবেন, আমার অপরাধটা কি? এই যে বাবা-মা তুলে গালিগালাজ করছেন তার কারণটাই আমি বুঝিনি। আমার অপরাধটাও বুঝিনি। গালি না দিয়ে কেউ বুঝিয়ে দিলে ভুল বুঝতে পারব। আমি কারও বিরুদ্ধে মামলা করিনি। গুগল মেধাস্বত্ত্ব লঙ্ঘন বিবেচনায় রিদমিক সরিয়েছে। রিদমিকে বিজয় কীবোর্ড না থাকলেই ঝামেলা খতম। বিজয়তো আপনারা ব‌্যবহার করেনইনা। সেটি না থাকলে কোন ক্ষতি নাই।

 

মোস্তাফা জব্বার ফেইসবুকে তার আরেক স্ট্যাটাসে লিখেন, বাবা-মা চৌদ্দ-গোষ্ঠী ধরে গালিগালাজ করছে কেউ কেউ। এটি নতুন না। আমার একটাই অপরাধ, আমি আমার বিজয় কিবোর্ড বিনা অনুমতিতে ব‌্যবহার করতে দিলাম না কেন? ২৮ বছর আগে যখন এদের কারও কারও জন্মও হয়নি তখন বাংলা লেখার একটি কিবোর্ড তৈরি করি। এতো বছর পর এমন অসুন্দর কাজ হবে তা ভাবতেও পারিনি। স্রষ্টা এদেরকে ভাল রাখুন। এই জীবনে আর একটি সৃজনশীল কাজ করার কোন ইচ্ছাই হচ্ছে না।

বুধবার সকালে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত ডিভাইসে জনপ্রিয় বাংলা লেখার অ্যাপ্লিকেশন রিদ্মিক কিবোর্ড ও ইউনিবিজয় বাংলা টাইপিং গুগল প্লেস্টোর থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। মূলত কপিরাইট আইন ভঙ্গ করায় অ্যাপটি ব্যান করা হয় বলে জানায় গুগল। রিদ্মিক কিবোর্ডের অনেক ব্যবহারকারী মনে করছেন, মোস্তাফা জব্বারের অভিযোগের কারণে গুগল প্লেস্টোর থেকে রিদ্মিক কিবোর্ডে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

উত্তর দিন