Home আই টি সংবাদ ওয়াই-ফাই হটস্পট নির্মাণে নীতিমালা করছে সরকার

ওয়াই-ফাই হটস্পট নির্মাণে নীতিমালা করছে সরকার

61
0
SHARE

সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের ঘোষণা অনুযায়ী সারা দেশে এক লাখ ফ্রি ওয়াই-ফাই হটস্পট তৈরির কথা রয়েছে। তবে হটস্পট নির্মাণের আগেই এ সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ক্ষতিকর ও কোনো ধরনের অপকর্ম করে যাতে কেউ পার পেয়ে যেতে না পারে সে জন্য একটি নীতিমালার অভাব বোধ করছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ। সেই অভাব থেকেই নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আইসিটি বিভাগের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ, ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুরের ফ্রি ওয়াই-ফাই হটস্পট নির্মাণের নীতিমালাগুলো দেখে এবং যাচাই-বাছাই করে একটি স্বতন্ত্র নীতিমালা তৈরি করা হবে। সেই নীতিমালা মেনে দেশে ওয়াই-ফাই হটস্পট তৈরি করা হবে। সূত্র আরও জানায়, ওয়াই-ফাই হটস্পট নির্মাণের ঘোষণা যখন দেয়া হয় সেই সময় তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশের কথা চিন্তা করে অনেক কিছুই আমলে নেয়া হয়নি। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে যে কোনো ধরনের জটিলতা এড়াতে নীতিমালা তৈরি জরুরি হয়ে পড়েছে। সেই বিবেচনায় এখন নীতিমালা তৈরির জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, ওয়াই-ফাই হটস্পটের জন্য খসড়া নীতিমালা তৈরির কাজ এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। বর্তমান সরকার দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর আইসিটি বিভাগ সারা দেশে এক লাখ ফ্রি ওয়াই-ফাই হটস্পট (জোন) তৈরির ঘোষণা দেয়। ওই ঘোষণায় বলা হয়, ইউনিয়ন পর্যায়ের হাটবাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, লঞ্চঘাট, বাস স্টেশনসহ বিভিন্ন স্থানে এসব হটস্পট তৈরি করা হবে। সরকারি যেসব অফিসে ইন্টারনেট সংযোগ আছে, সেখানে যদি রাউটার বসানো হয় তাহলে ওই অফিসে আসা লোকজনকে নেটওয়ার্কের আওতায় আনা যাবে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানান, সারা দেশের ১৮ হাজার ১৩১টি সরকারি অফিস ব্রডব্যান্ড (উচ্চগতি) ইন্টারনেটের আওতায় আনা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানও হটস্পটের আওতায় আনা হবে। সচিবালয়ের ৫০৬টি স্পট ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও হটস্পট তৈরি করা হয়েছে বলে জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, হটস্পটে ইয়ুথ কর্নার তৈরি করা হবে। এ কর্নারকে আইটি কর্নার ও ইনফর্মেশন সেন্টার হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সেখানে স্থাপন করা হবে ইন্টারনেট কিয়স্ক ও একটি বড় এলইডি টিভি। ওয়াই-ফাই জোন হওয়ায় কিয়স্কে থাকবে উচ্চগতির ইন্টারনেট। তিনি বলেন, ‘ওয়াই-ফাইয়ের গতি কত হবে, কতটুকু এলাকা এর আওতাভুক্ত হবে, কোন ধরনের জায়গায় বসানো হবে, কী ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হবে ইত্যাদি বিষয় আমাদের বিবেচনায় নিতে হচ্ছে। তরুণ প্রজন্মের আগ্রহের মূলে এখন এটা। তরুণ প্রজন্মকে আমরা এ ফ্রি হটস্পট নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে চাই।