২০১৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপ এর A2z তথ্য জেনে নিন লাইভ দেখার লিংক সহ

0

ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫ (ইংরেজি: 2015 ICC Cricket World Cup) আইসিসি কর্তৃক পরিচালিত ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতার একাদশ আসর। ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ মার্চ, ২০১৫ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য এই বিশ্বকাপ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড – যৌথভাবে আয়োজন করবে। সর্বমোট ৪৯টি খেলা অনুষ্ঠিত হবে। তন্মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড, ব্রিসবেন, ক্যানবেরা, হোবার্ট, মেলবোর্ন, পার্থ ও সিডনির ১৪ মাঠে ২৬টি এবং নিউজিল্যান্ডের ৭ শহর – অকল্যান্ড, ক্রাইস্টচার্চ, ডুনেডিন, হ্যামিলটন, নেপিয়ার, ওয়েলিংটন ও নেলসনে ২৩টি খেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

১৯৯২ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের পর দেশ দু’টি দ্বিতীয়বারের মতো এ প্রতিযোগিতা যৌথভাবে আয়োজন করতে যাচ্ছে। প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত খেলা মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ আন্তজার্তিক ক্রীড়া হিসেবে ১৪ দলের অংশগ্রহণে চার শতাধিক স্বীকৃত ক্রিকেটার ও কর্মকর্তা এতে অংশগ্রহণ করবেন।

শচীন তেন্ডুলকর এ প্রতিযোগিতার জন্য আইসিসি কর্তৃক দূতের মর্যাদা পেয়েছেন। উল্লেখ্য যে, ২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপেও তিনি দূত হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন।

পূর্বতন চ্যাম্পিয়ন ও ২০১১ বিশ্বকাপের সহঃ-স্বাগতিক দেশ ভারত চূড়ান্ত খেলায় শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটের ব্যবধানে পরাভূত করে। বি-গ্রুপে অংশগ্রহণকারী দল ভারত বনাম পাকিস্তানের মধ্যকার খেলা ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। এক প্রতিবেদনে প্রকাশ পায় যে, মাত্র ১২ মিনিটের মধ্যে ঐ খেলার সমস্ত টিকেট বিক্রি হয়ে যায়

স্বাগতিক নির্ধারণ

৩০ এপ্রিল, ২০০৬ তারিখে আইসিসি ২০১১ সালের আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে স্বাগতিক দেশ নির্ধারণ করে। প্রকৃতপক্ষে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড ২০১১ সালের আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে প্রতিযোগিতা আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করলে তা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে যায় যা নির্ধারণে সমঝোতার প্রয়োজন পড়ে। ২০১৯ সালের প্রতিযোগিতা পরবর্তীতে ইংল্যান্ডকে স্বাগতিক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। চারটি এশীয় টেস্টভূক্ত দেশ – বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে আয়োজনে ১০-৩ ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কা দলের উপর সন্ত্রাসী আক্রমণের ফলে পাকিস্তান এ মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হয়।

ইতিহাস

দুবাইয়ে অবস্থিত আইসিসি’র সদর দফতরে ১ মার্চের পূর্বদিন ট্রান্স-তাসমান দরপত্র জমা পড়ে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী জেমস সাদারল্যান্ডের মতে, উন্নততর মাঠ ও অবকাঠামো, অস্ট্রেলীয় ও নিউজিল্যান্ড সরকারের প্রতিযোগিতা চলাকালীন সময়ে ট্যাক্স ও কাস্টম সংক্রান্ত সহায়তা এ দরপত্রের অন্যতম বিবেচ্য বিষয় ছিল।এ প্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ আয়োজনে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে যৌথ আয়োজকের মর্যাদা দেয়া হয়। এছাড়াও, নিউজিল্যান্ড সরকার জিম্বাবুয়ের রাজনৈতিক আলোচনায় জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দলের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের বিষয়েও ২০০৫ সালের সফরে নিশ্চিত করা হয়।

আইসিসি প্রেসিডেন্ট এহসান মানি বলেছিলেন চার-দেশীয় এশীয় দলের জন্য অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন পড়ায় তাদের দরপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভোটের ফলাফলে এশীয় দেশগুলো জয়ী হয়। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) জানায় যে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের ভোটই এ বিষয়ে সহায়তা করে। পাকিস্তানি সংবাদপত্র ডন এক প্রতিবেদনে ২০০৭ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটে তহবিল সংগ্রহের বিষয়ে এশীয় দেশগুলো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল যা ভোটে প্রভাববিস্তার করে। কিন্তু, এশীয় দরপত্রের মনিটরিং কমিটির সভাপতি আই.এস. বিন্দ্রা তা অস্বীকার করেন। অতিরিক্ত $৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মুনাফা লাভের প্রস্তাবনাই ভোট সংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।

ফলশ্রুতিতে আইসিসি ট্রান্স-ট্রান্সমান দরপত্রের সার্বিক দিক বিবেচনান্তে ২০১৫ সালের পরবর্তী বিশ্বকাপ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়।এরপূর্বে সর্বশেষ দেশ দুইটি ১৯৯২ সালে ক্রিকেট বিশ্বকাপ খেলার আয়োজন করেছিল। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে উভয় দেশের সর্ববৃহৎ ক্রীড়া বিষয় হিসেবে আখ্যায়িত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিযোগিতার ধরন

২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের ন্যায় এ আসরেও ১৪-দল অংশগ্রহণ করবে। তন্মধ্যে টেস্টভূক্ত দলসহ সহযোগী ও অনুমোদনলাভকারী সদস্য দলগুলোও ক্রিকেটের এ বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে।

প্রতিযোগিতার ধরনও ২০১১ সালের ন্যায়। ১৪-দলকে নিয়ে প্রারম্ভিক পর্যায়ে দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রত্যেক গ্রুপে ৭-দল থাকবে। সাতটি দল একে-অপরের বিপক্ষে একবার করে খেলবে। প্রত্যেক গ্রুপের শীর্ষ চার দল কোয়ার্টার-ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হবে। এরফলে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিলেও প্রত্যেক দলই কমপক্ষে ছয়টি খেলায় অংশ নিতে পারবে।

২৯ জানুয়ারি, ২০১৫ তারিখে আইসিসি কর্তৃপক্ষ সুপার ওভার ব্যবস্থা পুণর্বহাল রাখে। নক-আউট পর্যায়ের কোন খেলা টাই হলে এ ব্যবস্থা প্রযোগ করবে। তবে, চূড়ান্ত খেলা যদি টাই হয় তাহলে উভয় দলকে যৌথভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। এ সিদ্ধান্ত ২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে প্রয়োগ ঘটবে।

অর্থ পুরস্কার

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল প্রতিযোগিতায় $১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার প্রদানের ঘোষণা করে। অর্থ পুরস্কারের এ সংখ্যাটি ২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশী। দলের সাফল্যের উপর ভিত্তি করে নিম্নরূপ অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হবে:

পর্যায়অর্থ পুরস্কার (US$)মোট
বিজয়ী$৩,৯৭৫,০০০$৩,৯৭৫,০০০
রানার-আপ$১,৭৫০,০০০$১,৭৫০,০০০
সেমি-ফাইনালে পরাজিত দল$৬০০,০০০$১,২০০,০০০
কোয়ার্টার-ফাইনালে পরাজিত দল$৩০০,০০০$১,২০০,০০০
প্রত্যেক গ্রুপ-পর্বে বিজয়ী$৪৫,০০০$১,৮৯০,০০০
গ্রুপ-পর্ব থেকে বিতাড়িত দল$৩৫,০০০$২১০,০০০
সর্বমোট$১০,২২৫,০০০

কোন দল যদি অপরাজিত অবস্থায় গ্রুপ-পর্ব থেকে চ্যাম্পিয়ন হয় তাহলে তারা গ্রুপ-পর্বের $৪৫,০০০ অর্থসহ সর্বমোট $৪,২৪৫,০০০ অর্থ পাবে। অন্যদিকে গ্রুপ-পর্ব থেকে জয়বিহীন অবস্থায় বিদায়ী দল কেবলমাত্র $৩৫,০০০ ডলার পাবে।

বাছাই-পর্ব

লাল রঙে চিহ্নিত দেশগুলো ২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে অংশ নিবে।

  আইসিসির পূর্ণাঙ্গ দেশ খেলবে
  বিশ্ব ক্রিকেট লীগ ও বাছাইপর্বের দেশগুলো খেলবে
  বাছাইপর্বে খেললেও যোগ্যতা লাভে ব্যর্থ হয়

আইসিসি’র নিয়ম অনুযায়ী ১০-পূর্ণাঙ্গ সদস্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। ২০১১ সালের বিশ্বকাপের পরপরই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে, কেবলমাত্র পূর্ণাঙ্গ সদস্যদের মধ্যেই এ সুযোগ সীমাবদ্ধ থাকবে।এরফলে সহযোগী সদস্য দেশগুলো তীব্রভাবে আপত্তি জানায়। বিশেষ করে ২০০৭ ও ২০১১ সালের বিশ্বকাপে ভাল ফলাফল অর্জনকারী আয়ারল্যান্ড বেশ সোচ্চার হয়। আইসিসি ক্রিকেট কমিটির যোগ্যতা মানদণ্ড বিভাগ এ বিষয়ে তাদের সমর্থন ব্যক্ত করে। জুন, ২০১১ সালে আইসিসি তাদের পরিকল্পনা পূর্বাবস্থায় নিয়ে যায় ও ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে ১৪-দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানায়। তন্মধ্যে ৪টি সহযোগী অথবা অনুমোদন লাভকারী সদস্য দেশ অংশ নিতে পারবে।

সেপ্টেম্বর, ২০১১ সালে আইসিসি প্রধান নির্বাহী কমিটির সভায় নতুন ধরণের যোগ্যতা নির্ধারণী মানদণ্ড প্রণয়ন করা হয়। ২০১১-১৩ আইসিসি বিশ্ব ক্রিকেট লীগ চ্যাম্পিয়নশীপের শীর্ষ দুই দল সরাসরি অংশ নিবে। বাদ-বাকী ছয় দল থেকে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান নির্ধারণে ২০১১ আইসিসি বিশ্ব ক্রিকেট লীগ দ্বিতীয় বিভাগ ও ২০১৩ আইসিসি বিশ্ব ক্রিকেট লীগ তৃতীয় বিভাগ থেকে শীর্ষ দুই দল বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে।

৯ জুলাই, ২০১৩ তারিখে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত টাই খেলার ফলাফলে আয়ারল্যান্ড প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপে নাম লেখায়। ৪ অক্টোবর, ২০১৩ তারিখে কেনিয়াকে হারিয়ে আফগানিস্তান দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপে সুযোগ পায়। ২০১৪ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে পরাজিত করে স্কটল্যান্ড ও পরাজিত দল সংযুক্ত আরব আমিরাত চতুর্থ দল হিসেবে বিশ্বকাপে অংশ নিবে।

দলযোগ্যতার ধরনঅতীতে অংশগ্রহণসর্বশেষ অংশগ্রহণপূর্বেকার সেরা সাফল্যঅবস্থান[ক ১]গ্রুপ
 ইংল্যান্ডপূর্ণাঙ্গ সদস্য১০২০১১রানার্স-আপ (১৯৭৯, ১৯৮৭, ১৯৯২)
 দক্ষিণ আফ্রিকা২০১১সেমি-ফাইনাল (১৯৯২, ১৯৯৯, ২০০৭)বি
 ভারত১০২০১১চ্যাম্পিয়ন (১৯৮৩, ২০১১)বি
 অস্ট্রেলিয়া১০২০১১চ্যাম্পিয়ন (১৯৮৭, ১৯৯৯, ২০০৩, ২০০৭)
 শ্রীলঙ্কা১০২০১১চ্যাম্পিয়ন (১৯৯৬)
 পাকিস্তান১০২০১১চ্যাম্পিয়ন (১৯৯২)বি
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ১০২০১১চ্যাম্পিয়ন (১৯৭৫, ১৯৭৯)বি
 বাংলাদেশ২০১১সুপার এইট (২০০৭)
 নিউজিল্যান্ড১০২০১১সেমি-ফাইনাল (১৯৭৫, ১৯৭৯, ১৯৯২, ১৯৯৯, ২০০৭, ২০১১)
 জিম্বাবুয়ে২০১১সুপার সিক্স (১৯৯৯, ২০০৩)১০বি
 আয়ারল্যান্ডডব্লিউসিএল চ্যাম্পিয়নশীপ২০১১সুপার এইট (২০০৭)১১বি
 আফগানিস্তান১২
 স্কটল্যান্ড[২৫]বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব২০০৭গ্রুপ পর্ব (১৯৯৯, ২০০৭)১৩
 সংযুক্ত আরব আমিরাত১৯৯৬গ্রুপ পর্ব (১৯৯৬)১৪বি
  1. ৩১ ডিসেম্বর, ২০১২ তারিখ অনুযায়ী আইসিসি ওডিআই চ্যাম্পিয়নশীপে দলীয় অবস্থান।

র‌্যাঙ্কিং

প্রতিযোগিতা শুরুর পূর্বে আইসিসি ওডিআই চ্যাম্পিয়নশীপে নিম্নবর্ণিত র‌্যাঙ্কিং ছিল

আইসিসি ওডিআই চ্যাম্পিয়নশীপ (৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫)
র‌্যাঙ্কদলখেলাপয়েন্টরেটিং
 অস্ট্রেলিয়া৫২৬২৫৪১২০
 ভারত৭০৮০১০১১৪
 দক্ষিণ আফ্রিকা৫৫৬২১১১১৩
 শ্রীলঙ্কা৮৩৮৯৫৫১০৮
 ইংল্যান্ড৫৭৫৯৫৩১০৪
 নিউজিল্যান্ড৪৬৪৭৪৬১০৩
 পাকিস্তান৬০৫৭১৪৯৫
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ৫১৪৮০৮৯৪
 বাংলাদেশ৩৩২৪৬৬৭৫
১০ জিম্বাবুয়ে৩৬১৮৯৩৫৩
১১ আফগানিস্তান১৫৬২২৪১
১২ আয়ারল্যান্ড১১৩৭৭৩৪

প্রস্তুতি-পর্ব

স্থানীয় পরিচালনা কমিটি

২০১৫ বিশ্বকাপ সফলভাবে পরিচালনার জন্য প্রতিযোগিতার পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। জন হার্নডেনকে প্রধান নির্বাহী, জেমস স্ট্রং সভাপতি ও রাল্ফ ওয়াল্টার্সকে উপ-সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

ভিসা

পূর্বেই ঘোষণা করা হয়েছে যে, ২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে নিউজিল্যান্ডে আগত দর্শকগণ ট্রান্স-তাসমান চুক্তির আওতায় অস্ট্রেলিয়া গমন করতে পারবেন যা অস্ট্রেলিয়ার ক্ষেত্রেও একই হারে প্রযোজ্য হবে।

প্রচারমাধ্যম

প্রতিটি বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় প্রচারমাধ্যম ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল ২০১৫ বিশ্বকাপের সম্প্রচারস্বত্ত্ব ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ইএসপিএন স্টার স্পোর্টসস্টার ক্রিকেটের সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। স্ট্রংয়ের ভাষ্য মোতাবেক স্থানীয় পরিচালনা কমিটি প্রতিযোগিতাটিকে আরও সমর্থক-বান্ধব ক্রীড়া পরিবেশ নিশ্চিতকরণে ও ক্রিকেট সম্প্রসারণে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের মাধ্যমে বিস্তৃত করতে চায়।

শচীন তেন্ডুলকরকে ২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের জন্য দ্বিতীয়বারের মতো দূত হিসেবে মনোনীত করা হয়। এরপূর্বে ২০১১ সালে তিনি দূতের মর্যাদা পেয়েছিলেন।

টেলিভিশন

অবস্থানটেলিভিশন সম্প্রচাররেডিও সম্প্রচারওয়েব স্ট্রিমিং
 আফগানিস্তানক্যাবল/স্যাটেলাইট আরিয়ানা টেলিভিশন নেটওয়ার্ক: লিমার টিভি [৩৪]
 অস্ট্রেলিয়া
এবিসি লোকাল রেডিওফক্স স্পোর্টস
(Foxsports.com.au)
আফ্রিকাসাউথ আফ্রিকান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন
সুপারস্পোর্টস(কেবলমাত্র দক্ষিণ আফ্রিকায়)
সুপারস্পোর্ট
 বাংলাদেশক্যাবল/স্যাটেলাইট বাংলাদেশ টেলিভিশনগাজী টেলিভিশন[৩৬]বাংলাদেশ বেতারস্টার স্পোর্টস
 ভুটানস্টার স্পোর্টস
 কানাডাএশিয়ান টেলিভিশন নেটওয়ার্কইকোস্টার
মধ্য আমেরিকাইকোস্টার
 গণচীনস্টার স্পোর্টস
ইউরোপ (যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ড ব্যতীত)ইউরোস্পোর্ট২ইউরোস্পোর্ট
 ফিজিফিজি টিভি
 ভারত
অল ইন্ডিয়া রেডিও
 আয়ারল্যান্ডক্যাবল/স্যাটেলাইট (পে): স্কাই স্পোর্টস[৩৮]বিবিসি রেডিওবিস্কাইবি
 জামাইকাটেলিভিশন জামাইকা
 মালদ্বীপস্টার স্পোর্টস
মধ্যপ্রাচ্যআরব রেডিও ও টেলিভিশন নেটওয়ার্কআরব রেডিও ও টেলিভিশন নেটওয়ার্ক
 নেপালস্টার স্পোর্টস ১ ও ২
 নিউজিল্যান্ডক্যাবল/স্যাটেলাইট (পে): স্কাই স্পোর্টস[৩৯]স্কাই স্পোর্ট
 পাকিস্তানক্যাবল/স্যাটেলাইট (পে): পিটিভি স্পোর্টস[৪০]হাম এফএমস্টার স্পোর্টস
 সিঙ্গাপুরস্টার ক্রিকেট
 শ্রীলঙ্কাক্যাবল/স্যাটেলাইট: সিএসএনস্টার ক্রিকেটশ্রীলঙ্কা ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনস্টার স্পোর্টস
 সংযুক্ত আরব আমিরাতহাম এফএম
 যুক্তরাজ্যক্যাবল/স্যাটেলাইট (পে): স্কাই স্পোর্টস[৩৮]বিবিসি রেডিওবিস্কাইবি
 যুক্তরাষ্ট্র
 ওয়েস্ট ইন্ডিজক্যাবল/স্যাটেলাইট: ক্যারিবিয়ান মিডিয়া কর্পোরেশন[৪৩]সিএমসিসিএমসি
বহিঃর্বিশ্বসুপারস্পোর্ট

খেলা বন্টননামা

২০০৬ সালে বিশ্বকাপের দরপত্র দাখিলের সময় অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড খেলা বন্টনে প্রত্যেকেই অর্ধেক পাবে বলে ঘোষণা করে। ৩০ জুলাই, ২০১৩ তারিখে অস্ট্রেলিয়ায় ২৬টি ও নিউজিল্যান্ড ২৩টি খেলা আয়োজনের দায়িত্ব পাবে বলে জানানো হয়। বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা আয়োজনে মেলবোর্নসিডনি আগ্রহ প্রকাশ করে।কিন্তু ৩০ জুলাই তারিখে মেলবোর্নকে ফাইনালের দায়িত্বভার অর্পণ করা হয়। এছাড়াও, সিডনি ও অকল্যান্ডকে সেমি-ফাইনাল খেলা আয়োজনের দায়িত্ব দেয়া হয়।

মাঠসমূহ

সিডনি, এনএসডব্লিউমেলবোর্ন, ভিক্টোঅ্যাডিলেড, দ. অ.ব্রিসবেন, কুইন্সপার্থ, প. অ.
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডমেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডঅ্যাডিলেড ওভালব্রিসবেন ক্রিকেট গ্রাউন্ডওয়াকা গ্রাউন্ড
ধারনক্ষমতা: ৪৮,০০০ (পরিবর্ধিত)ধারণক্ষমতা: ১০০,০২৪ধারণক্ষমতা: ৫৩,৫০০ (পরিবর্ধিত)ধারণক্ষমতা: ৪২,০০০ধারণক্ষমতা: ২৪,৫০০
Ashes 2010-11 Sydney Test final wicket.jpgMCG (Melbourne Cricket Ground).jpgAdelaide Oval Western Grandstand.jpgAustralia vs South Africa.jpg3rd Test, Perth, 15Dec2006.jpg
হোবার্ট, তাসক্যানবেরা, এসিটি
বেলেরিভ ওভালম্যানুকা ওভাল
ধারণক্ষমতা: ২০,০০০ (পরিবর্ধিত)ধারণক্ষমতা: ১৩,৫৫০
Bellerive oval hobart.jpgManuka Oval.JPG
অকল্যান্ডক্রাইস্টচার্চ
ইডেন পার্কহ্যাগলে ওভাল
ধারণক্ষমতা: ৪৬,০০০ধারণক্ষমতা: ২০,০০০
Eden Park at Dusk, 2013, cropped.jpgHagley Oval 2007 - from HagleyParkAerialPhoto.jpg
হ্যামিলটননেপিয়ারওয়েলিংটননেলসনডুনেডিন
সেডন পার্কম্যাকলিন পার্কওয়েলিংটন রিজিওন্যাল স্টেডিয়ামস্যাক্সটন ওভালইউনিভার্সিটি ওভাল, ডুনেডিন
ধারণক্ষমতা: ১২,০০০ধারণক্ষমতা: ২০,০০০ধারণক্ষমতা: ৩৩,০০০ধারণক্ষমতা: ৫,০০০ধারণক্ষমতা: ৬,০০০
Waikato cricket ground.jpgWestpac Stadium Cricket luving Crowd.jpgSaxton oval panorama cropped.jpgNew Zealand vs Pakistan, University Oval, Dunedin, New Zealand.jpg

আম্পায়ার

আম্পায়ার নির্বাচক পরিষদ ২০জন আম্পায়ারকে বিশ্বকাপ পরিচালনার জন্য মনোনীত করে। তন্মধ্যে – অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড থেকে ৫, এশিয়া থেকে ৫, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ২জন করে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে ১জন আম্পায়ার খেলা পরিচালনা করবেন।

অস্ট্রেলিয়া
দক্ষিণ আফ্রিকা
ইংল্যান্ড
নিউজিল্যান্ড
ভারত
পাকিস্তান
শ্রীলঙ্কা
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
  • ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড জোয়েল উইলসন

দলীয় সদস্য

অংশগ্রহণকারী দলগুলো তাদের ৩০-সদস্যের তালিকা প্রকাশ করে। এরপর প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ৭ জানুয়ারি, ২০১৫ তারিখে বা এর পূর্বে দলের ১৫-সদস্যের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে।

প্রস্তুতিমূলক খেলা

৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৪টি একদিনের আন্তর্জাতিকবিহীন খেলা আয়োজনের ব্যবস্থা নেয়া হয়।

গ্রুপ পর্ব

প্রতিযোগিতার গ্রুপ-পর্বে রাউন্ড-রবিন পদ্ধতিতে সর্বমোট ৪২টি খেলা অনুষ্ঠিত হবে। প্রত্যেক গ্রুপের শীর্ষস্থানীয় চারদল কোয়ার্টার-ফাইনালে উত্তীর্ণ হবে।

গ্রুপ এ

১৪ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড  শ্রীলঙ্কা১ম খেলা
হ্যাগলে ওভাল, ক্রাইস্টচার্চ

১৪ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া  ইংল্যান্ড২য় খেলা
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, মেলবোর্ন

১৭ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড  স্কটল্যান্ড৬ষ্ঠ খেলা
ইউনিভার্সিটি ওভাল, ডুনেডিন

১৮ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
বাংলাদেশ  আফগানিস্তান৭ম খেলা
ম্যানুকা ওভাল, ক্যানবেরা

২০ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড  ইংল্যান্ড৯ম খেলা
ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়াম, ওয়েলিংটন

২১ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া  বাংলাদেশ১১তম খেলা
ব্রিসবেন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, ব্রিসবেন

২২ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
শ্রীলঙ্কা  আফগানিস্তান১২তম খেলা
ইউনিভার্সিটি ওভাল, ডুনেডিন

২৩ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড  স্কটল্যান্ড১৪তম খেলা
হ্যাগলে ওভাল, ক্রাইস্টচার্চ

২৬ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
আফগানিস্তান  স্কটল্যান্ড১৭তম খেলা
ইউনিভার্সিটি ওভাল, ডুনেডিন

২৬ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
বাংলাদেশ  শ্রীলঙ্কা১৮তম খেলা
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, মেলবোর্ন

২৮ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড  অস্ট্রেলিয়া২০তম খেলা
ইডেন পার্ক, অকল্যান্ড

১ মার্চ
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড  শ্রীলঙ্কা২২তম খেলা
ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়াম, ওয়েলিংটন

৪ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া  আফগানিস্তান২৬তম খেলা
ওয়াকা গ্রাউন্ড, পার্থ

৫ মার্চ
স্কোরকার্ড
বাংলাদেশ  স্কটল্যান্ড২৭তম খেলা
স্যাক্সটন ওভাল, নেলসন

৮ মার্চ
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড  আফগানিস্তান৩১তম খেলা
ম্যাকলিন পার্ক, নেপিয়ার

৮ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া  শ্রীলঙ্কা৩২তম খেলা
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, সিডনি

৯ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড  বাংলাদেশ৩৩তম খেলা
অ্যাডিলেড ওভাল, অ্যাডিলেড

১১ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
শ্রীলঙ্কা  স্কটল্যান্ড৩৫তম খেলা
বেলেরিভ ওভাল, হোবার্ট

১৩ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড  বাংলাদেশ৩৭তম খেলা
সেডন পার্ক, হ্যামিলটন

১৩ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড  আফগানিস্তান৩৮তম খেলা
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, সিডনি

১৪ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া  স্কটল্যান্ড৪০তম খেলা
বেলেরিভ ওভাল, হোবার্ট

গ্রুপ বি

১৫ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
দক্ষিণ আফ্রিকা  জিম্বাবুয়ে৩য় খেলা
সেডন পার্ক, হ্যামিলটন

১৫ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত  পাকিস্তান৪র্থ খেলা
অ্যাডিলেড ওভাল, অ্যাডিলেড

১৬ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
আয়ারল্যান্ড  ওয়েস্ট ইন্ডিজ৫ম খেলা
স্যাক্সটন ওভাল, নেলসন

১৯ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
জিম্বাবুয়ে  সংযুক্ত আরব আমিরাত৮ম খেলা
স্যাক্সটন ওভাল, নেলসন

২১ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান  ওয়েস্ট ইন্ডিজ১০ম খেলা
হ্যাগলে ওভাল, ক্রাইস্টচার্চ

২২ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত  দক্ষিণ আফ্রিকা১৩তম খেলা
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, মেলবোর্ন

২৪ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ওয়েস্ট ইন্ডিজ  জিম্বাবুয়ে১৫তম খেলা
ম্যানুকা ওভাল, ক্যানবেরা

২৫ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
আয়ারল্যান্ড  সংযুক্ত আরব আমিরাত১৬তম খেলা
ব্রিসবেন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, ব্রিসবেন

২৭ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
দক্ষিণ আফ্রিকা  ওয়েস্ট ইন্ডিজ১৯তম খেলা
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, সিডনি

২৮ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত  সংযুক্ত আরব আমিরাত২১তম খেলা
ওয়াকা গ্রাউন্ড, পার্থ

১ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান  জিম্বাবুয়ে২৩তম খেলা
ব্রিসবেন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, ব্রিসবেন

৩ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
আয়ারল্যান্ড  দক্ষিণ আফ্রিকা২৪তম খেলা
ম্যানুকা ওভাল, ক্যানবেরা

৪ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান  সংযুক্ত আরব আমিরাত২৫তম খেলা
ম্যাকলিন পার্ক, নেপিয়ার

৬ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত  ওয়েস্ট ইন্ডিজ২৮তম খেলা
ওয়াকা গ্রাউন্ড, পার্থ

৭ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান  দক্ষিণ আফ্রিকা২৯তম খেলা
ইডেন পার্ক, অকল্যান্ড

৭ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
আয়ারল্যান্ড  জিম্বাবুয়ে৩০তম খেলা
বেলেরিভ ওভাল, হোবার্ট

১০ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত  আয়ারল্যান্ড৩৪তম খেলা
সেডন পার্ক, হ্যামিলটন

১২ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
দক্ষিণ আফ্রিকা  সংযুক্ত আরব আমিরাত৩৬তম খেলা
ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়াম, ওয়েলিংটন

১৪ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত  জিম্বাবুয়ে৩৯তম খেলা
ইডেন পার্ক, অকল্যান্ড

১৫ মার্চ
স্কোরকার্ড
ওয়েস্ট ইন্ডিজ  সংযুক্ত আরব আমিরাত৪১তম খেলা
ম্যাকলিন পার্ক, নেপিয়ার

১৫ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
আয়ারল্যান্ড  পাকিস্তান৪২তম খেলা
অ্যাডিলেড ওভাল, অ্যাডিলেড

নক-আউট পর্ব

তারিখ ও মাঠ নির্ধারণ করা স্বত্ত্বেও স্বাগতিক দলের যোগ্যতা অর্জনের উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। যদি অস্ট্রেলিয়া কোয়ার্টার-ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়, তাহলে ২০ মার্চ অ্যাডিলেডে খেলবে। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড কোয়ার্টার-ফাইনালে উন্নীত হলে ২১ মার্চ ওয়েলিংটনে খেলবে।

আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ের পরবর্তী শীর্ষ দুই দল শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ড কোয়ার্টার-ফাইনালে প্রবেশ করলে তারা যথাক্রমে সিডনি ও মেলবোর্নে খেলবে।কিন্তু শ্রীলঙ্কা কিংবা ইংল্যান্ড কোয়ার্টার-ফাইনাল খেলতে ব্যর্থ হলে উপরোক্ত শর্ত প্রযোজ্য হবে। বি-গ্রুপের দলগুলো এ-গ্রুপের সাথে খেলবে। খেলার ধারাটি হচ্ছে: এ১ ব বি৪, এ২ ব বি৩, এ৩ ব বি২, এ৪ ব বি১।

যদি অস্ট্রেলিয়া সেমি-ফাইনালে উঠে তাহলে সিডনিতে ২৬ মার্চ খেলবে। নিউজিল্যান্ড সেমি-ফাইনাল খেলার সুযোগ পেলে ২৪ মার্চ অকল্যান্ডে খেলবে। অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড সেমি-ফাইনালে মুখোমুখি হলে এ-গ্রুপের শীর্ষস্থানীয় দল খেলা আয়োজনের সুযোগ পাবে।

কোয়ার্টার-ফাইনালসেমি-ফাইনালফাইনাল
এ১
বি৪
বি২
এ৩
এ২
বি৩
বি১
এ৪

কোয়ার্টার-ফাইনাল

১৮ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
এ১বি৪১ম কোয়ার্টার ফাইনাল
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, সিডনি

১৯ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
এ২বি৩২য় কোয়ার্টার-ফাইনাল
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, মেলবোর্ন

২০ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
এ৩বি২৩য় কোয়ার্টার-ফাইনাল
অ্যাডিলেড ওভাল, অ্যাডিলেড

২১ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
এ৪বি১৪র্থ কোয়ার্টার-ফাইনাল
ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়াম, ওয়েলিংটন

সেমি-ফাইনাল

২৪ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
১ম কোয়ার্টার-ফাইনাল বিজয়ী৪র্থ কোয়ার্টার-ফাইনাল বিজয়ী১ম সেমি-ফাইনাল
ইডেন পার্ক, অকল্যান্ড

২৬ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
২য় কোয়ার্টার-ফাইনাল বিজয়ী৩য় কোয়ার্টার-ফাইনাল বিজয়ী২য় সেমি-ফাইনাল
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, সিডনি

ফাইনাল

২৯ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
১ম সেমি-ফাইনাল বিজয়ী২য় সেমি-ফাইনাল বিজয়ীফাইনাল
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, মেলবোর্ন

বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ সরাসরি দেখার লিংক http://www.pchelplinebd.com/archives/133563
সূত্রঃ উইকিপিডিয়া

ফেসবুক থেকে মন্তব্যঃ

Leave A Reply