স্কুল, কলেজ, ই-কমার্স ওয়েবসাইট সহ যেকোনো প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট তৈরী, অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ( ভর্তি ফরম ) অনলাইনে ভর্তির ফলাফল সহ মোবাইল SMS System আমরা করে দিচ্ছি।

0

স্কুল, কলেজ, ই-কমার্স ওয়েবসাইট সহ যেকোনো প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট তৈরী, অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ( ভর্তি ফরম ) অনলাইনে ভর্তির ফলাফল সহ মোবাইল SMS System আমরা করে দিচ্ছি।
মোবাইল নম্বরঃ +8801716076723

ই-কমার্স ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট বা ওয়েব বেসড সফটওয়্যার এর ক্ষেত্রে তো অবশ্যই আপনাকে একটি নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে আসতে হবে, মানে কিভাবে শুরু করবেন কাজটি এবং সেই কাজ সম্পর্কে অভিগ্যতা কতোটুকু আছে আপনার? কারণ নিজ কাজ সম্পর্কে ধারনা থাকলে ছোট দোকান খুলেও ব্যবসা করা যায়। মার্কেটে অনেক আই.টি ফার্ম আছে যারা আপনাকে ৩০০০ টাকাতেও ই-কমার্স ওয়েবসাইট করে দিবে। মনে রাখবেন এই ক্ষেত্রে ছোট দোকান মানে নূন্যতম
১৮/২০ হাজারের মধ‍্যে অন্তত হতে হবে।
তাহলে আপনার ওয়েবসাইটটি আপনার জন্য অনেকটাই নিরপরাধ হবে এবং ব্যবসা করবার জন্য উপযোগী হবে।
তবে এমন একটি ওয়েবসাইট তৈরী করুণ যেটি পরবর্তীতে পরিবর্তন করতে না হয়। তাই খুবি দরকারি যেটি সেটি হল ব্যবসার আদ্যোপান্ত সব প্ল্যান করে ওয়েবসাইট তৈরি করা। আপনার বিজনেস অপারেশন কেমন হবে তার সাথে সামঞ্জস্য রেখে ওয়েবসাইট তৈরি করা উচিৎ। যে ব্যবসা সম্পর্কে নূন্যতম জ্ঞান নেই সেটির জন্য সময় ব্যয় অনর্থক হবে শেষপর্যন্ত।

দেখুন আপনার কাস্টমারের কাছে অনেক অপশন আছে একটি মাত্র ক্লিকে আপনার যাচাইয়ের অনেক তথ‍্য জেনে যাবে। সুতরাং আপনার ওয়েবসাইট হতে হবে ফাস্ট, ইউজার ফ্রেন্ডলি, গ্রহণযোগ্য, নিরাপদ ও সুন্দর দেখতে। সবসময় মনে রাখবেন ওয়েবসাইটটি ডেভেলপ করতে হবে প্রফেশনাল কোন ব্যাক্তি বা কোম্পানির মাধ‍্যমে।
যদি আপনি সুদীর্ঘ পরিকল্পনা নিয়ে ব্যবসাতে নামেন, তাহলে ওয়েবসাইটটি তৈরির আগে অবশ্যই নিম্ন বিষয়ের উপর পূর্ণ জ্ঞান রাখতে হবে আপনাকে।

১) কাস্টমার বেজঃ

প্রথমেই আপনাকে দেখতে হবে আপনার কাস্টমার বেজ কেমন হতে পারে, ওয়েবসাইটে কেমন ভিজিটর আসতে পারে ( এটা নির্ভর করবে আপনার মার্কেটিং এর উপর ), আপনার ডাটাবেজ বড় হলে আপনার ওয়েবসাইট তো ভারি হবে। আর এতে করে আপনার ওয়েবসাইট এর পারফরমেন্স খারাপ হতে থাকবে। অনেকেই প্রথমে একটা সস্তা ওয়েবসাইট দিয়ে শুরু করে কিন্তু কিছু দিন পর তাঁকে আবার নতুন করে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয়। এতে সময় ও টাকা দুটোই নষ্ট হয়। আমাদের পরামর্শ হল শুরুতেই একটা ভাল ওয়েবসাইট নিয়ে ব্যবসা শুরু করলে বেটার হবে।

২) ব্যবসাইক মডেলের সাথে সামঞ্জস্য পূর্ণ একটা ওয়েবসাইট তৈরী করা
সর্বোত্তম।

প্রতিটা ব্যবসা ইউনিক। প্রতিটা ব্যবসার পরিকল্পনা, গঠন, আকার, ধরন ভিন্ন-ভিন্ন হতে পারে, তাই আমাদের পরামর্শ হল আমরা ব্যবসার সাথে সামঞ্জস্য রেখে ওয়েবসাইট এর ডিজাইন করবার পরামর্শ দিই। অনেক রেডি-মেড প্লাটফর্ম আছে এবং এসব প্লাটফর্ম দিয়ে অনেক ভাল ওয়েবসাইট করা যায়। কিন্তু একটু সাহস করে যদি নিজের মত করে মৌলিক কিছু হয় তাহলে ডেভেলপ করা ও ভবিষ্যৎ এর জন্য ভাল এবং এতে খরচ বেশি হলেও ভবিষ্যৎ এর জন্য অনেক বেশী ভাল হবে।

৩) ডিজাইনঃ

সুন্দর ডিজাইন করা একটা ওয়েবসাইট সব সময় আপনার কাস্টমার ধরে রাখতে সাহায্য করবে তেমন আপনার প্রফেসনালিজমকে ফুটিয়ে তোলবে। এটা করতে আপনাকে ভালই খরচের ঘাঁণি টানতে হবে।

৪) ফাংশনালিটিঃ

একটা ওয়েবসাইটএর প্রধান দুইটি মাধ‍্যাম দিয়ে তৈরি হয়, একটি ওয়েবসাইট এর “হার্ট” বলা যেতে পারেঃ ১) ওয়েব কান্টেন্ট ও ২) ফাংশনালিটি।

ফাংশনালিটি হতে পারে যেমনঃ কান্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, ইউজার অ্যাকাউন্ট থেকে সোশ্যাল মিডিয়া ইন্ট্রিগেশন ইত্যাদি। এই গুলো আপনার ব্যবসার সঙ্গতি রেখে ডেভেলপ করা ভাল। এতে করে আপনার ব্যবসা পরিচালনা করতে সুবিধা হবে এবং ভবিষ্যৎ ঝামেলা থেকে নিরাপদ হবেন। গাড়ি কেনার মতই ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্টএর খরচ, যত বেশি ফাংশনালিটি তত বেশি খরচ। এটাই আমরা অনেকে বুঝতে চাইনা। আবার নেহাতই খুব সস্তা খুঁজতে গিয়ে পস্তাই।

উপরের আলোচনা থেকে নিশ্চয়ই সম্পূর্ণরূপে না হলেও কিছু ধারনা পেয়ে গেছেন। একটি ভাল মানের ওয়েবসাইট তৈরি করতে আপনাকে একটু খরচ করতেই হবে। বিশ্বাস রাখবেন আপনার ওয়েবসাইটই হল আপনার সুন্দর ব্যবসায়িক দোকান। যদি দোকান ভাল না হয় কোন দিন কাস্টমার ধরে রাখতে পারবেন না!

পরামর্শের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
মোবাইল নম্বরঃ +8801716076723

 

ফেসবুক থেকে মন্তব্যঃ

Leave A Reply