আসসালামু আলাইকুম ।
আশা করি সবাই ভালো আছেন । রমজান একেবারে সন্নিকটে । তাই চলুন রমজান সম্পর্কে কিছু মাসআলা জেনে নেই ।
-
নিয়ত:- আরবিতে নিয়ত করা জরুরি নয় বরং যেকোনো ভাষা তেই নিয়ত করা শুদ্ধ হবে ।
-
সেহরী খাওয়া :-সেহরী খাওয়া সুন্নাত এবং এর অনেক ফজিলত ও রয়েছে । তাই ক্ষুধা না থাকা সত্তেও কিছু পরিমানে খাবার খাওয়া উত্তম । তবে কেউ প্রবল নিদ্রার কারণে ঘুম থেকে উঠতে না পারলে শুধু নিয়ত করেই রোজা রেখে দেবে । সেহরী না খেলে রোজা তরক করতে পারবেনা । (ফাতওয়া এ জামিয়া )
-
কাজা:-কাজা হচ্ছে একটির বদলে একটি, অর্থাত কেউ যদি এক ওয়াক্ত নামাজ না পড়ে তাহলে তাকে পরে সেই ওয়াক্ত টি পড়ে নিয়াযকে কাজা বলে । তদ্রুপ যে সমস্ত কারণে রজার কাজা ওয়াজিব হয় সেই ক্ষেত্রে তার একটি রাজা রাখাই যথেষ্ট ।
-
কাফফারা :- আর কাফফারা হছে একটির বদলে ৬০ টি এবং ৬০ টি রোজা একাধারে রাখতে হবে যদি মাঝ থেকে এক টি রোজা ছুটে যায় তবে আবার ৬০ টি রোজা রাখতে হবে । তবে যদি ৬০ টি রোজা একাধারে রাখতে সক্ষম না হয়, তাহলে ৬০ জন মিসকিন কে তৃপ্তি সহকারে ২ বেলা খাওয়াতে হবে,অথবা একজন মিসকিন কে ৬০ দিন ২ বেলা করে খাওয়াতে হবে ।
-
রোজা অবস্থায় ইচ্ছা কৃত ভাবে কোনো কিছু খেলে অথবা পান করলে তার উপর রজার কাজ ও কাফফারা উভয় টিই ওয়াজিব হবে ।
-
রোজা অবস্থায় স্বামী-স্ত্রী ইচ্ছাকৃত ভাবে দৈহিক মিলন ঘটলে তাদের উপর রোজার কাজা ও কাফফারা উভয় টিই ওয়াজিব হবে ।
-
অনিচ্ছায় পানি/ খাবার খেলে/গোসলের /অজুর সময় পেটে পানি চলে গেলে /ইচ্ছা কৃত ভাবে হস্ত মৈথুন / স্ত্রী কে স্পর্শ করার কারণে বীর্য পাত ঘটলে রোজা ভেঙ্গে যাবে এবং তার কাজ আদায় করতে হবে কিন্তু ক্ফারা ওয়াজিব হবেনা ।
-
ইচ্ছে বা অনিচ্ছায় কোনো কারণে রোজা ভেঙ্গে গেলে সেটির পুনরাবৃতি যেন না ঘটে অর্থাত ভুল বসত কেউ রোজা অবস্থায় খাবার খেয়ে ফেলল, “পরবর্তিতে সে চিন্তা করলো যে যাহেতু রোজা ভেঙ্গেই ফেলেছি সেহেতু আজকে আর রোজা রাখবোনা” এমন টি কিন্তু ঠিক নয় বরং যখনি তার রজার কথা মনে পড়েছে তখন থেকেই সে যেন এলার্ট হে যায় বাকি দিনে যেন এমনটি না হয় এবং ইফতারের আগ পর্যন্ত আর যেন কোনো কিছু না খায় ।
-
আর যারা রোজা রাখবেননা তাদের কে বলছি প্লিজ একটু দয়া করে হলেও রোজাদার দের সামনে কোনো কিছু খাবেননা যদি একটু চক্ষু লজ্জা থেকে থাকে ।
আর আসুন পবিত্র এই মাসটির কথা মাথায় রেখে সব ধরনের পাপ কে বর্জন করি । আসলে যে সমস্ত পাপ কাজে আমরা লিপ্ত হই সে গুলো কিন্তু একদমই খনিকের সর্বোচ্চ ১ মাস এর রেশ আমাদের ভেতর থাকে । কিন্তু দেখুন মৃত্যুর পর যে জীবন সেই জীবনের কিন্তু কোনো মৃত্যু নেই । তাই আসুন একটু কষ্ট করে হলেও অন্তত এই মাসটির জন্য (যারা রোজা রাখব এবং রাখবোনা) আমাদের সমস্ত পাপ কে দুরে রাখি ।
ও আরেকটি কথা গত কাল আমাদের দেশের বর্তমানের সবচেয়ে প্রিয় যে সাহিত্য বেক্তিত্ব তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন তাই আহান আমরা তার রুহের মাগফেরাত কামনা আল্লাহ যেন তাকে জানত নাসিব করেন
আমিন ।
আর সুযোগ হলে আমার ব্লগটি একবার দেখে আসবেন, দাওয়াত রইলো ।




























খুবই সুন্দর পোস্ট ! অনেক ধন্যবাদ আপনাকে …।
নাইস। খুব ভাল পোস্ট। ধন্যবাদ আপনাকে।
you r most well come
Nice Post
thanks for share
thanxxxx…to share