ফ্রিল্যান্সিংয়ে নারীরা বৈষম্যের শিকার

0

অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কাজে নারীরা বেশি বৈষম্যের শিকার হন।

একই সমান এবং সমান দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেও নারীরা কম মজুরি পান। আর কাজের ক্ষেত্রের বড় অংশই দখল করে রেখেছে পুরুষরা।

সম্প্রতি অনলাইনে অর্থ লেনদেন প্রতিষ্ঠান পেওনিয়ার পরিচালতি এক জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিষ্ঠানটি ২১ হাজারেরও বেশি ফ্রিল্যান্সারের উপর জরিপ চালিয়েছে। যেখানে অনলাইনে অর্থ সেবা প্রতিষ্ঠানটি লিঙ্গ বৈষম্যের বিষয়টি অন্যতম বড় সমস্যা দেখিয়েছেন।

বিশ্বজুড়ে ফ্রিল্যান্সাররা গড়ে প্রতি ঘণ্টায় ১৯ ডলার করে আয় করেন। বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সারের দেশের গড় আয়ের চেয়ে তা বেশি হলেও পুরুষরা নারীদের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি আয় করছেন।

অন্যদিকে একই শ্রম, মেধা ও সময় দিয়ে ঠিক একই কাজ করার জন্য পুরুষরা যেখানে ঘণ্টায় গড়ে ২০ ডলার আয় করছেন, সেখানে নারীদের দেয়া হচ্ছে মাত্র ১৬ ডলার।

শুধু আয়ের দিকে নয়, ফ্রিল্যান্স বাজারের ৭৭ শতাংশ পুরুষের দখলে। সেখানে ২৩ শতাংশ নারীরা অংশগ্রহণ করছে।

সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপার হলো, অন্যান্য সব কাজের চেয়ে আইটি ও প্রোগ্রামিং খাতে নারীদের সঙ্গে পুরুষের ঘণ্টা প্রতি গড় আয়ের পার্থক্য সবচাইতে বেশি। ডিজাইন, মাল্টিমিডিয়া, লেখা ও ট্রান্সলেশনে এই পার্থক্য সবচেয়ে কম।

ফ্রিল্যান্সিংয়ে যারা এইচএসসি বা স্নাতকের পর আর ডিগ্রি নেননি তাদের চেয়ে মাস্টার্স বা পিএইচডি ডিগ্রিধারীদের আয় বেশি। প্রায় ৮০ শতাংশ ফ্রিল্যান্সার একসঙ্গে এক থেকে তিনটি কাজ করেন।

এছাড়া নিজেদের কাজ ছড়িয়ে দিতে ফেইসবুককে বেছে নেন ৫৪ শতাংশ ফ্রিল্যান্সার। বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সার সপ্তাহে ৩১ থেকে ৪০ ঘণ্টা সময় কাজ করেন। এ ছাড়া ৪১ থেকে ৫০ ঘণ্টাও করেন অনেকে।

পেওনিয়রের ওই জরিপ থেকে দেখা যাচ্ছে, ফ্রিল্যান্স কাজে মেয়েদের অবস্থান এখনো নাজুক, আয়ের ক্ষেত্রেও তারা পিছিয়ে।

ফেসবুক থেকে মন্তব্যঃ

Leave A Reply