বই কেনার ওয়েবসাইট rokomari.com এর বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ !

2 330

বাংলাদেশে অনলাইনে বই কেনাবেচার সবচেয়ে বড় ওয়েবসাইট www.rokomari.com এ ইতিমধ্য বিভিন্ন বিতর্কিত বই বিক্রির অভিযোগ উঠেছে, প্রথমে www.rokomari.com এর বিরুদ্ধে ইসলাম বিরোধী নাস্তিকদের বই বিক্রির অভিযোগ তোলেন নাস্তিক ব্লগার রাজীবের জানাজা পড়ানো ইমামকে হত্যার হুমকি দিয়ে বিতর্কিত হওয়া ব্লগার ফারাবী, rokomari.com কে এ ফারাবী তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে হুমকি দিয়েছে ইসলাম বিরোধী বই বিক্রি বন্ধ করতে হুঁশিয়ার করে দেন তিনি।

Rokomari comঅভিজিৎ রায়ের ‘বিশ্বাসের ভাইরাস’ এবং ‘অবিশ্বাসের দর্শন’ বই দুটিকে ‘আল্লাহ ও তার রাসূলকে নিয়ে ব্যঙ্গ করা হয়েছে’ উল্লেখ করে ফারাবী হুমকি দেন- “বইগুলো সরিয়ে না নিলে রকমারি ডটকমকে করুণ পরিনতি বরণ করতে হবে।”

rokomari.com হচ্ছে বই বিক্রির প্রথম বাংলাদেশি অনলাইন পোর্টাল। হালের সব বইপত্রও অনলাইনে বিক্রির বন্দোবস্ত করে থাকে রকমারি ডটকম ।

ফারাবীর বক্তব্য : “অনলাইনে বই বিক্রি করার খুবই জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রকমারি ডটকম ওয়েবসাইটটি বর্তমানে সারাদেশে নাস্তিক্যতাবাদ বিষয়ক বইগুলি মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব নিয়েছে। এই রকমারি ডটকম ওয়েবসাইটটি নির্লজ্জের মত অভিজিৎ রায়ের “বিশ্বাসের ভাইরাস,” “অবিশ্বাসের দর্শন” এই বইগুলি তাদের ওয়েবসাইটের প্রথম পৃষ্ঠায় রেখে মানুষকে কিনতে উৎসাহ দিচ্ছে। …সৈয়দ আবুল মকসুদ, ফারুক ওয়াসিফের বইয়ের বিজ্ঞাপনও এই রকমারি ওয়েবসাইটের প্রথম পৃষ্ঠায় থাকে না, কিন্তু ঠিকই অভিজিৎ রায়/ভাইরাসজিৎ রায়ের বইগুলির বিজ্ঞাপন রকমারি ওয়েবসাইটের প্রথম পৃষ্ঠায় থাকে।”

ফারাবীর মতে, “মাহমুদুল হাসান সোহাগ একদম প্রথম থেকেই উনার রকমারি ওয়েবসাইটে জাগৃতি প্রকাশনী, শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর বস্তাপচা নাস্তিকতা-বিষয়ক বইগুলি কিনার জন্য পাঠকদের প্রমোট করছে। রকমারি ডটকমের মালিক মাহমুদুল হাসান সোহাগ বুয়েট থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পাস করে কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং পেশায় না যেয়ে খৃস্টান মিশনারিদের টাকা খেয়ে দেশে নাস্তিক্যবাদ প্রচারের মিশনে নেমেছে।”

ফারাবী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “…রকমারি ওয়েবসাইটে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা অভিজিৎ রায়ের বইয়ের বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ না করলে তাকেও থাবা বাবার (ব্লগার রাজীব হায়দার) ন্যায় করুণ পরিণিতি বরণ করতে হবে।”
একই সাথে ফারাবী রকমারি ওয়েবসাইটের অফিসে আক্রমণ করারও আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে ফারাবীর ঐ হুমকির পর রকমারি ডটকমের মালিক মাহমুদুল হাসান সোহাগ বলেন, “আমার এক ছাত্র আমাকে বিষয়টি জানায় এবং আমি তখনই অফিসে বিষয়টি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্তদের বলি যে, বই দুটি যেন হোমপেজে না থাকে এবং কোনো বিজ্ঞাপণে না যায়। তারপর থেকে সেটা মানা হচ্ছে।”

পরবর্তীতে স্বঘোষিত নাস্তিক আসিফ মহিউদ্দীন সমমনাদের নিয়ে রকমারি.কম কে বর্জন করুন নামক ফেসবুক ইভেন্ট, গ্রুপ ও পেইজ তৈরি করেন ।

নাস্তিক আসিফ মহিউদ্দীন বলেনঃ

জানা গেল, রকমারি ডট কম নামক একটি ওয়েবসাইট অভিজিৎ রায় সহ সকল নাস্তিকদের বই নিষিদ্ধ করেছে। তা তারা করতেই পারে, তারা কোন বই বিক্রি করবে না কোন বই করবে, এটা একান্তই তাদের ইচ্ছার ব্যাপার। অভিজিৎ রায়ের মত মানসম্পন্ন লেখকের এসব ছোটখাট ওয়েবসাইট নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলবে। কিন্তু পুরো বিষয়টা তাদের ইচ্ছা অনুসারে হয়ে থাকলে কোন কথা ছিল না, কিন্তু তারা এই কাজটি করেছে ফেসবুকের নিকৃষ্ট এক মোল্লা ফারাবী শফিউর রহমানের হত্যার হুমকিতে ভয় পেয়ে।
ফারাবী শফিউর রহমানকে ফেসবুক কিংবা ব্লগে চেনে না, এমন লোক খুব কমই আছে। ফেসবুকে এমন কোন মেয়ে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর যাকে সে প্রেমের প্রস্তাব দেয় নি। ফেসবুকে এমন কোন পুরুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর যার কাছে সে একুশ টাকা সাহায্য চায় নি। সে প্রকাশ্যেই ঘোষণা করেছে, সে বড়লোক মেয়ে খুঁজছে বিয়ে করার জন্য। মেয়ে কানা খোঁড়া যাই হোক তার আপত্তি নেই, শুধু টাকা থাকলেই হবে। একজন ইমামকে হত্যার হুমকি দেয়ায় একে পুলিশ ধরার পরে গোয়েন্দা পুলিশের কমিশনারের কক্ষে ফারাবী ভয়ে মূর্ছা গিয়েছিল, মুত্রত্যাগ করে কার্পেট ভিজিয়ে কান্নাকাটি করে একাকার করেছিল বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায়।
শুধু তাই নয়, সে প্রতিদিনই একে ওকে হত্যার হুমকি, উস্কানি, ফতোয়াও দিয়ে বেড়ায়। জেল থেকে জামিনে মুক্তি পাবার পরে সে আরো কয়েকগুণ জঙ্গি হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সে রক্তপিপাসু ডাইনী বুড়ি আখ্যা দিয়ে আরেকটি পনেরই আগস্ট ঘটিয়ে শেখ হাসিনাকে খুন করারও হুমকি দিয়েছে। এরপরে মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, মুনতাসির মামুন, শাহরিয়ার কবির, পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে অভিজিৎ রায়, আসিফ মহিউদ্দীন, পারভেজ আলম এবং আরো অসংখ্য ব্যক্তিকে সে হত্যার হুমকি সহ ফতোয়া দিয়েছে। সে বলেছে প্রত্যেক মুসলমানের জন্য এদের হত্যা করা ফরজ।

সেই ফারাবী এবারে রকমারি ডট কমে অভিজিৎ রায়ের বই থাকায় তার মালিককে হত্যার হুমকি দিলো, এবং সেই ওয়েবসাইটের মালিকও করজোড়ে ফারাবীর কাছে নাকে খত দিয়ে, ফারাবীর কাছে তওবা পরে, কানে ধরে তার ওয়েবসাইট থেকে অভিজিৎ রায় সহ সকল নাস্তিকদের বই প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। তা সে করতেই পারে, কিন্তু তাহলে ভেবে দেখা দরকার, সচেতন পাঠক আর এই ওয়েবসাইট থেকে বই কিনতে ইচ্ছুক কিনা। সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী জঙ্গীদের কাছে কানে ধরে উঠবস করে ক্ষমা চাওয়া নির্বোধদের কাছ থেকে মুক্তচিন্তার বই কিনতে ইচ্ছুক কিনা। তারা কী আদৌ তার যোগ্য?

তারা কী তবে হুমায়ুন আজাদের বইও নিষিদ্ধ করবে? করবে আহমদ শরীফের বইগুলোও? আরজ আলী মাতুব্বরের বইগুলো? তসলিমা নাসরিন থেকে শুরু করে মুক্তিমনা অন্যান্য সকল লেখকদের বই কেন তাদের ওয়েবসাইটে থাকবে? তাদের ওয়েবসাইটে মুকছেদুল মুমিনিন আর নামাজের ফজিলত ছাড়া অন্য কোন বই থাকার কোন প্রয়োজনই দেখি না।

সবচাইতে মজার ব্যাপার হচ্ছে, ওয়েবসাইটটি থেকে মুক্তমনা লেখকদের বই সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও নব্বই বছরের সাজাপ্রাপ্ত রাজাকারকুল শিরোমণি গোলাম আজম, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী দেলোয়ার সাইদী সহ অসংখ্য রাজাকার আলবদর আলশামসের বই সগৌরবে শোভা পাচ্ছে ওয়েবসাইটটিতে। শুধু তাই নয়, এই শতাব্দীতে বসবাস করে এক উজবুক বই লিখেছে, “পৃথিবী নয়, সূর্যই ঘোরে”-সেই বইটিও শোভা পাচ্ছে তাদের ওয়েবসাইটে। রাজাকারবান্ধব, সাম্প্রদায়িক, ধর্মান্ধ, মৌলবাদীদের কাছে নাকে খত দেয়া, মুক্তচিন্তার বই নিষিদ্ধকারী এই ওয়েবসাইটটিকে আমরা সচেতন নাগরিকরা কী বর্জন করতে পারি না?

নাস্তিক আসিফ মহিউদ্দীন তার আরেক স্ট্যাটাসে বলেনঃ

rokomari

বিতর্কিত লেখক অভিজিৎ রায় বলেনঃ

অনেকেই এর মধ্যে ব্যাপারটা জেনে গেছেন। রকমারি ( rokomari.com) নাকি আমার বই সরানোর ঘোষণা দিয়েছে। এটা খুব দুর্ভাগ্যজনক যে রকমারির মত প্রতিষ্ঠান ফারাবীর ট্র্যাপে পা দিচ্ছে। ফারাবী জেল খাটা আসামী। মানসিক বিকারগ্রন্থ। ইমামকে হুমকি দেয়ার জন্য তার নামে মামলা আছে। ঢাকা জজ কোর্টের জেলা জজ জহুরুল হককেও হত্যার হুমকিও নাকি দিয়েছিল। আসিফ মহিউদ্দীনকেও হত্যার হুমকি দিয়েছিল ফারাবী। মজার ব্যাপার হচ্ছে যাকে সে হত্যার হুমকি দেয়, দুই দিন পরে আবার তার কাছেই টাকা চায়। হত্যার হুমকি দেয়ার মতো টাকা চাওয়াটাও নাকি ওর বাতিক। অনেকেই বলে – মেয়েদের সাথে যৌনালাপ করতে করতেই সে নাকি তাদের কাছে টাকা চায়। এর মধ্যে একবার দেখলাম নাট্যব্যক্তিত্ব পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে লিখেছিল – ‘ FDC এর এই পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় যদি দেশের আলেম উ-লামাদের কাছে ক্ষমা না চায় তাইলে এই পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়কেও থাবা বাবার মত করুন পরিনিতি বরন করতে হবে।’ কিছুদিন আগে মুক্তচিন্তার পারভেজ আলমকে হত্যার ফতোয়া দিয়েছিল এই ডিজিটাল জিহাদি। তার নোটে লিখেছিল – ‘এই পারভেজ আলম কে হত্যা করা বাংলার মুসলমানদের জন্য এখন ফরজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’আর আমাকে হত্যার উস্কানি তো আছেই।

পাশাপাশি সে নানাভাবে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে। বহু লিঙ্ক আছে সেসবের। তার কথায় রকমারি বই সরিয়ে নিলে সেটা শুধু আমার অপমান নয়, সেই সাথে বাক স্বাধীনতার উপরেও হস্তক্ষেপ। আমার বই বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ। কোথাওই কোন ধার্মিক বা কাউকে গালাগালি করা হয়নি। সেটা আমি কখনো করিও না। আমার বইয়ে পৃথিবীর বড় বড় বিজ্ঞানী আর দার্শনিকের রেফারেন্স থাকে। আজ ফারাবীর ভয়ে আমার বই সরাচ্ছেন, কাল হুমায়ুন আজাদ আর আহমদ শরীফের বই সরাবেন, পরশু অন্য কারো। শেষ পর্যন্ত কি তবে কেবল মোকসুদল মোমেনিন জাতীয় বই আপনারা বিক্রি করবেন? অন্য কিছুই আর বলা যাবে না?

আমি সামান্য লেখক। কিন্তু যা লিখি সততার সাথে লিখি। কাউকে হুমকি ধামকি দেই না। আশা করব রকমারি এবং তাদের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা বিষয়টি মাথায় রাখবেন। দয়া করে ব্যবসার সাথে ব্যক্তিগত বিশ্বাস জরাবেন না। ফারাবী হাজার হাজার মানুষকে মৃত্যু হুমকি দিয়েছে। তার হুমকি সত্য হলে আমরা কেউ আজ বেঁচে থাকতাম না। রকমারির উচিৎ লেখকের স্বাধীনতার প্রতি অবিচল থাকা। আমার বই রাষ্ট্র থেকে ব্যান করা হয়নি, আদালতে যায়নি। ফারাবীই বরং আদালতে চার্জশিটপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী। তার কথায় আমার বইকে তালিকা থেকে সরানোর কারণটা হাস্যকর। আমরা তো কোন ধর্মীয় বই তালিকা থেকে সরাতে বলছি না। শুধু ধর্মীয় বই কেন, বহু জিহাদী বানী সমৃদ্ধ উগ্র বইপত্র থেকে শুরু করে বড় বড় রাজাকারদের লেখা বই রকমারিতে পাওয়া যায়। সব ছেড়ে আপনাদের চোখ পড়ল এমন এক লেখকের যিনি হুমকি ধামনি দেন না, কেবল যিনি বিজ্ঞান নিয়ে লেখেন? আসলে ভয়টা কার? স্মরণ করি মিখাইল বুলগাকভের উপন্যাস ‘মাস্টার এণ্ড মার্গারিটার’ বিখ্যাত উদ্ধৃতি –‘পাণ্ডুলিপি পোড়ে না’। মুক্তচিন্তককে আক্রমণ করা যায়, কিন্তু তার চিন্তাকে নাশ করা যায় না।

আমি ক্ষুদ্র লেখক, কিন্তু আমারও অগণিত পাঠক আছেন, আছেন শুভানুধ্যায়ী – যারা আমার বই কেনেন, পড়েন। আমি হয়তো ফারাবীর মত মধ্যযুগীয় বর্বরতায় হুমকি দেব না, কিন্তু আমি জানি আমি বললে এখন সবাই আপনাদের রকমারির বিরুদ্ধে লেখা শুরু করবেন। সেটা নিশ্চয় ভাল হবে না, তাই না? রকমারি ব্যাপারটা ভেবে দেখবে আশা করছি। এর মধ্যেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। Nijhoom Majumder অলরেডি লিখেছেন, “আমি এই পর্যন্ত রকমারি থেকে ১৬,৫৮৫ টাকার বই কিনেছি দুইটি একাউন্ট থেকে। যদি ফারাবীর কথা অনুযায়ী অভিজিৎদা কিংবা নাস্তিকতা প্রচার করছে, এমন অভিযোগে বা এমন কারনে এমন বই রকমারি বাদ দিয়ে দেয়, তবে পাব্লিক স্ট্যাটাস দিয়েই রকমারি বর্জন করব”। Durgesh Nondini লিখেন, ” Not buying anything from that site for sure”. Sazedul Waheed Nitol লিখেন, ” আমার অর্ডার হিস্ট্রিতে গিয়ে ক্যালকুলেটরে হিসাব করে দেখলাম- রকমারি থেকে দুই বছরে প্রায় সাড়ে নয় হাজার টাকার বই আমি কিনেছি।ঢাকায় থাকি না,তাই রকমারি আমার জন্য একটু বিশাল সুযোগ হিসেবে এসেছিল। অনেক কৃতজ্ঞতা জমা ছিলো সাইটের পরিচালকদের জন্য। সাইটের এডমিনদের এমন একটা জীবের কাছে আত্মসমর্পণ দেখে খুবই মন খারাপ লাগছে। শ্রদ্ধার জায়গাগুলো ধীরে ধীরে কমে আসছে। আজাদ সাহেব ঠিকই বলে গেছেন- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে”। ব্যাপারটা আপনাদের ব্যাবসার জন্যই ভাল হবে না। রকমারি লেখকদের বইয়ে চলার কথা, ফারাবির কথায় নয়। আমার বই পছন্দ না হলে পাঠকেরা এমনেই কিনবে না। ফারাবীর উস্কানিতে বই সরিয়ে দিয়ে রকমারি প্রমাণ করলো যে তারা সত্যই ‘বিশ্বাসের ভাইরাস’ দিয়ে আক্রান্ত।

ফারাবী এক সময় প্রধানমন্ত্রীকেও মৃত্যু হুমকি দিয়েছিল।দেশের আইনে ভার্চুয়ালে লাইফ থ্রেট দিলে জামিন অযোগ্য বহু বছরের জেলের ব্যবস্থা আছে । সোহাগ সাহেবের উচিৎ আমার বই না সরিয়ে ফারাবীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া। এর আগেও তাই হয়েছিল, আইনের কথা বললেই ফারাবীরা লেজ গুটিয়ে পালায়।সেটাই দরকার এই মুহূর্তে।

পরবর্তীতে ফেসবুক স্ট্যাটাসে বিতর্কিত ব্লগার ফারাবী বলেনঃ

বাংলাদেশের নাস্তিকদের বিবেক বলে কিছু নেই। এরা স্বার্থগত কারণে যাকে তাকে মাথায় তুলে, আবার তাদের মতের বিরুদ্ধে গেলে সাথে সাথেই তাকে লাত্থি দিয়ে দূরে সরিয়ে দিতে পারে। এখানেই নাস্তিকদের সাথে মুসলমানদের পার্থক্য। যেই রকমারির মালিক সোহাগ ভাই একসময় মুক্তমনাদের খুবই প্রিয় ব্যক্তি ছিলেন আর এখন নাস্তিকরা সোহাগ ভাইয়ের ১৪ গোষ্ঠী উদ্ধার করছে। শুধু তাই নয় রকমারির মালিক সোহাগ ভাইকে এখন অভিজিৎ গংরা জামাত শিবির ট্যাগও দিচ্ছে। নাস্তিকদেরকে ধিক্কার তারা নিজের মনমতো না হলেই যাকে তাকে জামাতি বানিয়ে দিবে। এতদিন যেই সোহাগের সাথে নাস্তিকরা ভাল সম্পর্ক রেখেছে, এখন তাকে এককথায় নাস্তিকরা জামাত শিবির বানিয়ে ছাড়ছে। শুধু তাই নয় সোহাগ ভাইয়ের এই রকমারি কে বর্জন করার জন্য নাস্তিকরা ইভেন্ট ও পেইজও খুলেছে। তাইলে আমরা বুঝতে পারলাম যে এই নাস্তিকরা হলো বেঈমান, তাই এদের থেকে সবার সাবধান হওয়া উচিত। সোহাগ ভাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ যে উনি হাদীস বিকৃতিকারী মালাউন অভিজিৎ রায়ের বই উনার রকমারি থেকে সরিয়ে ফেলেছেন। আমি আশা করি রকমারি ডট কমের মালিক মাহমুদুল হাসান সোহাগ ভাই আরজ আলী মাতুব্বর, হুমায়ন আজাদ, তসলিমা নাসরীনের নাস্তিকতা বিষয়ক বইগুলিও রকমারি থেকে সরিয়ে ফেলবেন। নাস্তিকদের বইগুলি যারাই বের করুক না কেন কারো ঠেকা পরে নাই যে শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে যেয়ে নাস্তিকদের এইসব বস্তাপচা বই কিনবে। কিন্তু এই রকমারির মাধ্যমেই নাস্তিকদের এইসব বই মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে। তাই রকমারির প্রতি আমার এত ক্ষোভ ছিল। তবে আমি আশা করি রকমারিতে আর কখনই নাস্তিকদের এইসব বস্তাপচা বই বিক্রি হবে না। আর বাংলাদেশে নাস্তিকের সংখ্যা ১০০০ এর বেশী নাই। আর এই ১০০০ লোক রকমারি থেকে বই না কিনলেও Mahmudul Hasan Sohag ভাই না খেয়ে মরবেন না। আর উনি তো উনার উদ্ভাস কোচিং এর মাধ্যমেই লাখ লাখ টাকা কামাচ্ছেন। আমার তো মনে হয় মাইক্রোসফটে চাকরি করলেও সোহাগ ভাই এত টাকা কামাতে পারতেন না।

এখন এই মালাউন অভিজিৎ রায়ের প্রতি আমার এত ক্ষোভ কেন তা আপনাদের কে একটু বলি। জানুয়ারী মাসের ২২ তারিখে মুক্তমনা ব্লগে “বাংলাদেশ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নতুন সংযোজন ‘ধর্ম ও নৈতিকতা’ নিয়ে কিছু কথা” এই নাম শীর্ষক ব্লগে অভিজিৎ রায় ৩ জন সম্মানিত উম্মুল মুমেনীন হযরত রায়হানা, হযরত সাফিয়া ও হযরত জুহায়রিয়া রাযিয়াল্লাহু আনহা কে রক্ষিতা বা বেশ্যা বলে (নাউযুবিল্লাহ) অভিহিত করে পুরা মুসলিম জাতিকে অপমানিত করেছিল । শুধু তাই নয় এই অভিজিৎ রায় উনার ঐ ব্লগে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নাকি ২০/২২ জন স্ত্রী ছিল এই চরম মিথ্যা কথাটাও বলেছেন (নাউযুবিল্লাহ) । ইসলামের সীরাত গ্রন্থ গুলি হচ্ছে সীরাতে ইবনে ইসহাক, সীরাতে ইবনে হিশাম। এইসব সীরাতে স্পষ্ট বলা আছে যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী ছিল ১১ জন। এইসব সীরাতে হযরত স্যাফিয়া,হযরত জুহায়রিয়া,হযরত মারিয়া কিবতিয়া ও হযরত রায়হানা উনাদের বলা হয়েছে উম্মুল মুমেনীন। কিন্তু এই অভিজিৎ রায় আলী সিনা, মোহাম্মদ আলী এইসব খৃস্টান মিশনারীদের রেফারেন্সে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই ৩ জন স্ত্রী হযরত রায়হানা, হযরত সাফিয়া ও হযরত জুহায়রিয়া রাযিয়াল্লাহু আনহা কে রক্ষিতা বা বেশ্যা বলে অভিহিত করে পুরা মুসলিম জাতিকে অপমানিত করেছেন। আচ্ছা আপনার মাকে কেউ যদি বলে যে আপনার মা হচ্ছে আপনার পিতার রক্ষিতা তাইলে কি আপনি সেই ব্যক্তিকে হত্যা করবেন না ? আর সেখানে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রীরা হল উম্মুল মুমেনীন বা মুমিনদের মাতা। আর অভিজিৎ রায় যদি আমাদের মাদের কে বলে যে আমাদের মা রা ছিল বেশ্যা তাইলে এই অভিজিৎ রায়কে হত্যা করা কি আমাদের মুসলমানদের উপর ফরজ না ? কারো বিবাহিত স্ত্রীকে রক্ষিতা বলাই কি বাক স্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তার প্রকাশ ? তারপর দীর্ঘদিন ধরে এই অভিজিৎ রায় আত তাবারী নামক একটি ইতিহাস গ্রন্থ কে হাদীস গ্রন্থ বলে চালিয়ে যাচ্ছিল আমাদের মাঝে। অভিজিৎ রায় তার নোটে ও ব্লগে প্রায়ই বলে যে আত তাবারীই নাকি হচ্ছে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবন সম্পর্কে জানার সবচেয়ে ভাল উৎস ! অভিজিৎ রায়ের কথা হচ্ছে বুখারী মুসলিম তিরমিযী সীরাতে ইবনে ইসহাক, সীরাতে ইবনে হিশাম বাদ দিয়ে আমরা মুসলমানরা এখন থেকে ইসলাম জানব আত তাবারী নামক একটা ইতিহাস গ্রন্থ থেকে ! তারপর এই অভিজিৎ রায় প্রায়ই কোরআন হাদিস বিকৃতি করে। সূরা আত তাহরীমের ১ম ১২ আয়াতের শানে নুযুলে উম্মুল মুমেনীন মারিয়া কিবতিয়ার নাম কোন তাফসীরকারক উল্লেখ না করলেও এই অভিজিৎ রায় উনার লেখা নোটে ও ব্লগে উম্মুল মুমেনীন মারিয়া কিবতিয়ার প্রসঙ্গ টেনে নিয়ে এসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে চরম অশ্লীল কিছু কথা বলেছে। উম্মুল মুমেনীন মারিয়া কিবতিয়া সম্পর্কে অভিজিৎ রায়ের সকল প্রশ্নের জবাব এখানে দেয়া হয়েছে http://www.shodalap.org/munim/21422/

যেই কথা বুখারী শরীফে নাই সেই কথাগুলিও অভিজিৎ রায় তার লেখা নোটে ও ব্লগে নিজে থেকে সংযোজন করে দেয়। অর্থাৎ হাদীস বিকৃতিতে এই মালাউন অভিজিৎ রায়ের জুড়ি নাই। এই অভিজিৎ রায় কিভাবে উনার “বিশ্বাসের ভাইরাস” বইতে বুখারী শরিফের হাদিস বিকৃত করেছে তা আমি হাতে নাতে এইখানে ধরিয়ে দিয়েছি http://www.farabiblog.com/?p=133

এখন আপনারাই বলেন যেই অভিজিৎ রায় দিনের পর দিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রীদের কে বেশ্যা বলে সম্বোধন করেছে (নাউযুবিল্লাহ) , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ২২ জন স্ত্রী ছিল (নাউযুবিল্লাহ) , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনেকগুলা যৌণদাসি ছিল (নাউযুবিল্লাহ) , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নাকি একজন কামার্ত বৃদ্ধ ছিলেন (নাউযুবিল্লাহ) এইসব মিথ্যাকথা তার মুক্তমনা ব্লগে প্রচার করে বেড়িয়েছে আর এই মালাউন অভিজিৎ রায়ের বই যদি আমাদের নাকের ডগায় বিক্রি হয় তাইলে কি আমরা মুসলমানরা চুপ করে থাকতে পারি ? আচ্ছা কয়টা সাধারন মুসলমান জানে যে আত তাবারী হচ্ছে একটা ভেজাল মিশ্রিত ইতিহাসগ্রন্থ আত তাবারী কোন হাদিস গ্রন্থ নয়। কিন্তু এই অভিজিৎ রায়ের বই পড়ে তো সাধারন মুসলমানরা আত তাবারীকেই হাদীস গ্রন্থ মনে করে চরমভাবে গোমরাহ হচ্ছে। তাই বাংলাদেশ সরকারের উচিত এই মালাউন অভিজিৎ রায়ের বইগুলি নিষিদ্ধ করা।

এই অভিজিৎ রায় দিনের পর দিন উনার মুক্তমনা ওয়েবসাইটে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্যক্তিগত চরিত্র সম্পর্কে চরম মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। হাজার হাজার information Gap রেখে এই মুক্তমনা ওয়েবসাইটে আল্লাহর রাসূল কে নিয়ে প্রতিদিন চরম ব্যঙ্গ করা হচ্ছে।
তারপর আসিফ মহিউদ্দীনকে কেন আমি হত্যার হুমকি দিয়েছি সেটাও অনেকে জানতে চেয়েছেন। আসিফ মহিউদ্দীন ফেব্রুয়ারি মাসের ১১ তারিখে তার একটি ফেইসবুক ছবিতে আল কোরআন কে চরম ভাবে ব্যঙ্গ করেছে। ২ জন অর্ধ উলঙ্গ নারী পুরুষ যৌণ ক্রিয়ায় লিপ্ত আর তাদের গাঁয়ে আল কোরআনের আয়াত খোদিত করা আছে আর তার তাদের পায়ের পাশে আল কোরআনের আয়াত রয়েছে এরকম একটা ছবি ফেব্রুয়ারি মাসের ১১ তারিখে আসিফ মহিউদ্দীন তার ফেইসবুক ওয়ালে পোস্ট করেছিল। ঐ ছবির মাঝে যৌণ ক্রিয়ায় লিপ্ত ২ জন অর্ধ উলঙ্গ নারী পুরুষের পাশে বড় করে লেখা The Holy Quran. আর ছবির নিচে যৌণ ক্রিয়ায় লিপ্ত ঐ ২ জন নারী পুরুষের পায়ের নিচে আল কোরআনের সূরা নিসার ৩৪ নং আয়াতটা নাস্তিকদের মনমত অনুবাদ করে লেখা হয়েছে। আপনারা এই লিংক http://tinyurl.com/pss8gx3 এ যেয়ে আসিফ মহিউদ্দীনের কোরআন কে নিয়ে ব্যঙ্গ করা সেই ছবিটা দেখতে পারবেন। আসিফ মহিউদ্দীনের সেই ছবিটার উপজীব্য হল আল কোরআনে নাকি ম্যাসাকিজম বা মর্ষকাম (Masochism) এর কথা বলা হয়েছে (নাউযুবিল্লাহ) ! যৌণ ক্রিয়ায় লিপ্ত ২ জন নারী পুরুষ তাদের যৌণ ক্রিয়ার সময় একজন আরেকজন কে যদি শারিরীকভাবে আঘাত করে আনন্দ পায় তাইলেই এটাকে ম্যাসাকিজম বা মর্ষকাম বলা হয়। ম্যাসাকিজম বা মর্ষকাম হল একটি বিকৃত যৌনাচার। এখন আমার কথা হল আল কোরআনে কোথায় বলা আছে এই ম্যাসাকিজম বা মর্ষকামের কথা ? আল কোরআনে কি কোথাও লেখা আছে যে যৌণক্রিয়ার সময় স্বামী স্ত্রী মর্ষকাম করবে বা স্বামী স্ত্রী একজন আরেকজন কে শৃঙ্গার করবে ? তাইলে আসিফ মহিউদ্দীন এই ম্যাসাকিজম বা মর্ষকামের সাথে আল কোরআনের কি সম্পর্ক পেল ? আসিফ মহিউদ্দীন যতদিন বাংলাদেশে ছিল কই তখন তো তাকে কখনই যৌণ ক্রিয়ায় লিপ্ত ২ জন নারী পুরুষের ছবির মাঝে আল কোরআনের কোন ছবি দিয়ে তাকে কোন ফেইসবুক status দিতে আমি দেখি নাই। তাইলে কি শুধু মাত্র তার জার্মানীর প্রভুদের কে সন্তুষ্ট করতেই আসিফ মহিউদ্দীন আল কোরআন কে ব্যঙ্গ করে এই ছবিটা পোস্ট করেছে ?

এখন আপনারাই বলেন বাকস্বাধীনতার নাম দিয়ে যদি নাস্তিকরা এইভাবে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রীদের কে রক্ষিতা বলে, যৌণ ক্রিয়ায় লিপ্ত অর্ধ উলঙ্গ নারী পুরুষের পায়ের নিচে আল কোরআনের ছবি ফেইসবুকে পোস্ট করে তাইলে কি এগুলিকে নাস্তিকতা বলা যায় ? এই পৃথিবীর একজন প্রথম শ্রেণীর নাস্তিক রিচার্ড ডকিন্স কি কখনই উনার কোন ব্লগে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রীদের কে রক্ষিতা বলেছেন বা আল কোরআনকে ব্যঙ্গ করে কোন ছবি পোস্ট করেছেন উনার ফেইসবুকে ? সত্যি কথা বলতে কি আমরা যাদের কে নাস্তিক বলে চিনছি তারা আসলে কেউই নাস্তিক না তারা হচ্ছে সব চরম ইসলাম বিদ্বেষী। তারা নাস্তিকতার মুখোশ পড়ে খৃস্টান মিশনারিদের টাকা খেয়ে মুসলমানদের ঈমান ধ্বংসের মিশনে নেমেছে।

আচ্ছা এখন তো ২০১৪ সাল। আপনারা কি জানেন এই ২০১৪ সালেও হিন্দু মেয়েরা তাদের বাপ মা স্বামীর কোন সম্পত্তির মালিক হয় না, কোটিপতি বাপের মেয়ে হলেও একটা হিন্দু মেয়ে তার বাপের কোন অস্থাবর স্থাবর সম্পত্তি পায় না। একটা হিন্দু মেয়ে কখনই তার স্বামীকে তালাক দিতে পারে না, একটা হিন্দু মেয়ে বিয়ের সময় কোন দেনমোহর পায় না, শুধু তাই নয় হিন্দু মেয়েদের বিয়েতে কোন সাক্ষীও থাকে না। অগ্নিকে সাক্ষী রেখে এই হিন্দু মেয়েদের বিয়ে হয়। যারা Law তে পড়াশুনা করেছেন তারা সবাই জানেন যে হিন্দু আইনে বিয়েকে কোন চুক্তি বলা হয় নাই হিন্দু আইনে বিয়েকে বলা হয়েছে একটি সামাজিক অনুষ্ঠান। তাই স্বাভাবিক ভাবেই হিন্দু মেয়েদের বিয়ের সময়ে কোন সাক্ষীও থাকে না ও হিন্দু মেয়েরা বিয়ের সময়ে স্বামীর কাছ থেকে কোন দেনমোহরও পায় না। সত্যিকথা বলতে হিন্দু ধর্মে মেয়েদের কে এক টুকরা মাংস ছাড়া আর কিছুই মনে করা হয় না। তাই হিন্দু ধর্মে মেয়েদের নূন্যতম অধিকার বলতে কিছু নাই। কিন্তু আপনারা কি কখনই দেখেছেন এই অভিজিৎ রায় আসিফ মহিউদ্দীনদেরকে এই হিন্দু পারিবারিক আইন সংস্কার করা নিয়ে কিছু লিখতে। কিন্তু দ্বীন ইসলাম কে জড়িয়ে মিথ্যা কথা বলার যেন শেষ নাই এই অভিজিৎ রায়দের। আসলে এই অভিজিৎ রায় কোন নাস্তিক না এই অভিজিৎ রায় হচ্ছে একটা কট্টর হিন্দু যে নাস্তিকতার আড়ালে মুসলমানদের ঈমান ধ্বংসের মিশনে নেমেছে।

এবার অপেক্ষার পালা এই বিতর্ক রকমারি ডটকমকে কোথায় নিয়ে দাড় করায় ,

“তবে আমার ব্যক্তিগত মতামত rokomari.com এ যেন কোন ইসলাম বিরোধী, উগ্রবাদী বা বিতর্কিত লেখকের বই বিক্রি করা না হয় । ”

2 মন্তব্য
  1. ব্লগার ভাই বলেছেন

    শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

  2. Al Amin Siddiky বলেছেন

    rokomari.com এ যেন কোন ইসলাম বিরোধী, উগ্রবাদী বা বিতর্কিত লেখকের বই বিক্রি করা না হয় । “

উত্তর দিন