জিপি হাউজে থ্রিজি চালু মধ্য দিয়ে আজ ৩জি যাত্রা করবে গ্রামীনফোন

5

বাংলাদেশের সব থেকে বড় মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীনফোন ৩জি আজ ২৯ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিক সেবা চালু করতে যাচ্ছে। গ্রামীনফোন সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল সাড়ে ১০টায় তাদের প্রধান কার্যালয় জিপি হাউজে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন ৩জি সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এ সময় গ্রামীনফোনের প্রধান শেয়ারহোল্ডার টেলিনরের প্রেসিডেন্ট বাকসাস এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। তবে প্রাথমিক অবস্থায় সফট লঞ্চিং বা সীমিত পরিসরে কয়েকটি নির্বাচিত এলাকায় ৩জি সেবা চালু করবে প্রতিষ্ঠানটি। আর মূল বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হবে আগামী অক্টোবর মাসে। এছাড়া আগামী ২০১৪ সালের মার্চের মধ্যে সারাদেশে ৩জি সেবা ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হবে গ্রামীনফোন ।

gp 3g
দেশে ৩জি লাইসেন্সধারী পাঁচ মোবাইল ফোন অপারেটরের মধ্যে দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে ৩জি সেবা চালু করছে গ্রামীনফোন । এর আগে শনিবার সকালে রবি আজিয়াটার ৩জি সেবা উদ্বোধন করা হয়। এটিও উদ্বোধন করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন।

জানা গেছে, প্রথম পর্যায়ে গ্রামীনফোনের নিজস্ব কার্যালয়, রাজধানীর বারিধারা ও গুলশান এলাকায় এ সেবা পাওয়া যাবে। তারসঙ্গে যুক্ত হবে চট্টগ্রামের একাধিক এলাকা। ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের সবগুলো বিভাগীয় শহর এ সেবার আওতায় আসবে।

অক্টোবরের শুরুতে চট্টগ্রাম ও ঢাকার আরও কিছু এলাকায় ৩জি সেবা চালু হবে। নভেম্বরে ঢাকা জেলার অন্যান্য অংশ, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরে তা সম্প্রসারিত হবে।

ডিসেম্বরে সাত বিভাগীয় শহরে গ্রামীনফোনের ৩জি সেবা চালু করা সম্ভব হবে। আর ২০১৪ সালের মার্চের মধ্যে সব জেলার গ্রাহকরা ৩জি সেবা পাবে।

সম্প্রতি সাংবাদিক সম্মেলনে বিবেক সুদ জানান, অক্টোবরের শুরুতে ঢাকা ও চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় ৩জি সেবা চালু করার পর নভম্বেরে ঢাকা জেলার অন্যান্য অংশ, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরে যাবে গ্রামীনফোন।

আর ডিসেম্বরের মধ্যে সাত বিভাগীয় শহরেই গ্রামীনফোনের ৩জি সেবা চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন বিবেক।

বিবেক সুদ বলেন, “৩জি সেবা গ্রামীনফোন এবং বাংলাদেশের জন্য এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল। একই সঙ্গে দেশ প্রবেশ করছে তথ্যকেন্দ্রিক যুগে।”

এসময় ৩জি সেবা গ্রহণে গ্রাহকরা যাতে হয়রানির শিকার না হন সেজন্য তারা সিমলেস ট্রান্সফার চালু করবেন বলে জানান বিবেক সুদ।

এ সময় গ্রামীনফোনের চিফ টেকনোলজি অফিসার তানভির মোহাম্মদ বলেন, যেকোনো অপারেটরের আগেই তারা ৩জি সেবা চালু করছেন। এজন্য তারা অনেক আগে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলেন।

তিনি বলেন, “বিশ্বের ৩জি বিশেষজ্ঞদের একটি বড় অংশ এই মুহূর্তে বাংলাদেশে অবস্থান করছে।

গ্রামীণফোনের মূল কোম্পানি টেলিনরের অনেক দেশে ৩জি সেবা পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

গ্রামীণফোনের বেশকিছু কর্মকর্তা নরওয়ে, সুইডেনে গিয়ে ৩জি বিষয়ে হাতে কলমে শিক্ষা নিয়ে এসেছে। সবমিলিয়ে আমরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছি। আশা করছি গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে সক্ষম হবো।”

প্রসঙ্গত, গ্রামীণফোন রোববার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) আয়োজিত নিলামে ১০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম (তরঙ্গ) লাভ করে। এই তরঙ্গ নিলামে অংশ নেয়া অন্য অপারেটরদের দ্বিগুণ।

উল্লেখ্য, গত ৮ সেপ্টম্বর ৩জি ফোনের তরঙ্গ নিলামের একদিন পর গ্রামীণ ফোন ঘোষণা দিয়েছিল তারা চলতি মাসেই সফট লঞ্চিংয়ে আগ্রহী।

ইতোমধ্যে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) থেকে লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় যন্ত্র আমদানির অনুমতি পাওয়ায় ঘোষণা বাস্তবায়নে কোনো বাধা নেই।

ফেসবুক থেকে মন্তব্যঃ

5 Comments
  1. আকাশ says

    আকর্ষণীয় পোস্ট উপহার দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

  2. Nafiz Ur Rahman says

    পোস্টটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ

  3. শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

  4. joLpori says

    ধন্যবাদ ।

  5. শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ।

Leave A Reply