পড়াশোনা করার জন্য বিদেশে যাবার পূর্ব প্রস্তুতি

1 142

বিদেশে পড়াশোনা প্রস্তুতি বিদেশে অধ্যয়নের জন্য প্রস্তুতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং সম্ভবত সবচেয়ে কঠিন অংশ – পড়াশোনা করার জন্য শুধু শারীরিক প্রস্তুতি নয় সাথে মানসিক প্রস্তুতিও । পড়াশোনা করার জন্য দৈহিক প্রস্তুতি বিভ্রান্তিকর এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তিত হতে পারে। আপনাকে অনেক কিছু মনে রাখতে হবে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে তা প্যাক করতে হবে। একবার সেখানে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং নতুন জায়গায় স্যাটেল হয়ে গেলে, আপনি আপনার জীবনের জন্য অনেক সময় পাবেন, কিন্তু যাবার আগের সপ্তাহ কেবল প্যাকিং এবং পরিকল্পনা করার সময় । বিজ্ঞতার সঙ্গে প্যাক শুধুমাত্র তাৎক্ষনিক প্রয়োজনীয় জিনিস প্যাক করুন। পুরো সেমিস্টারের জন্য প্যাক করার চেষ্টা করবেন না। এটা অকারণে আপনার লাগেজের ওজন বাড়াবে। স্থানীয় জলবায়ু চেক করতে ভুলবেন না। বিশ্ববিদ্যালয় শহরের গড় আবহাওয়ার পূর্বাভাস আপনাকে আপনার সেমিস্টারের সময় কি ধরনের আবহাওয়া আশা করবেন তা বুঝতে সাহায্য করবে। আপনি যদি ভারী উলের পোশাক প্রয়োজন মনে করেন, এটি দেশ থেকে কেনার চেয়ে বরং হোস্ট দেশে কেনাটা বেশি যুক্তিযুক্ত। ভারী উলের পোশাক শুধুমাত্র অতিরিক্ত ওজনই বাড়াবে না, অধিকাংশ ক্ষেত্রে আপনি আপনার নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে তা ব্যবহারের সুযোগ নাও পেতে পারেন। প্রধান প্রধান সবগুলো অধ্যয়ন গন্তব্যস্থলগুলির কাছে সস্তা ও পুরনো জিনিসপত্রের খোলা বাজার এবং সস্তা শপিং সেন্টার থাকে। তা এছাড়াও স্থানীয়দের মত পরিধান করা যুক্তিযুক্ত যাতে আপনি স্টাইলের সঙ্গে মানাতে পারবেন এবং বহিরাগত মনে হবে না। ডকুমেন্টেশন একটি পাসপোর্ট এবং ছাত্র ভিসা একজন ছাত্রের জন্য অপরিহার্য নথি। এমনকি কোন বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করার আগে আপনার পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা উচিত। যদি স্বাগতিক দেশে ভিসার প্রয়োজন হয়, আপনার যদি একটি পাসপোর্ট থাকে, আপনার জন্য এটি প্রসেস করা সহজ হবে। আপনার পাসপোর্ট এবং ভিসা ফটোকপি করুন এবং এক সেট দেশে আপনার পরিবারের কাছে, একটি ছাত্র উপদেষ্টার কাছে, এবং অন্তত দুই কপি আপনার সাথে রাখুন। মূলটি থেকে আলাদাভাবে রাখুন, তাতে এমনকি মূলটি হারিয়ে গেলে, ফটোকপি আপনাকে মূলটি প্রস্তুত করতে সাহায্য করবে। ভ্রমণ ছাড়া মূলটি বহন করবেন না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল,আপনার বৃত্তি এবং আর্থিক সাহায্যের কাগজপত্র নিতে ভুলবেন না। স্বাস্থ্য বিদেশে যাওয়ার আগে, আপনার ডাক্তারকে দেখান। আপনার কোন শারীরিক সমস্যা নেই তা নিশ্চিত করার জন্য একটি সম্পূর্ণ শারীরিক পরীক্ষা করুন। বিদেশে আপনার সব চিকিৎসা নথি বহন করতে ভুলবেন না, কারন কখন তাদের প্রয়োজন হবে সে বিষয়ে আপনি নিশ্চিত নন। পাশাপাশি মূল চিকিৎসার কাগজপত্র কপি করুন। যাবার আগে আপনি সব টীকা নিয়ে নিন এবং সেইসাথে আপনার টিকার রেকর্ড নিন। ঠান্ডা এবং ফ্লু জন্য ঔষধ এবং জরুরি ঔষুধ বহন করা উচিত। বীমা বিদেশে অধ্যয়নে যাবার আগে স্বাস্থ্য বীমা করা অপরিহার্য । জার্মানির মত দেশে, এটা প্রথম প্রয়োজনীয় বিষয় যা ছাড়া আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্টার করতে পারবেন না। আর্থিক বিষয় বিদেশে অধ্যয়নের জন্য আপনার বাজেট প্রস্তুত করুন। নির্দিষ্ট দেশে আপনার পড়ালেখার খরচ নিয়ে অনুসন্ধান এবং বিশ্লেষণ করুন। জীবনযাত্রার খরচ সম্পর্কে জানুন এবং ভাড়া, ভ্রমণ, বিদ্যুৎ ও খাদ্যের মত আপনার নির্দিষ্ট খরচগুলো নিরূপণ করুন। বিনোদন এবং কেনাকাটা জন্য আলাদা কিছু টাকা রাখুন।চেক এবং কার্ডের বদলে নগদ বহন করা ভাল। আবাসন বিদেশে পড়ালেখার প্রোগ্রামের জন্য আবেদনের সময় আপনার ক্যাম্পাসে থাকার ব্যবস্থার জন্য অনুরোধ করা উচিত। ছাত্রদের থাকার ব্যবস্থা সম্পর্কে আরও জানতে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সেলের সাথে যোগাযোগ করা উচিত। এছাডাও আরো আছে… * মানচিত্র, বই, পত্রিকা … * আপনার কাজের প্রতি লক্ষ রাখুন * শহর ভ্রমন * যোগাযোগ শিক্ষা ও ক্যারিয়ার সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করতে পারেনঃ EDUCATION NEWS

1 টি মন্তব্য
  1. MimosaHaque বলেছেন

    আমি যেতে চাই 🙂

উত্তর দিন