সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৬ হাজার সহকারী শিক্ষক/শিক্ষিকা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

1 189

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক/শিক্ষিকা নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সরকার।

আজ বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ রায় প্রাক-প্রাথমিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এর কথা জানান ,১৩ ডিসেম্বর থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আবেদন ফি ধার্য করা হয়েছে ১৬৬ টাকা ৫০ পয়সা।

niyog Biggopti

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অধীনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৩) আওতায় অস্থায়ীভাবে প্রায় ১৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ছাড়া সারা দেশ থেকে এ পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারবেন প্রার্থীরা।
আবেদনের জন্য প্রার্থীদের http://dpe.teletalk.com.bd এবং www.dpe.gov.bd ওয়েবসাইটে লগ-ইন করতে হবে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) পাওয়া যাবে।

যেভাবে অনলাইনে আবেদন করতে হবে

প্রার্থীদের http://dpe.teletalk.com.bd এবং www.dpe.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। এরপর আবেদনকারীতে একটি ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দেওয়া হবে। ১৩ ডিসেম্বর থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন ফি নেওয়া হবে। কেবল ইউজার আইডি পাওয়া প্রার্থীরা এ সময়ের পর ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত আবেদন ফি দিতে পারবেন। পরীক্ষার ফি ১৬৬ টাকা ৫০ পয়সা টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। লিখিত পরীক্ষার বিষয়ে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

সর্বশেষ গত ৬ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার জন্য সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়েছে। তখন ছয় হাজার ৯৩৩ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য নির্বাচন করা হয়েছিল।

২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকেই দেশের সব সরকারি বিদ্যালয়ে ‘শিশু শ্রেণী’ নামে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু বাধ্যতামূলক করা হয়। শিশুদের বিদ্যালয়ের পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো, ভর্তির হার বাড়ানো ও ঝরে পড়া রোধে জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে পাঁচ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের জন্য এক বছর মেয়াদী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা হয়েছে।

Education bangladesh

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৬ হাজার সহকারী শিক্ষক/শিক্ষিকা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সম্পূর্ণ তুলে ধরা হলো । 

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
সেকশন ২, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬

স্মারক নং প্রাশিঅ/১১/নিয়োগ/প্রাক-প্রাথমিক(৩য় পর্যায়)/সশিনি/২০১৪/৩১১ তারিখঃ ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২১
০৯ ডিসেম্বর ২০১৪
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচী (পিইডিপি-৩) এর আওতায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার জন্য সৃষ্ট “সহকারী শিক্ষক” পদে অস্থায়ীভাবে নি¤œবর্ণিত বেতনস্কেলে নিয়োগের জন্য বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিকদের নিকট থেকে (পার্বত্য তিন জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ব্যতীত) নিম্নে উল্লিখিত নির্দেশনা অনুযায়ী দরখাস্ত আহবান করা যাচ্ছে।

পদের নাম বেতনক্রম বয়সসীমা শিক্ষাগত যোগ্যতা
সহকারী শিক্ষক
ক) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত
বেতনস্কেল: টাকা ৫২০০-৩২০৭-৭৪৪০-ইবি-৩৪৫১১-১১২৩৫/=
(জাতীয় বেতনস্কেল ২০০৯ অনুযায়ী)
খ) প্রশিক্ষণবিহীন
বেতনস্কেল: টাকা ৪৯০০-২৯০৭-
৬৯৩০-ইবি-৩২০১১-১০৪৫০/-
(জাতীয় বেতনস্কেল ২০০৯ অনুযায়ী) ১২ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে ১৮ থেকে ৩০ বৎসর (মুক্তিযোদ্ধার পুত্র-কন্যা ও প্রতিবন্ধীর ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২ বৎসর) পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ঃ
কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হইতে ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ/ শ্রেণী/ সমমানের জিপিএসহ øাতক বা সমমানের ডিগ্রী।

মহিলা প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ঃ
উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ/সমমানের জিপিএসহ উত্তীর্ণ অথবা øাতক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।

(২) এ বিজ্ঞপ্তির অধীনে আগ্রহী প্রার্থীগণকে অনলাইনে দরখাস্ত করতে হবে। সে লক্ষ্যে http://dpe.teletalk.com.bd  এবং www.dpe.gov.bd  ওয়েবসাইটে লগ-ইন করলে একটি লিংক পাওয়া যাবে। ঐ লিংকে প্রবেশ করে সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা মোতাবেক অনলাইন আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। Online-এ আবেদনপত্র পূরণ করে Submit করার পর Application Copy প্রিন্ট করতে পারবে। Application Copy প্রিন্ট করার পর প্রয়োজনে একাধিকবার পড়ে নিতে হবে। যদি Application-এ কোন সংশোধনি থাকে তবে তাকে পুনরায় Application Form পূরণ করতে হবে। ত্র“টিপূর্ণ Application -এ কোন অবস্থাতেই SMS এর মাধ্যমে আবেদন ফি জমা দেয়া উচিত হবে না। একবার আবেদন ফি জমা দেয়ার পর Application Form – কোন অবস্থাতেই সংশোধন বা প্রত্যাহার করা যাবে না। সঠিকভাবে পূরণকৃত Application Copy এর User ID দিয়ে আবেদন ফি জমা দিতে হবে।
(৩) অনলাইনে আবেদন ফি গ্রহণ শুরুর তারিখ- ১৩ ডিসেম্বর ২০১৪ (সকাল- ১০:৩০মিনিটি), শেষ তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০১৫ (রাত-১১:৫৯ মিনিট)।
(৪) কেবলমাত্র User ID প্রাপ্ত প্রার্থীগন উক্ত সময় পরবর্তী ৭২ ঘন্টা পর্যন্ত SMS-এ ফি প্রদান করতে পারবেন। আবেদনকারীকে ১টি User ID এবং Password দেয়া হবে। উক্ত User ID এবং Password সব সময়ের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে।
(৫) অনলাইনে আবেদন দাখিলের পর SMS-এ অবশ্যই ফি প্রদান করতে হবে। ফি প্রদানের পরই কেবল আবেদনটি চূড়ান্তভাবে গৃহিত হয়েছে বলে গণ্য হবে।
(৬) পরবর্তীতে লিখিত পরীক্ষার ব্যবস্থাদি চূড়ান্ত করার পর প্রত্যেক যোগ্য আবেদনকারীকে SMS-এর মাধ্যমে জানানো হবে এবং তিনি উপরোক্ত ওয়েবসাইটের লিংক ব্যবহার করে পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। User ID এবং Password  সহ অন্যান্য তথ্য পুন: উদ্ধারের জন্য উক্ত লিংকে প্রার্থীর নিজস্ব তথ্য দিয়ে উদ্ধার করা যাবে।
(৭) দরখা¯তকারী যে উপজেলা/থানার স্থায়ী বাসিন্দা তাঁর প্রার্থিতা উক্ত উপজেলা/থানার জন্য বা অনুকূলে নির্ধারিত থাকবে এবং তাঁর নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম তদনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হবে।
(৮) প্রচলিত কোটানীতি অনুসরণপূর্বক মেধাক্রমানুসারে (উপজেলা/থানাওয়ারী) তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচী (পিইডিপি-৩) এর আওতায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার জন্য সৃষ্ট পদসমূহে ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত করে নিয়োগ দানের ব্যবস্থা নেয়া হবে।
(৯) বিবাহিতা মহিলা প্রার্থীগণ দরখাস্তে তাঁদের স্বামী অথবা পিতার স্থায়ী ঠিকানায় দরখাস্ত করতে পারবেন। তবে এ দু’টি স্থায়ী ঠিকানার মধ্যে তিনি যেটি দরখাস্তে উল্লেখ করবেন তাঁর প্রার্থিতা সেই উপজেলা/থানার কোটায় বিবেচিত হবে। মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র কন্যা এবং পুত্র কন্যার পুত্র কন্যা মুক্তিযোদ্ধার সšতান কোটায় বিবেচিত হবেন;
(১০) প্রার্থীকে পরীক্ষার ফি বাবদ অফেরতযোগ্য সার্ভিস চার্জসহ ১৬৬.৫০/- (একশত ছিষট্টি টাকা পঞ্চাশ পয়সা) টাকা যেকোন টেলিটক মোবাইল নম্বর হতে SMS-এর মাধ্যমে যথাসময়ে প্রেরণ করতে হবে।
(১১) ১২ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বৎসরের মধ্যে হতে হবে। তবে শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধার পুত্র-কন্যা ও প্রতিবন্ধীর ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২ বৎসর হবে। বয়স নিরূপণের ক্ষেত্রে এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়।
(১২) অসত্য/ভুয়া তথ্য সংবলিত/ক্রটিপূর্ণ/অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র কোন কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে বাতিল বলে গণ্য হবে। প্রার্থী কর্তৃক দাখিলকৃত/প্রদত্ত কোন তথ্য বা কাগজপত্র নিয়োগ কার্যক্রম চলাকালে যে কোনো পর্যায়ে বা নিয়োগপ্রাপ্তির পরেও অসত্য/ভুয়া প্রমাণিত হলে তাঁর দরখাস্ত/নির্বাচন/নিয়োগ বাতিল করা হবে এবং মিথ্যা/ভুয়া তথ্য সরবরাহ করার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত/প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
(১৩) প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর নিুবর্ণিত কাগজপত্রাদির অনুলিপি ১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত করে সংযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে:
(ক) শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কিত সকল প্রকার মূল/সাময়িক সনদপত্র;
(খ) সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/পৌরসভার মেয়র/সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর কতৃক প্রদত্ত নাগরিক সনদপত্র;
(গ) মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদনকারী প্রার্থীর ক্ষেত্রে সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুসারে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের পিতা/মাতা অথবা পিতা/মাতার পিতা/মাতা এর মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্র;
(ঘ) প্রার্থীর সাথে মুক্তিযোদ্ধার সম্পর্ক উল্লেখপূর্বক প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা অথবা সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভার মেয়র/সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র;
(ঙ) এতিম প্রার্থীর ক্ষেত্রে সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক রেজিস্ট্রিকৃত এতিমখানা/শিশুসদন কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র;
(চ) প্রতিবন্ধী প্রার্থীর ক্ষেত্রে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র;
(ছ) পোষ্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক সদ্য (১৩ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখের পূর্বে স্বাক্ষরিত নয়) প্রদত্ত পোষ্য সনদপত্র;
(জ) আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য
এ মর্মে জেলা আনসার অ্যাডজুট্যান্ট কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র;
(ঝ) উপজাতীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্র্তা কর্তৃক প্রদত্ত উপজাতীয় পরিচয় বিষয়ক সনদপত্র;
(ঞ) লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি;
(১৪) উপরোক্ত তথ্যাদি মোতাবেক প্রাথমিক বাছাইয়ের পর কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় কেবলমাত্র যোগ্য প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট জেলায় নির্ধারিত তারিখে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের অনুমতি দেয়া হবে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোনো প্রকার টিএ-ডিএ প্রদান করা হবে না।
(১৫) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন ‘সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৩’-এ বর্ণিত নিয়মানুযায়ী মেধা ও কোটা অনুসারে নিয়োগ দেয়া হবে। সে অনুযায়ী নির্বাচিত প্রার্থীকে যে উপজেলা/থানায় নিয়োগ দেয়া হবে তাঁকে আবশ্যিকভাবে সে উপজেলা/থানায় চাকুরি করতে হবে।
(১৬) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৩-এর কোটা পদ্ধতির ব্যাখ্যা অনুযায়ী ‘পোষ্য’ অর্থ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক/প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োজিত আছেন বা ছিলেন এমন শিক্ষকের অবিবাহিত সন্তান, যিনি উক্ত শিক্ষকের উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল আছেন বা তিনি জীবিত থাকিলে বা চাকুরিতে থাকিলে সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল থাকিতেন এবং উক্ত শিক্ষকের বিধবা স্ত্রী বা বিপতœীক স¦ামী বা তালাকপ্রাপ্তা কন্যা (যেক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য) যিনি উক্ত শিক্ষকের উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল ছিলেন বা ক্ষেত্রমত, তিনি জীবিত থাকিলে অনুরূপভাবে নির্ভরশীল থাকিতেন। মৌখিক পরীক্ষার সময় পোষ্য প্রার্থীদেরকে ১৩ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখ পর্যন্ত তিনি পোষ্য ছিলেন মর্মে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত সনদ দাখিল করতে হবে। উল্লিখিত সনদ দাখিল করতে কোন প্রার্থী ব্যর্থ হলে তিনি পোষ্য কোটার পরিবর্তে সাধারণ কোটার প্রার্থী হিসেবে গণ্য হবেন।
(১৭) নির্বাচিত প্রার্থীকে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাদান সংক্রান্ত বিশেষ ধরণের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। শুধুমাত্র উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদেরকে রাজস্বখাতে সৃজিতব্য সহকারী শিক্ষক পদে নিয়মিত বেতন স্কেলে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ প্রদান করা হবে।
(১৮) তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচী (পিইডিপি-৩) এর আওতায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার জন্য সৃষ্ট সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ ও চাকুরির ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক আরোপিত শর্তাবলী প্রযোজ্য হবে।
(১৯) এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কারণে কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা গ্রহণ কিংবা প্রার্থীত পদে নিয়োগ প্রদান করতে বাধ্য থাকবে না।
স্বাক্ষরিত/-
(এস.এম. মেসবাহউল ইসলাম)
অতিরিক্ত মহাপরিচালক

1 টি মন্তব্য
  1. আশরাফুল বলেছেন

    আমার মনে হয় আপনার তথ্যটি ভুল, খুব সম্ভবত শুক্র-শনিবার শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা শুরু হবে।

উত্তর দিন