গ্রামীণফোন মোবিক্যাশ এর জাদু নয় সত্যি !

1 173

জাদু নয় এটাই সত্যি
রহমান সাহেবের বাড়িতে আজ মহা উৎসব একমাত্র মেয়ের বিয়ে বলে কথা। আনন্দ আয়োজনের কোনো কমতি নেই। মহা ধুমধামে চলছে বিয়ের সকল আয়োজন। মেয়েকে ছেলে পক্ষ আজ আংটি পরাতে আসবে। দু’দিন পরেই বিয়ে। সকালবেলা উঠোনের এককোণায় বসে রহমান সাহেবের স্ত্রী নতুন অতিথিদের জন্য পিঠাপুলির আয়োজনে ব্যস্ত। বাড়ির অন্যরাও ব্যস্ত নানা কাজে। রহমান সাহেব গঞ্জে গেছেন বিয়ের বাজার সারতে। এরইমধ্যে বড় ছেলে বাড়ি থেকে বের হচ্ছে ব্যাংকের উদ্দেশ্যে। মা বলে উঠলো- ‘আজকের দিনে তোর বের না হলে হয় না?’ ছেলে বললো- ‘না মা আমার ব্যাংকে খুব জরুরি কাজ। গঞ্জের ব্যাংকে যেতেই হবে। সমস্যা নাই মেঝো আর সেজো তো আছে।’ মেঝো তখন পাশের রুম থেকে শার্টের বোতাম ঠিক করতে করতে এসে বললো- ‘আমারও তো আজ ফি জমা দেয়ার শেষ তারিখ। আমি এখুনি ব্যাংকে যাচ্ছি টাকাটা জমা দিতে। সেজো আছে। ও সব সামলে নিবে।’ তখন সেজো সাইকেলের ক্রিং ক্রিং শব্দে বাড়ি থেকে বের হচ্ছিল। সাইকেলটি থামিয়ে বললো- ‘আমারও ব্যাংকে খুব জরুরি কাজ। বিদ্যুতের বিল জমা দেয়ার আজই শেষ তারিখ। আমি যাচ্ছি।’ ছোটবোনের মুখের দিকে তাকানো যাচ্ছিল না। এতক্ষণ ভাইদের এসব কথা পাশে দাঁড়িয়ে শুনছিল। মনটা খুব খারাপ করে ভেতরের রুমে চলে যায়। এমন সময় বাজার নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে রহমান সাহেব। বিষয়টা আঁচ করতে পেরে তিনিও রেগে যান। তিন ছেলে তখন অপরাধীর চোখেমুখে একজন আরেকজনের দিকে তাকায়। মাথা নিচু করে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে আছে। রহমান সাহেব রেগে বললেন- ‘একমাত্র ছোট বোনটাকে আজ আংটি পরাতে আসবে। আর আজই তোদের এত কাজ!’ বাড়ির পাশ দিয়ে তখন চেয়ারম্যানের বড় ছেলে যাচ্ছিল। রহমান সাহেবের বাড়িতে এত চেঁচামেচি শুনে বাড়ির ভেতরে যায় সে। বিস্তারিত শুনে সকলকে নিয়ে যায় তার ফোনের দোকানে। গ্রামীণফোনের মোবিক্যাশ আউটলেটের মাধ্যমেই যে সকল ব্যাংকিং কাজ করা যায় তা দেখান সকলকে। সেদিন আর রহমান সাহেবের কাউকে বাড়ি থেকে গঞ্জে যেতে হয়নি ব্যাংকের কাজের জন্য। আর তাই তো একমাত্র ছোটবোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে পরিবারের কাউকে অনুপস্থিত থাকতেও হলো না। খুশি রহমান সাহেব, খুশি তার পুরো পরিবার।
স্বপ্নের সবকটি জানালা ‘মোবিক্যাশ’ নিয়ে এসেছে দেশের বৃহত্তম মোবাইল অপারেটর কোম্পানি গ্রামীণফোন। বিভিন্ন পার্টনার ব্যাংকের মোবাইল অ্যাকাউন্ট খোলা, টাকা জমা, টাকা তোলা, বিল পে, ফ্লেক্সিলোডসহ প্রয়োজনীয় সেবা নিয়ে এসেছে ‘গ্রামীণফোন মোবিক্যাশ’। মানুষের জীবনকে যেন আরো একধাপ এগিয়ে দিচ্ছে গ্রামীণফোনের সময় উপযোগী এই উদ্যোগ।
মোবাইল ব্যাংকিং: জীবনকে করেছে সহজ
মোবাইল ব্যাংকিং জীবনকে করেছে সহজ। মানুষের জীবনে সময়ের কাজ সময়ে করার এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে মোবাইল ব্যাংকিং। কিছুদিন আগেও সামান্যএকটু কাজের জন্যও লম্বা রাস্তা পাড়ি দিয়ে যেতে হতো ব্যাংকে। কিন্তু এখন আর সে সময় নেই। টুকটাক অনেক কাজই সারা যাচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং-এর কল্যাণে। আর তাই তো চলতি বছরের মার্চ মাসের সমীক্ষা অনুযায়ী মোবাইল ব্যাংকিংয়ের গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৫০ লাখ ২৩ হাজার ৬০৪ জন। এরমধ্যে প্রায় ১ কোটি ৩৯ লাখ মানুষ মোবাইল ফোনে লেনদেন পরিচালনা করছেন। দেশের মোট ২০টি ব্যাংক থেকে এই সেবা নিচ্ছেন গ্রাহকরা। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালে নভেম্বর মাসে মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরুর পর থেকে ফেব্র“য়ারি মাসে জানুয়ারির তুলনায় প্রায় সাড়ে আট শতাংশ লেনদেন কমে যায়। এই সময়ে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ছয় হাজার ৫৩৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়। এখন সারাদেশে ২ লাখ ৫৭ হাজার এজেন্টের মাধ্যমে ব্যাংকগুলো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দিয়ে যাচ্ছে। মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে দেশের ব্যাংকিং খাতে বিপ্লব ঘটেছে। মোবাইল ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে সারাদেশে অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে দেশে মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহারকারীর সংখ্যা দেড় কোটিরও বেশি। সারাদেশে এজেন্ট-এর সংখ্যাও প্রায় আড়াই লাখের মতো। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দৈনিক গড়ে প্রায় আড়াই শ’ কোটি টাকার লেনদেন হচ্ছে।
মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে শুধু টাকা পাঠানো বা উঠানো নয়, কেনাকাটা, ইউটিলিটি বিল পরিশোধ, বেতনভাতা বিতরণ, সরকারি অনুদানপ্রাপ্তি, মোবাইলে তাৎক্ষণিক ব্যালান্স রিচার্জসহ বিভিন্ন সেবাও এখন হাতের মুঠোয়। এসব কাজ করতে যেতে হবে না ব্যাংকের কোনো শাখায় অথবা অন্য কোথাও। মোবাইল ব্যাংকিং এখন দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে অতি পরিচিত একটি প্রক্রিয়া হিসেবে স্বীকৃত।
মোবাইল ব্যাংকিং কী?
মোবাইল ব্যাংকিং হচ্ছে শাখাবিহীন ব্যাংকিং ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে স্বল্প খরচে দক্ষতার সঙ্গে আর্থিক সেবা পৌঁছে যাবে ব্যাংকিং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠির কাছে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবা (টাকা জমাদান, উত্তোলন, পণ্য বা সেবা ক্রয়ের মূল্য পরিশোধ, বিভিন্ন ধরনের বিল পরিশোধ, বেতন/ভাতা বিতরণ, বিদেশিক আয়, সরকারি বেতন ও ভাতাদি বিতরণ) প্রদান করাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং। মোবাইল ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে দেশব্যাপী যেকোনো সময়, যেকোনো স্থানে সেবার নিশ্চয়তা দেয়া হয়। এটি সুবিধাজনক, সহজলভ্য এবং নিরাপদ। টাকা সঞ্চয়ের অভ্যাস বাড়ানোর জন্য মোবাইল ব্যাংকিং অধিক কার্যকর করা যায় এবং এর মাধ্যমে দ্রুত ও কম খরচে টাকা লেনদেন ও আধুনিক ব্যাংকিং সেবায় প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি হয়ে থাকে। মোবিক্যাশ: একই ছাদের নীচে সব সার্ভিস
গ্রামীণফোনের মোবিক্যাশ হলো একটি আউটলেট যেখানে একই ছাদের নীচে বিভিন্ন ব্যাংকের ব্যাংকিং সেবা পাওয়া যায়। এই সেবা আপনার জীবনকে শুধু সহজই করবে না জীবনের মূল্যবান সময়ও বাঁচবে। ব্যাংকের কাজ নিয়ে আর দৌড়াদৌড়ি নয়, প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে গঞ্জে আসারও প্রয়োজন পড়বে না। শুধু মোবাইলের মাধ্যমে আপনি এখন ঘরে বসেই করতে পারবেন সকল ব্যাংকিং কর্মকান্ড। এমনকি বিলও জমা দিতে পারবেন এই মোবিক্যাশ-এর মাধ্যমে। যেসব ব্যাংকের সেবা নিতে পারবেন এই মোবিক্যাশ-এর মাধ্যমে তা হলো- ডাচ বাংলা ব্যাংক (ডিবিবিএল) মোবাইল ব্যাংকিং, ওকে ব্যাংকিং (ওয়ান ব্যাংক), মাই ক্যাশ (মার্কেন্টাইল ব্যাংক), এম ক্যাশ (ইসলামী ব্যাংক), ইউ ক্যাশ (ইউসিবি ব্যাংক), আইএফআইসি মোবাইল ব্যাংকিং, কাস্টমার রেজিস্ট্রেশন অথবা পার্টনার ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট খোলা, যেকোনো পার্টনার ব্যাংকের ক্যাশ-ইন (আপনার অ্যাকাউন্টে ডিপোজিট), যেকোনো পার্টনার ব্যাংকের ক্যাশ-আউট (অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা), বিল-পে (ইউটিলিটি বিল পরিশোধ- যেমন বিদ্যুৎ, গ্যাস, ওয়াসা বিল প্রদান, এলাকাভেদে প্রযোজ্য), ফ্লেক্সিলোড, নির্ভয় লাইফ ইনস্যুরেন্স।
যেকোনো সমস্যায়-
মোবাইল ব্যাংকিং সংক্রান্ত যেকোনো প্রয়োজনে যেকোনো তথ্যের জন্য ফোন করে সরাসরি কথা বলতে পারেন। ডাচ বাংলা ব্যাংক ১৬২১৬, ওয়ান ব্যাংক ১৬২৬৯, মাই ক্যাশ ১৬২২৫, এম ক্যাশ ১৬২৫৯, ইউ ক্যাশ ১৬২৬৮ এবং আইএফআইসি ১৬২৫৫ নম্বরে ফোন করে কথা বলা যাবে।
বিল পে
জীবনকে আরো সহজ করে দিতে মোবিক্যাশ-এর মাধ্যমে বিলও পে করতে পারবেন যেকোনো সময়। সপ্তাহের সাতদিনে গ্রামীণফোন মোবাইল থেকে বা মোবিক্যাশ আউটলেটে গিয়ে সহজেই বিদ্যুৎ, গ্যাস ও ওয়াসার বিল দিতে পারেন। তাই এখন আর লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ব্যাংকে গিয়ে বিল পরিশোধ করতে হবে না। এটা নিয়ে দেখা গেছে অনেক পরিবারেই লেগে থাকে ঝামেলা। কি বিল দিবে সেটা নিয়েই চলে টালবাহানা। তাই এখন আর ঘরের কর্তাব্যক্তিদের বিল নিয়ে কারো গড়িমসি সহ্য করতে হবে না। মোবিক্যাশ-এর মাধ্যমে করতে পারেন বিদ্যুৎ, গ্যাস ও ওয়াসার বিল। বিল পরিশোধ করার জন্য প্রথমেই আপনাকে মোবিক্যাশ-এর রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরপর বিল বই ও প্রয়োজনীয় পরিমাণ টাকা নিয়ে আপনার নিকটস্থ যেকোনো অনুমোদিত মোবিক্যাশ আউটলেটে যেতে হবে এবং আপনার মোবাইল নম্বরটি বিল-পে সার্ভিসে রেজিস্টার করে বিল পরিশোধ করতে হবে। সরাসরি মোবিক্যাশ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে আপনার মোবাইলটি বিল-পে সিস্টেমে রেজিস্টার করে নিন। ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিল হলে আপনাকে সার্ভিস সার্জ দিতে হবে ৫ টাকা। ৪০০১ টাকা থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত হলে সার্ভিস চার্জ লাগবে ১০ টাকা। অন্যদিকে ১৫০১ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত সার্ভিস চার্জ হবে ১৫ টাকা। আর ৫০০০ টাকার উপরে হলে সার্ভিস চার্জ পড়বে ২৫ টাকা। সকল চার্জে ভ্যাট দিতে হবে। এ বিষয়ে যেকোনো সময় আপনি ফোনও করতে পারেন। মোবিক্যাশ আউটলেট ও বিল-পে’র সেবাসমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে মোবিক্যাশ কলসেন্টার ১২০০ (গ্রামীণফোন নম্বর থেকে) এবং ০১৭১৩-২৩৪৫৬৭ (অন্য যেকোনো নম্বর থেকে) নম্বরে কল করতে পারেন।
মোবিক্যাশ- এ মিলবে ট্রেনের টিকেট
ঈদ কিংবা উৎসব-পার্বণে সবসময়ই ট্রেন বা বাসের টিকেটের জন্য লেগে যায় লম্বা লাইন। বিশেষ করে নিরাপদ ভ্রমণের জন্য আমাদের দেশে ট্রেনের ভ্রমণটাই এখন পর্যন্ত সকলের পছন্দের শীর্ষে। তাই তো ঈদের সময় ট্রেনের টিকেটের জন্য প্রচন্ড ভিড় লেগে যায়। লম্বা লাইন ধরে টিকেট কেটে থাকে সবাই। সারারাত ধরে নির্ঘুম রাত জেগে ট্রেনের টিকেটের জন্য অপেক্ষা করে সেই সোনার হরিণের মতো মূল্যবান টিকেটটি মিলে পরের দিন। আর তাই তো জীবন থেকে এই হ্যাসেল নিমেষেই বিদায় দিল গ্রামীণফোন মোবিক্যাশ। এখন মোবিক্যাশ-এর মাধ্যমেই ঘরে বসে কেটে নিতে পারেন ট্রেনের টিকেট। এখন আর অনেক ট্রাফিক ঠেলে গিয়ে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট কাটার প্রয়োজন নেই। মোবিক্যাশ টিকেটিং-এর মাধ্যমে এখন আপনি আপনার প্রিয়জনের কাছে পৌঁছে যাবেন সহজেই। আর এজন্য আপনার মোবাইল ফোন থেকে টাইপ করুন কঋিক আর পাঠিয়ে দিন ১২০০ নম্বরে। ফিরতি এসএমএস-এ আপনাকে একটি অেূ নম্বর এবং নির্দেশনা দেয়া হবে। অন্যদিকে যারা ইতিমধ্যেই মোবাইল ফোনের বিল পে সার্ভিস ব্যবহার করছেন, তাদের এই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে না। আপনি চাইলে মোবিক্যাশ-এর মাধ্যমে টিকেট বুকও করতে পারেন। তবে বুক করার ৩০ মিনিটের মধ্যে আপনার টিকেট কিনতে হবে, না হলে বুক করা টিকেটটি বাতিল হয়ে যাবে। মোবিক্যাশ-এর মাধ্যমে আপনি টিকেট বুকিং কিংবা কেনার পর পদ্ধতিগুলো শেষ হওয়ার পর এসএমএস-এর মাধ্যমে আপনি একটি ই-টিকেট নম্বর পাবেন। ই-টিকেট নম্বরটি সেইভ করুন। রেল স্টেশনের নির্ধারিত মোবিক্যাশ বুথ থেকে বা কাছের গ্রামীণফোন সেন্টার থেকে ই-টিকেটটি দেখিয়ে মূল টিকেটটি সংগ্রহ করুন। আর অবশ্যই যাত্রা করার কমপক্ষে ১ ঘন্টা আগে টিকেটটি সংগ্রহ করতে হবে।
আপনার মোবিক্যাশ ব্যালেন্সে প্রয়োজনীয় পরিমাণ অর্থ ইতিমধ্যেই থাকলে আপনি বুকিং না দিয়ে সরাসরি ই-টিকেট কিনতে পারবেন। আপনার যদি ট্রেনের টিকেটের দাম জানা থাকে, তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার মোট কত টাকা দিতে হবে। গণনা করার সময় প্রতি সিটের জন্য ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ ধরে নেবেন। তাই সরাসরিও আপনি পারেন মোবিক্যাশ-এর মাধ্যমে ট্রেনের টিকেট কিনতে।
লক্ষ্য করুন-
অ মোবিক্যাশ টিকেটিং সার্ভিস ব্যবহার করে কেনা প্রতিটি টিকেটের জন্য ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ প্রয়োজন।
অ একজন গ্রাহক একটি মোবাইল নাম্বার থেকে মাসে ২টি ট্রানজেকশন করতে পারবেন। প্রতি ট্রানজেকশনে গ্রাহক ১-৪ টি সিট বরাদ্দ নিতে পারবেন।
অ একটি নির্দিষ্ট গন্তব্যের জন্য গ্রাহক মাসে একটিই ট্রানজেকশন (১-৪ টি সিট) করতে পারবেন। যেমন- একজন গ্রাহক যদি ফেব্র“য়ারি মাসে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার টিকেট কিনেন, একই মাসে উল্লেখিত গন্তব্যের জন্য আর কোনো টিকেট কিনতে পারবেন না। কিন্তু গ্রাহক চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা অথবা অন্য কোনো গন্তব্যে যাওয়ার টিকেট কিনতে পারবেন।
অ এখন থেকে ভ্রমণ তারিখের ৩ দিন আগে টিকেট কেনা যাবে। যেমন- আপনার ভ্রমণ তারিখ যদি ২০ জুলাই হয় তাহলে ১৭ জুলাই আপনার টিকেট ইস্যু করতে পারবেন।
অ টিকেট কেনার সময়ঃ সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা।
অ মোবিক্যাশ টিকেটিং সার্ভিসের মাধ্যমে কেনা টিকেট হস্তান্তরযোগ্য নয়। এই সার্ভিসটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ রেলওয়ের কাছে কতগুলো টিকেট আছে, তার ওপর নির্ভর করে।
অ আপনাকে যাত্রা শুরুর কমপক্ষে ১ ঘন্টা আগে রেল স্টেশনের নির্ধারিত বুথ থেকে কাগজের মূল টিকেটটি সংগ্রহ করতে হবে। এছাড়াও এই টিকেট নির্দিষ্ট কিছু গ্রামীণফোন সেন্টার থেকেও সংগ্রহ করা যায়। গ্রামীণফোন সেন্টার থেকে টিকেট সংগ্রহ করার সময় আপনার ট্রেনের সময় এবং গ্রামীণফোন সেন্টারের সময় (সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা) খেয়াল করবেন।
অ যাত্রা শুরুর সর্বোচ্চ ৩ দিন আগে মোবিক্যাশ টিকেটিং সার্ভিস ব্যবহার করে টিকেট কেনা যায়। যাত্রা শুরুর ১২ ঘন্টা আগে টিকেট বিক্রি বন্ধ হয়ে যাবে তবে আপনি যাত্রার ৬ ঘন্টা আগে পর্যন্ত বুকিং ছাড়া সরাসরি টিকেট কিনতে পারবেন। যাত্রার ৬ ঘন্টা আগে থেকে আর মোবাইলের মাধ্যমে ই-টিকেট কেনা যাবে না।
অ যদি মোবিক্যাশ ব্যালেন্স ই-টিকেট কেনার সময় ব্যবহার না করা যায়, তবে সেক্ষেত্রে ব্যালেন্সটি বিল পে, ফ্লেক্সিলোড ও পরবর্তীতে ট্রেন টিকেট কেনার জন্য ব্যবহার করা যাবে।
অ ঢাকার মতিঝিল. গুলশান, ফার্মগেট, মিরপুর ও ধানমন্ডি, চট্টগ্রামের আগ্রবাদ ও জিইসি মোড়, রাজশাহীর নাটোর রোড, সিলেটের এয়ারপোর্ট রোড ও আম্বরখানা এবং খুলনার সবুর রোড-এর গ্রামীণফোন সেন্টার থেকে প্রিন্ট করা টিকেট সংগ্রহ করা যাবে। মোবিক্যাশ কিংবা মোবিক্যাশ-এর মাধ্যমে ট্রেনের টিকেট কেনার যাবতীয় তথ্য দেখার জন্য লগ ইন করুন-

আমার একটা নিউজপেপার আছে। ভিসিট করবেন

1 টি মন্তব্য
  1. নাজমুল হাসান বলেছেন

    এটা দিয়ে কি ATM থেকে টাকা তুলা যায়?

উত্তর দিন