কোরিয়ান রূপকথা- সর্পকন্যা

0

খুবই সাহসী ছেলে হিয়োংখুন। অনেক ঘুরেছে সে পাহাড়-জঙ্গলের পথে। সুতরাং এ পথে যেতে ভয় করলো না তার। জোরে পা চালাল সে। পথে খাবার জন্য তার কাছে রয়েছে এক ব্যাগ সেদ্ধ আলু। এ ছাড়া কাঁধে রয়েছে এক বোঝা কাপড়। বন্ধু আর বন্ধু-পত্নীর জন্য কাপড়গুলো উপহার হিসেবে দিয়েছেন হিয়োং-এর বাবা।

ফুরফুরে মেজাজে পথ চলতে লাগল হিয়াং। বনের সৌন্দর্য তাকে মুগ্ধ করল। সে এতটা আনমনা হয়ে পড়েছিল যে সরুপথটার দিকে আর খেয়াল রইল না। ফলে পাহাড়ি জঙ্গলে পথ হারাল সে।

ইতিমধ্য সূর্য ঢলে পড়ল পশ্চিম আকাশে। আর একটু পরে নামবে অন্ধকার। এখন পথের সন্ধান না পেলে অন্ধকারে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। পাগলের মত এদিক ওদিক ছোটাছুটি করলো হিয়োং। কিন্তু খুঁজে পেল না পথ। ঝপ করে অন্ধকার নেমে এল জঙ্গলে।

বন্যজন্তুদের চলাফেরার শব্দ শোনা যাচ্ছে। শিকারের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছে ওরা। ডেকে উঠছে মাঝে মাঝে। হিয়োং কি ওদের হাতে মারা যাবে? কিন্তু এভাবে মরবে না সে। একটা আশ্রয় তাকে খুঁজে বের করতেই হবে। একটা গাছের কোটর কিংবা পাহাড়ের গুহায় রাত কাটাতে পারে সে। ইতিমধ্যে চোখে সয়ে এসেছে অন্ধকার। আবছা দেখা যাচ্ছে সবকিছু। খুব সতর্কতার সাথে পা বাড়ালো সে।

মাঝরাতের দিকে দূরে একটা আলো দেখতে পেল হিয়োং। এগোল সেদিকে। একটু পর একটা ঘরের সামনে চলে এল। ঘরের জানালা দিয়ে আলো এসে পড়ছে বাইরে। স্বস্তির শ্বাস ফেলল সে যাক, একটা আশ্রয় পাওয়া গেছে…বিস্তারিত  পড়ুন

ফেসবুক থেকে মন্তব্যঃ

Leave A Reply